Shuru
Apke Nagar Ki App…
ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি এটা ইউনিভার্সিটির অডিটরাম
Md Alibuddin
ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি এটা ইউনিভার্সিটির অডিটরাম
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by SUMAN KUMAR DEY1
- সরাসরি আজ জয়নগর বিধানসভায় সাধারণ মানুষের চোখে দেখার মত ভিড় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী ভাইজান সংযুক্ত মোর্চা ISF এর প্রচারে #News1
- নদীয়ার চাকদা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বঙ্কিম ঘোষ তার প্রচারে কেন্দ্র শিক্ষা মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার আজ রবিবারে চাকদা বনগাঁ হুট খোলা গাড়িতে সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপি প্রার্থী বঙ্কিম ঘোষকে নিয়ে চাকদা বেলে বাজার থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত হুট খোলা গাড়িতে প্রচার করলেন বাংলা এবার ১৭০ টি আমরা জয়লাভ করব ক্ষমতায় বাংলায় বিজেপি আসবে। এ রকমই কেন্দ্রর শিক্ষামন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বললেন।1
- Post by Kolkata News Times1
- হরিপাল বিধানসভার মশাই মোড়ে নির্বাচনী পথসভায় উপস্থিত ছিলাম1
- ভাঙ্গড়ের দু’নম্বর ব্লকের পোলারহাট থানার পাইকেন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায়। রবিবার সকালে এলাকার একটি পরিত্যক্ত আমবাগানে গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, সকালে আম বাগানে হঠাৎই নজরে আসে যুবকের ঝুলন্ত দেহ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পোলারহাট থানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবকের এখনও পর্যন্ত কোনও পরিচয় জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা নন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন—এটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1
- হুগলির শেওড়াফুলির পুলিশ ফাঁড়ির মোড়ে কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক নেতৃত্বদের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান। চাপদানি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী অরিন্দম গুইন এর সমর্থনে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে একাধিক কংগ্রেসের নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা তৃণমূল জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সুবীর ঘোষ, বৈদ্যবাটি শেওড়াফুলি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামলেন্দু মুখার্জী, শহর তৃণমূল INTTUC-র সভাপতি মোহাম্মদ মঞ্জুর, পৌর প্রধান পিন্টু মাহাতো এবং অন্যান্যরা।1
- Post by Kolkata News Times1
- আবারও রাজনৈতিক উত্তাপে জর্জরিত গোসাবা।বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তারক্তি করার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে।গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী সমর্থক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে অবগত করেছেন আক্রান্তের পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ১২৭ গোসাবা বিধানসভার অন্তর্গত কচুখালি পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কচুখালি রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী সমর্থক সোনাতন গায়েন।তিনি তাঁর পঞ্চাশ শতক জায়গার উপর চাষআবাদ করেছেন। সেখানে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক স্বপন, স্বদেশ ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল চাষের ক্ষেত নষ্ট করতো। শনিবার সকালে বেশকিছু ছাগল-গোরু বাগানে ঢুকে পড়েছিল। প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন সোনাতন। অভিযোগ প্রতিবাদে সরব হতেই ওই তিন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক সোনাতন কে মাঠে ফেলে লাঠি,বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।মাথায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়। রক্ত ঝরতে থাকে।পরিবারের সদস্যরা ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাতন কে উদ্ধার করে।চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ওই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন খবর পেয়ে শনিবার রাতে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে হাজীর হন বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সিনহা ও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা আক্রান্ত কর্মী সমর্থকের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা প্রসঙ্গে সঞ্জয় কুমার সিনহা জানিয়েছেন, ‘গোসাবায় শাসক দলের পায়ের তলায় মাটি নেই। নদীবাঁধ ভাঙনের মতো ধস নেমেছে।প্রার্থী সুব্রত মন্ডলের পরাজয় নিশ্চিত। সেই কারণে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কে মারধর করে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে।পুলিশ প্রসাশন কে আমরা ঘটনার বিষয়ে অবগত করেছি।’ অন্যদিকে আক্রান্ত সোনাতন জানিয়েছে, ‘আমার সম্পত্তির উপর বাগান চাষ করেছি। প্রতিনিয়ত স্বপন মন্ডল,স্বদেশ মন্ডল ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল বাগানে ঢুকে ক্ষতি করতো।প্রতিবাদ করি। আমি বিজেপি করি বলে আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত করে দেয়। মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাত করে। অচৈতন্য হয়ে যাই।গোসাবা থানায় গিয়ে পুলিশ কে সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়েছি। ’ অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছানিয়েছে, ‘এটা সম্পূর্ণ পারিবারীক ব্যাপার। রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে চাইছে বিজেপি।’1