Shuru
Apke Nagar Ki App…
বাঁকুড়া জেলা সিমিলাপাল ব্লক তপশিলি সংলাপে শুভ উদ্বোধন করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।
রিপোর্টারAbhijit Santra
বাঁকুড়া জেলা সিমিলাপাল ব্লক তপশিলি সংলাপে শুভ উদ্বোধন করা হলো তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বাঁকুড়া,কোতুলপুর: বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও পন প্রথা নিয়ে সচেতনতা শিবির।1
- প্স্টোরেজে লম্বা লাইন দাম নেই আলোর মাথায় হাত ডাইভার এবং কৃষকদের3
- Post by Chanchal Siddhanta1
- LIVE: লোকভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিরোধী দলনেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।1
- রামজীবনপুর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ের সামনে ধর্মঘটের সমর্থনে পোস্টার লাগালো ABPTA শিক্ষক সংগঠনের রামজীবনপুর শাখা সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ যেন এবার বিস্ফোরণের মুখে। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকর করার দাবিতে এবং অনিয়মিত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দ্রুত নিয়মিত করার দাবিতে, ১৩ই মার্চ শুক্রবার রাজ্যজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে 'সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ' সহ একাধিক কর্মচারী সংগঠন। পোস্টার লাগালো রামজীবনপুর চক্রের ABPTA-এর সম্পাদক মাননীয় প্রভাস কুণ্ডু । সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে কোনো স্পষ্ট পদক্ষেপ নেই। আর সেই ক্ষোভে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে প্রতিবাদের ঝড়। আর তারই অংশ হিসেবে চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের রামজীবনপুর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ের সামনে ধর্মঘটের সমর্থনে পোস্টার লাগালো ABPTA শিক্ষক সংগঠনের রামজীবনপুর শাখা।1
- হিঙ্গলগঞ্জে একাধিক জায়গায়LPGতে দুর্নীতি:অভিযোগ সাধারণ মানুষের1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by সংবাদ1
- 'ঘুমিয়ে ছিলাম...হঠাৎই আমার বাড়িতে পরপর দুটো বোমা বিস্ফোরণ হয়!' অভিযোগ হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজে ইউপি)-র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি ইব্রার হোসেনের। ইব্রারকে খড়্গপুর গ্রামীণ বিধানসভার প্রার্থী ঘোষণাও করেছেন হুমায়ুন। শুক্রবার সকালে সেই ইব্রার অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত্রি দেড়টা-দুটো নাগাদ তাঁর খড়্গপুর গ্রামীণের সাদাতপুরের বাড়িতে বোমাবাজি করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগের তীর শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। ইব্রার হোসেন বলেন, 'মনে হচ্ছে আমাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না বলেই শাসকদল তৃণমূলের লোকেরা প্রাণে মেরে ফেলতে চাইছে!' যদিও, অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের মন্তব্য, 'কে ইব্রার হোসেন চিনিনা!' ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে পুলিশের তরফে। প্রাথমিকভাবে 'শব্দবাজি' বলেই জানিয়েছেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ সেন।1