ধুপগুড়ি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুমলাই নদীর পাড় সংলগ্ন জলাভূমি ও নদীর অংশ দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নদীর চরিত্র ও জলাভূমি পরিবর্তন করে প্লট কেটে বিক্রি করা হয়েছে এবং একের পর এক পাকা বাড়ি তৈরি হয়েছে ওই স্থানে। এলাকাবাসীরা বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন, যার মধ্যে প্রধান হলো— নদী ও জলাভূমি হিসেবে চিহ্নিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত মালিকানায় হস্তান্তরিত হলো এবং কোন প্রক্রিয়ায় সেই জমিতে নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, পরিবেশ আইন ও জলাভূমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধকে কার্যত উপেক্ষা করেই এই নির্মাণকাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই জমিগুলির বিক্রি এবং সেখানে ধাপে ধাপে পাকা নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে তৃণমূল পরিচালিত প্রশাসনের আমলেই। বিষয়টি নিয়ে ধুপগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নরেশ রায় বলেন, এই অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর এবং বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, যদি সত্যিই নদী বা জলাভূমি দখল করে নির্মাণ হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হবে।
ধুপগুড়ি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুমলাই নদীর পাড় সংলগ্ন জলাভূমি ও নদীর অংশ দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নদীর চরিত্র ও জলাভূমি পরিবর্তন করে প্লট কেটে বিক্রি করা হয়েছে এবং একের পর এক পাকা বাড়ি তৈরি হয়েছে ওই স্থানে। এলাকাবাসীরা বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন, যার মধ্যে প্রধান হলো— নদী ও জলাভূমি হিসেবে চিহ্নিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত মালিকানায় হস্তান্তরিত হলো এবং কোন প্রক্রিয়ায় সেই জমিতে নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, পরিবেশ আইন ও জলাভূমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধকে কার্যত উপেক্ষা করেই এই নির্মাণকাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই জমিগুলির বিক্রি এবং সেখানে ধাপে ধাপে পাকা নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে তৃণমূল পরিচালিত প্রশাসনের আমলেই। বিষয়টি নিয়ে ধুপগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নরেশ রায় বলেন, এই অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর এবং বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, যদি সত্যিই নদী বা জলাভূমি দখল করে নির্মাণ হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হবে।
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, বাংলা তার শিকড় ভুলবে না এবং তা সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পথেই এগিয়ে যাবে। তিনি সমাজগঠনের জন্য রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, গৌড়ীয় মঠ ও ইসকনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যদি আপত্তি থাকে তবে 'হরে কৃষ্ণ' বলার প্রয়োজন নেই, কিন্তু ভালো খাবার পাওয়া যাবে। এর অংশ হিসেবে, কলকাতায় একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ডিমের পরিবর্তে পুষ্টিকর নিরামিষ খাদ্যের উপর জোর দেওয়া হবে।1
- ময়নাগুড়িতে পুলিশের ভোট পট্টি ফাঁড়ি একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিশাল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচারের একটি বড়সড় ছক বানচাল করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক কাফ সিরাপ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ জলপাইগুড়ির দিক থেকে একটি পিক আপ গাড়িতে করে মেখলিগঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশের একটি বিশেষ দল গাড়িটিকে ধাওয়া করলে, ভোটপট্টি সংলগ্ন শনি মন্দির ও লাল স্কুল এলাকার কাছে চালক পুলিশের উপস্থিতি টের পায়। পরিস্থিতি প্রতিকূল বুঝে পাচারকারীরা রাস্তার মাঝখানেই গাড়িটি ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ পরবর্তীতে গাড়িটি তল্লাশি করে মোট ১৬ হাজার ৭৫টি নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের বোতল উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরবর্তীতে, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই নিষিদ্ধ সিরাপগুলি মেখলিগঞ্জ ও সংলগ্ন এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তদন্তকারীরা বর্তমানে খতিয়ে দেখছেন যে এই পাচারের ঘটনায় কোনো বড়সড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কিনা। বাজেয়াপ্ত করা গাড়িটিকে বর্তমানে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মায়ানগুড়ি পুলিশ পলাতক চালকের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে।1
- শনিবার থেকে হলদিবাড়ি পোস্ট অফিসে আধার কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে একটি বিশেষ নাম নথিভুক্তিকরণ ও সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন আধার নিবন্ধন, নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ সংশোধন এবং বায়োমেট্রিক হালনাগাদসহ বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণ করতে প্রথম দিন থেকেই ভোরবেলা থেকে পোস্ট অফিস চত্বরে সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে বহু আবেদনকারী এই পরিষেবা নিতে উপস্থিত হন। পোস্ট অফিসের কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম মেনে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আবেদনকারীদের ভিড় সামাল দিয়ে পরিষেবা প্রদান করেন। এই উদ্যোগে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আধার-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে বলে সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন।1
- Naam se Mul sakhi barihat korma missionary Karma courses shekhi Mela ka1
- ভিডিও ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করবেন। পেজটি ফলো করে পাশে থাকবেন1
- ২৬ জুন, শুক্রবার, কুচলিবাড়ির তিনবিঘা করিডর সংলগ্ন এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো তিনবিঘা শহীদ দিবস। এই উপলক্ষে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়, বিজেপির নেতৃত্ব, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য এবং এলাকার বহু মানুষ। বক্তারা এই আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি ভূখণ্ড রক্ষার নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তবর্তী মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা তিনবিঘা আন্দোলনের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরেন, যেখানে ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা–মুজিব চুক্তির পর করিডরটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জমি হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু হলে কুচলিবাড়ি এলাকার মানুষ এর বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন। এই আন্দোলনের সময়, ১৯৮১ সালের ৮ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সুধীর রায়। এর এক দশক পর, ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিনবিঘা করিডর চালুর দিন ফের পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জিতেন রায় ও ক্ষিতেন অধিকারী। তাঁদের এই আত্মত্যাগ কুচলিবাড়ি-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে আজও সংগ্রাম, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দধিরাম রায় শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, শহীদ পরিবারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা মন্তব্য করেন যে, তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সে কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও পূর্ণ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তিনবিঘা শহীদ দিবস পালন করা হলো।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি পুরসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যানজট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়েছিল।1
- বর্ষার ভরা মৌসুমে নদীগুলি ফুলেফেঁপে ওঠায় যেকোনো সময় বিপদ ঘটার আশঙ্কায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ প্রশাসন নদীতে স্নান করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে নদীতে নামলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে জানিয়ে, ময়নাগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।1