কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ই রিক্সায় গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আলিপুরদুয়ার শহরের কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাতে গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আহতের নাম সাজিদ আনসারী। বর্তমানে তিনি আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ হল্ট সংলগ্ন রাস্তায় একটি ই-রিক্সা দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস চার চাকার একটি ছোট গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। অভিযোগ, ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা এসে দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জোর এতটাই ছিল যে ই-রিক্সাটি প্রায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তাতে বসে থাকা দোকান কর্মচারী সাজিদ আনসারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতকে উদ্ধার করে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাস্তায় বাস ও অন্যান্য ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। প্রায়শই ওভারটেকের প্রতিযোগিতা চলে, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেই দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, কলেজ হল্ট এলাকাটি ব্যস্ততম হওয়ায় এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চলাচল অত্যন্ত বেশি। এমন পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিড ব্রেকার, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড কিংবা নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে তার অভাব রয়েছে বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বাসচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনার পর ফের একবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে কলেজ হল্ট এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। দ্রুতগতির যানবাহনের ওপর কড়া নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলেই মত স্থানীয়দের।
কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ই রিক্সায় গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আলিপুরদুয়ার শহরের কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাতে গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আহতের নাম সাজিদ আনসারী। বর্তমানে তিনি আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ হল্ট সংলগ্ন রাস্তায় একটি ই-রিক্সা দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস চার চাকার একটি ছোট গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। অভিযোগ, ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা এসে দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জোর এতটাই ছিল যে ই-রিক্সাটি প্রায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তাতে বসে থাকা দোকান কর্মচারী সাজিদ আনসারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতকে উদ্ধার করে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাস্তায় বাস ও অন্যান্য ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। প্রায়শই ওভারটেকের প্রতিযোগিতা চলে, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেই দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, কলেজ হল্ট এলাকাটি ব্যস্ততম হওয়ায় এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চলাচল অত্যন্ত বেশি। এমন পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিড ব্রেকার, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড কিংবা নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে তার অভাব রয়েছে বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বাসচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনার পর ফের একবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে কলেজ হল্ট এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। দ্রুতগতির যানবাহনের ওপর কড়া নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলেই মত স্থানীয়দের।
- রাজ্য প্রশাসনে দীর্ঘদিনের আধিকারিক সঙ্কট মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা। ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এবার থেকে মাত্র তিন বছর ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) পদে কর্মরত থাকলেই WBCS আধিকারিকরা সাব-ডিভিশনাল অফিসার (এসডিও) পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে উচ্চপদস্থ সিভিল সার্ভিস আধিকারিকের ঘাটতি ক্রমশ বাড়ছিল। বিশেষ করে মহকুমা স্তরে এসডিও পদের শূন্যতা প্রশাসনিক কাজের গতি মন্থর করে দিচ্ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর উদ্যোগে এই নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতদিন বিডিও পদে দীর্ঘ সময় কাজ করার পরেই এসডিও পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ মিলত। ফলে বহু আধিকারিককে পদোন্নতির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হতো। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তিন বছরের অভিজ্ঞতাই পদোন্নতির ক্ষেত্রে যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এর ফলে তরুণ আধিকারিকদের মধ্যে কর্মোদ্যম বাড়বে এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা দ্রুত উচ্চপদে কাজে লাগানো যাবে। সরকারি মহলের দাবি, এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন পদোন্নতির জট কাটবে, তেমনই অন্যদিকে প্রশাসনিক কাঠামো আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে মহকুমা স্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত সংখ্যক এসডিও না থাকায় যে চাপ তৈরি হচ্ছিল, তা অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি কাঠামোগত সংস্কারমূলক পদক্ষেপ। দ্রুত পদোন্নতির সুযোগ থাকলে যোগ্য আধিকারিকরা আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে উৎসাহিত হবেন। পাশাপাশি উচ্চপদে শূন্যপদ পূরণ হওয়ায় নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয়ও বাড়বে। সব মিলিয়ে, রাজ্য প্রশাসনে গতি আনতে এবং আধিকারিকদের পদোন্নতিতে ভারসাম্য রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।1
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1
- বিজেপি ভোট চাইতে এলে গাছে বেঁধে রাখুন। এমনই নিদান দিলেন দিনহাটা 2 নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আজিজার রহমান। এদিন গোবরা ছাড়া এক বুথ সম্মেলনে এ কথা বলেন।1
- কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা জেলাভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চলেছে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নদীয়া শিলিগুড়ির সহ একাধিক জেলার দল অংশগ্রহণ করবে। বুধবার সকাল সাড়ে নটা থেকে খেলা শুরু হবে এবং প্রত্যেকদিন একটি করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহার রাজবাড়ি স্টেডিয়াম, আর কি কি জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক সুব্রত দত্ত শুনুন বিস্তারিত1
- জয়ন্তী মহাকাল হার হার মহাদেব আমরা তুলে ধরলাম2
- মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।1
- চুরি করতে এসে আগে মদের পার্টি! তারপর ঠান্ডা মাথায় গোয়াল ঘর খালি—এ যেন সিনেমার দৃশ্য, কিন্তু ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। সোমবার গভীর রাতে রানীরহাট এলাকায় এমনই স্পর্ধার পরিচয় দিল চোরের দল। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোকঝাড়িতে প্রথমে বসে জমিয়ে মদের আসর। স্থানীয়দের দাবি, গোয়াল ঘরের পাশেই পড়ে ছিল মদের বোতল ও প্লাস্টিকের গ্লাস—যেন ‘অপারেশন’-এর আগে উদযাপন! তারপর সুযোগ বুঝে তালা কেটে হিতেন রায়ের বাড়ি থেকে ২টি গরু ও ৩টি ছাগল উধাও। পাশের বাড়ির সরল অধিকারীর গোয়াল ঘরেও হানা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চুরি করতে এসে যদি এমন প্রকাশ্যে মদের পার্টি বসে, তাহলে চোরেদের সাহস কতটা বেড়েছে? এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এমনকি দিনের আলোতেও চুরি হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধরা পড়েনি কেউ। মদের আসর বসিয়ে চুরি—এই বেপরোয়া মানসিকতা কি বড় কোনও চক্রের ইঙ্গিত? পুলিশ কি এবার ধরতে পারবে এই স্পর্ধিত চোরেদের? রানীরহাটে এখন একটাই প্রশ্ন— চোরের এমন ‘পার্টি কালচার’ থেকে কবে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ?1
- গ্রামীণ রাস্তায় বালু-পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সহ চালককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রয়্যালটির বৈধ নথিপত্র না থাকায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলার শুরু করেছে ফালাকাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে ফালাকাটার হরিনাথপুর গ্রামের রাস্তায় বালু পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার প্রবেশ করে। জনবহুল এলাকায় নিয়মিত নজরদারির সময় গাড়িটি পুলিশের চোখে পড়ে। তল্লাশির সময় চালক বালু-পাথর পরিবহনের কোনো বৈধ রয়্যালটি নথি দেখাতে পারেননি। এরপরই ডাম্পারটি আটক করা হয় এবং চালককে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে,ডাম্পার চালকের নাম জরিবুল আলম। তার বাড়ি মাদারিহাটে। বীরপাড়া থেকে গাড়িটি বালি নিয়ে আসছিল। প্রয়োজনীয় আইনি ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে আরও খবর, গ্রামীণ সড়কে ভারী যান চলাচলের উপর প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নির্দেশ অমান্য করেই ডাম্পারটি গ্রামে প্রবেশ করেছিল বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, মাত্র এক সপ্তাহ আগে ফালাকাটার জটেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ সেতু বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ব্লকের দুর্বল সেতু ও গ্রামীণ রাস্তাগুলির উপর বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কীকরণ বোর্ডও লাগানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। এর আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন, গ্রামের রাস্তায় কোনোভাবেই ডাম্পার বা ভারী যানবাহন চলাচল বরদাস্ত করা হবে না। গ্রামীণ পরিকাঠামো রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও গ্রামীণ এলাকায় টহলদারি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। নিয়ম ভাঙলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা ও রাস্তাঘাটের স্থায়িত্ব বজায় রাখাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। মঙ্গলবার ডাম্পার চালককে আদালতে পাঠানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।1