Shuru
Apke Nagar Ki App…
সোনামুড়া সীমান্তে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁ**জা উদ্ধার, চোরাচালান চক্রে তৎপর তদন্ত সোনামুড়া সীমান্তে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁ**জা উদ্ধার, চোরাচালান চক্রে তৎপর তদন্ত
সাহসী কন্ঠ।
সোনামুড়া সীমান্তে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁ**জা উদ্ধার, চোরাচালান চক্রে তৎপর তদন্ত সোনামুড়া সীমান্তে ৩৩ কেজি শুকনো গাঁ**জা উদ্ধার, চোরাচালান চক্রে তৎপর তদন্ত
More news from Sepahijala and nearby areas
- মৃত ব্যক্তিকে ‘জীবিত’ দেখিয়ে জাল রেজিস্ট্রি! আগরতলার নন্দননগরে জমি প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য1
- জাতীয় সড়কে বাইক ও বিলাসবহুল গাড়ির সংঘর্ষে আহত যুবক। বিশ্রামগঞ্জস্থিত পুলিশ সুপার অফিসের সামনে দুর্ঘটনা।1
- ✍️ উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমায় মা ও শিশুকন্যার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। ঘটনা পূর্ব রাধাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানকার বাসিন্দা প্রানকৃষ্ণ পালের স্ত্রী মন্টি পাল (৪০) এবং তাঁদের ৭ বছরের মেয়ে রেশ্মি পাল গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ।1
- Post by Gouranga Majumder1
- ভগৎ সিং যুব আবাসে আশ্রিতদের মধ্যে উত্তেজনা। যে সমস্ত বিজেপি কর্মীরা বাড়ী ঘর ছেড়ে আশ্রয়ে রয়েছে তাদের দেখতে রাজ্য সভাপতি সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য উক্ত আবাসে গেলে ক্ষোভ উগড়ে দেন আশ্রিতরা।1
- খোয়াই ত্রিপুরা জেলা, খোয়াই: এডিসি (ADC) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় মারাত্মক সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে দফায় দফায় রাজনৈতিক হামলার শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে কয়েক শতাধিক জনজাতি পরিবারের মানুষ ঘর ছেড়ে বর্তমানে খোয়াই জেলা বিজেপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আজ বিকেলে এই আক্রান্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের সমস্যার কথা শুনতে খোয়াই জেলা কার্যালয়ে উপস্থিত হন সাংসদ তথা বিজেপির প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য।3
- নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তির আবহে ফের উত্তপ্ত তেলিয়ামুড়া। ১১ মহারানী–তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির শক্তিকেন্দ্র এবং সংখ্যালঘু মোর্চার খোয়াই জেলা সভাপতি রশিদ মিয়ার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতির চাপে একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত জারুইলং গেস্ট হাউসে। সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী টিংকু রায় ও মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা এবং ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সভাপতি ধনঞ্জয় দাস। প্রথমে তাঁরা চাকমাঘাটের তুইমধু এলাকায় রশিদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়ায় এলাকাজুড়ে। এরপর প্রতিনিধি দলটি তুইমধু এলাকায় বিজেপির একটি শক্তিকেন্দ্র কার্যালয়ে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। পরবর্তী পর্যায়ে জারুইলং গেস্ট হাউসে আশ্রয় নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রীরা। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, “গণতন্ত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সহিংসতার কোনও স্থান নেই। রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার।” একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।6
- ভগৎ সিং যুব আবাসে বিজেপি সভাপতি ও নেতৃত্বদের দেখে ক্ষেপে উঠলেন বিভিন্ন জায়গা থেকে বাড়িঘর ছেড়ে আসা বিজেপি কর্মীরা1