Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
Rajesh Das
মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- গ্রামীণ রাস্তায় বালু-পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সহ চালককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রয়্যালটির বৈধ নথিপত্র না থাকায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলার শুরু করেছে ফালাকাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে ফালাকাটার হরিনাথপুর গ্রামের রাস্তায় বালু পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার প্রবেশ করে। জনবহুল এলাকায় নিয়মিত নজরদারির সময় গাড়িটি পুলিশের চোখে পড়ে। তল্লাশির সময় চালক বালু-পাথর পরিবহনের কোনো বৈধ রয়্যালটি নথি দেখাতে পারেননি। এরপরই ডাম্পারটি আটক করা হয় এবং চালককে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে,ডাম্পার চালকের নাম জরিবুল আলম। তার বাড়ি মাদারিহাটে। বীরপাড়া থেকে গাড়িটি বালি নিয়ে আসছিল। প্রয়োজনীয় আইনি ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে আরও খবর, গ্রামীণ সড়কে ভারী যান চলাচলের উপর প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নির্দেশ অমান্য করেই ডাম্পারটি গ্রামে প্রবেশ করেছিল বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, মাত্র এক সপ্তাহ আগে ফালাকাটার জটেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ সেতু বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ব্লকের দুর্বল সেতু ও গ্রামীণ রাস্তাগুলির উপর বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কীকরণ বোর্ডও লাগানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। এর আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন, গ্রামের রাস্তায় কোনোভাবেই ডাম্পার বা ভারী যানবাহন চলাচল বরদাস্ত করা হবে না। গ্রামীণ পরিকাঠামো রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও গ্রামীণ এলাকায় টহলদারি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। নিয়ম ভাঙলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা ও রাস্তাঘাটের স্থায়িত্ব বজায় রাখাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। মঙ্গলবার ডাম্পার চালককে আদালতে পাঠানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।1
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1
- মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।1
- চুরি করতে এসে আগে মদের পার্টি! তারপর ঠান্ডা মাথায় গোয়াল ঘর খালি—এ যেন সিনেমার দৃশ্য, কিন্তু ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। সোমবার গভীর রাতে রানীরহাট এলাকায় এমনই স্পর্ধার পরিচয় দিল চোরের দল। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোকঝাড়িতে প্রথমে বসে জমিয়ে মদের আসর। স্থানীয়দের দাবি, গোয়াল ঘরের পাশেই পড়ে ছিল মদের বোতল ও প্লাস্টিকের গ্লাস—যেন ‘অপারেশন’-এর আগে উদযাপন! তারপর সুযোগ বুঝে তালা কেটে হিতেন রায়ের বাড়ি থেকে ২টি গরু ও ৩টি ছাগল উধাও। পাশের বাড়ির সরল অধিকারীর গোয়াল ঘরেও হানা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চুরি করতে এসে যদি এমন প্রকাশ্যে মদের পার্টি বসে, তাহলে চোরেদের সাহস কতটা বেড়েছে? এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এমনকি দিনের আলোতেও চুরি হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধরা পড়েনি কেউ। মদের আসর বসিয়ে চুরি—এই বেপরোয়া মানসিকতা কি বড় কোনও চক্রের ইঙ্গিত? পুলিশ কি এবার ধরতে পারবে এই স্পর্ধিত চোরেদের? রানীরহাটে এখন একটাই প্রশ্ন— চোরের এমন ‘পার্টি কালচার’ থেকে কবে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ?1
- মঙ্গলবার কোচবিহার জেলাশাসক দপ্তরের সামনে থেকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রচারে এক সুসজ্জিত ট্যাবলোর সূচনা হলো। প্রকল্পের ব্যানার ও পোস্টারে সাজানো এই চলমান ট্যাবলোর যাত্রার সূচনা করেন কোচবিহার জেলাশাসক রাজু মিশ্র এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন। পতাকা নেড়ে ট্যাবলোর শুভ সূচনা করেন তাঁরা। এই উপলক্ষে সভাধিপতি সুমিতা বর্মন জানান, বাংলার বাড়ি প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এই উদ্যোগ। তিনি আরও জানান, গোটা জেলার সমস্ত ব্লকের পাশাপাশি পৌরসভা এলাকাগুলিতেও এই ট্যাবলো ঘুরবে এবং মানুষের কাছে প্রকল্পের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন বলেই আশাবাদী প্রশাসন।1
- আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো দিনহাটা থানার পুলিশ, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে আরও কড়া পদক্ষেপের বার্তা।1
- Post by جیارول میہ Jiyarul miah1
- আলিপুরদুয়ার শহরের কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাতে গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আহতের নাম সাজিদ আনসারী। বর্তমানে তিনি আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ হল্ট সংলগ্ন রাস্তায় একটি ই-রিক্সা দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস চার চাকার একটি ছোট গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। অভিযোগ, ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা এসে দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জোর এতটাই ছিল যে ই-রিক্সাটি প্রায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তাতে বসে থাকা দোকান কর্মচারী সাজিদ আনসারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতকে উদ্ধার করে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাস্তায় বাস ও অন্যান্য ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। প্রায়শই ওভারটেকের প্রতিযোগিতা চলে, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেই দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, কলেজ হল্ট এলাকাটি ব্যস্ততম হওয়ায় এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চলাচল অত্যন্ত বেশি। এমন পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিড ব্রেকার, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড কিংবা নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে তার অভাব রয়েছে বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বাসচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনার পর ফের একবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে কলেজ হল্ট এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। দ্রুতগতির যানবাহনের ওপর কড়া নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলেই মত স্থানীয়দের।1