পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত শেষ হওয়ার পর রবিবার ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জাহাঙ্গীর খান ওরফে ‘পুষ্পা’কে ফের ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতে অভিযুক্তকে পেশ করার পর তদন্তকারী সংস্থা আরও পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানায়, কারণ মামলার তদন্তে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনা বাকি রয়েছে বলে দাবি করা হয়। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক জাহাঙ্গীর খানকে আরও ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। এর আগে আদালতের নির্দেশে তিনি পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে ছিলেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালান। তবে, তদন্ত এখনও সম্পূর্ণ না হওয়ায় পুনরায় পুলিশি হেফাজতের প্রয়োজনীয়তার কথা আদালতে তুলে ধরা হয়। রবিবার আদালত চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযুক্তকে আদালতে আনার সময় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়। জাহাঙ্গীর খানকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের আবহে প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অভিযোগ, ফলতা এলাকার রাজনীতিতে জাহাঙ্গীর খান দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী মুখ ছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক ও অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে এবং বিরোধীরা এই ঘটনাকে ইস্যু করে শাসকদলকে আক্রমণ করছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে এখনও স্পষ্টভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুনরায় ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশের পর তদন্তে আরও কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সামনে আসতে পারে, যা মামলার তদন্তে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত শেষ হওয়ার পর রবিবার ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জাহাঙ্গীর খান ওরফে ‘পুষ্পা’কে ফের ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতে অভিযুক্তকে পেশ করার পর তদন্তকারী সংস্থা আরও পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানায়, কারণ মামলার তদন্তে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনা বাকি রয়েছে বলে দাবি করা হয়। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক জাহাঙ্গীর খানকে আরও ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। এর আগে আদালতের নির্দেশে তিনি পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে ছিলেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালান। তবে, তদন্ত এখনও সম্পূর্ণ না হওয়ায় পুনরায় পুলিশি হেফাজতের প্রয়োজনীয়তার কথা আদালতে তুলে ধরা হয়। রবিবার আদালত চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযুক্তকে আদালতে আনার সময় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়। জাহাঙ্গীর খানকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের আবহে প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অভিযোগ, ফলতা এলাকার রাজনীতিতে জাহাঙ্গীর খান দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী মুখ ছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক ও অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে এবং বিরোধীরা এই ঘটনাকে ইস্যু করে শাসকদলকে আক্রমণ করছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে এখনও স্পষ্টভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুনরায় ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশের পর তদন্তে আরও কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সামনে আসতে পারে, যা মামলার তদন্তে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
- শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কুণাল ঘোষের উপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে মন্তব্য করেছেন যে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এ ধরনের সংস্কৃতিকে কোনোভাবেই সমর্থন করা উচিত নয়। বিজেপি কর্মীদের সরাসরি উদ্দেশ্য করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, "ডিম ছোড়া, এসব সংস্কৃতি চালাবেন না।" তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিবাদ সর্বদা গণতান্ত্রিক উপায়ে হওয়া উচিত, যা ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অপমানের পথ পরিহার করে।1
- 😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂 maja a Gaya Jara dekh Lo1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি এলাকায় তৃণমূল নেতা হোসেন পুরকাইতকে ঘিরে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের উদ্যোগে জয়নগর ২নং ব্লকে আয়োজিত জন কল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনে বিভিন্ন পরিষেবা লাভের আশায় সাধারণ মানুষের চোখে পড়ার মতো ভিড় দেখা গেছে। এই জন কল্যাণ শিবিরে সাধারণ মানুষ নানান পরিষেবা গ্রহণ করতে সমবেত হয়েছিলেন।1
- ফলতার 'বেতাজ বাদশা' হিসাবে পরিচিত জাহাঙ্গীর খান সম্প্রতি ফলতা বাসীর কাছে কান ধরে এবং হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। তার এই ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওটি বর্তমানে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রসুলপুর এবং মালা খান পাড়ায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সম্মানিত সংবাদ চ্যানেলগুলোর কাছে এই বিষয়ে একটি জরুরি তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন, কারণ এই চাঁদাবাজি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন, ব্যবসা এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। বেলসিংহা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকায়, টিএমসি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দাবি করে কিছু স্থানীয় কর্মী ও নেতা পরিকল্পিতভাবে অবৈধ ঘুষ এবং 'অনুদান' আদায় করছে বলে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, টিএমসির কুখ্যাত নেতা রিয়াজুল খান (লাল্টু) এবং তার সহযোগী সাঙ্গপাঙ্গরা সমগ্র গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে এই অপরাধ সংঘটিত করছে। তারা ভারত সরকারের আবাসন প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র গ্রামবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জোরপূর্বক আদায় করত। এছাড়াও, তারা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করার হুমকি দিত। এমনকি একবার, লাল্টু মদ্যপ অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী রাজু খাঁ-এর ছেলে আকরাম খাঁ-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন, যদিও ঈশ্বরের কৃপায় ভুক্তভোগী অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার পর বেঁচে যান। যারা এই টাকা দিতে অস্বীকার করত, তাদের মৌখিক গালিগালাজ, শারীরিক হুমকি, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা মানসিক হয়রানির শিকার হতে হতো। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পরেও অভিযুক্তরা নির্ভয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লাল্টু এই চাঁদাবাজির টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি ও একটি গাড়ি কিনেছেন, কিন্তু দরিদ্র গ্রামবাসীরা কোনো ন্যায়বিচার পায়নি, কারণ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের প্রকাশ্য অবস্থান থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় সিন্ডিকেটগুলো আগেও শাস্তি ছাড়াই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য জায়গার মতো সরকার পরিবর্তনের পর এখানকার পরিস্থিতি উন্নত হয়নি, যার ফলে সাধারণ মানুষ অসহায় বোধ করছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে অভিযোগ করে, ন্যায়বিচারের আশায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই আবেদন ফলতা ১৪৪ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের কথা উল্লেখ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।1
- এক প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কালীঘাটে কুনাল ঘোষকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়ার ঘটনা ঘটেছে।1
- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিক সামনে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপর ডিম হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় চন্দন নামে এক যুবক আচমকা কুণাল ঘোষের মাথা লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। ডিম ছোড়ার পর ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ঐ যুবক বলেন, "অনেক অত্যাচার করেছে।" এরপরই সে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "হাতের কাছে পেয়ে ডিম মেরে পালিয়েছে। এক মাঘে শীত যায়না না।"1