গোসাবায় বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর রক্তারক্তি অবস্থা,অভিযোগ শাসকের বিরুদ্ধে আবারও রাজনৈতিক উত্তাপে জর্জরিত গোসাবা।বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তারক্তি করার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে।গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী সমর্থক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে অবগত করেছেন আক্রান্তের পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ১২৭ গোসাবা বিধানসভার অন্তর্গত কচুখালি পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কচুখালি রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী সমর্থক সোনাতন গায়েন।তিনি তাঁর পঞ্চাশ শতক জায়গার উপর চাষআবাদ করেছেন। সেখানে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক স্বপন, স্বদেশ ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল চাষের ক্ষেত নষ্ট করতো। শনিবার সকালে বেশকিছু ছাগল-গোরু বাগানে ঢুকে পড়েছিল। প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন সোনাতন। অভিযোগ প্রতিবাদে সরব হতেই ওই তিন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক সোনাতন কে মাঠে ফেলে লাঠি,বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।মাথায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়। রক্ত ঝরতে থাকে।পরিবারের সদস্যরা ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাতন কে উদ্ধার করে।চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ওই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন খবর পেয়ে শনিবার রাতে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে হাজীর হন বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সিনহা ও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা আক্রান্ত কর্মী সমর্থকের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা প্রসঙ্গে সঞ্জয় কুমার সিনহা জানিয়েছেন, ‘গোসাবায় শাসক দলের পায়ের তলায় মাটি নেই। নদীবাঁধ ভাঙনের মতো ধস নেমেছে।প্রার্থী সুব্রত মন্ডলের পরাজয় নিশ্চিত। সেই কারণে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কে মারধর করে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে।পুলিশ প্রসাশন কে আমরা ঘটনার বিষয়ে অবগত করেছি।’ অন্যদিকে আক্রান্ত সোনাতন জানিয়েছে, ‘আমার সম্পত্তির উপর বাগান চাষ করেছি। প্রতিনিয়ত স্বপন মন্ডল,স্বদেশ মন্ডল ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল বাগানে ঢুকে ক্ষতি করতো।প্রতিবাদ করি। আমি বিজেপি করি বলে আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত করে দেয়। মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাত করে। অচৈতন্য হয়ে যাই।গোসাবা থানায় গিয়ে পুলিশ কে সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়েছি। ’ অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছানিয়েছে, ‘এটা সম্পূর্ণ পারিবারীক ব্যাপার। রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে চাইছে বিজেপি।’
গোসাবায় বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর রক্তারক্তি অবস্থা,অভিযোগ শাসকের বিরুদ্ধে আবারও রাজনৈতিক উত্তাপে জর্জরিত গোসাবা।বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তারক্তি করার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে।গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী সমর্থক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে অবগত করেছেন আক্রান্তের পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ১২৭ গোসাবা বিধানসভার অন্তর্গত কচুখালি পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কচুখালি রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী সমর্থক সোনাতন গায়েন।তিনি তাঁর পঞ্চাশ শতক জায়গার উপর চাষআবাদ করেছেন। সেখানে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক স্বপন, স্বদেশ ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল চাষের ক্ষেত নষ্ট করতো। শনিবার সকালে বেশকিছু ছাগল-গোরু বাগানে ঢুকে পড়েছিল। প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন সোনাতন। অভিযোগ প্রতিবাদে সরব হতেই ওই তিন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক সোনাতন কে মাঠে ফেলে লাঠি,বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।মাথায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়। রক্ত ঝরতে থাকে।পরিবারের সদস্যরা ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাতন কে উদ্ধার করে।চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ওই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন খবর পেয়ে শনিবার রাতে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে হাজীর হন বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সিনহা ও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা আক্রান্ত কর্মী সমর্থকের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা প্রসঙ্গে সঞ্জয় কুমার সিনহা জানিয়েছেন, ‘গোসাবায় শাসক দলের পায়ের তলায় মাটি নেই। নদীবাঁধ ভাঙনের মতো ধস নেমেছে।প্রার্থী সুব্রত মন্ডলের পরাজয় নিশ্চিত। সেই কারণে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কে মারধর করে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে।পুলিশ প্রসাশন কে আমরা ঘটনার বিষয়ে অবগত করেছি।’ অন্যদিকে আক্রান্ত সোনাতন জানিয়েছে, ‘আমার সম্পত্তির উপর বাগান চাষ করেছি। প্রতিনিয়ত স্বপন মন্ডল,স্বদেশ মন্ডল ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল বাগানে ঢুকে ক্ষতি করতো।প্রতিবাদ করি। আমি বিজেপি করি বলে আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত করে দেয়। মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাত করে। অচৈতন্য হয়ে যাই।গোসাবা থানায় গিয়ে পুলিশ কে সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়েছি। ’ অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছানিয়েছে, ‘এটা সম্পূর্ণ পারিবারীক ব্যাপার। রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে চাইছে বিজেপি।’
- Post by Kolkata News Times1
- আবারও রাজনৈতিক উত্তাপে জর্জরিত গোসাবা।বিজেপি কর্মী সমর্থক কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তারক্তি করার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে।গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী সমর্থক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কে অবগত করেছেন আক্রান্তের পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ১২৭ গোসাবা বিধানসভার অন্তর্গত কচুখালি পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের কচুখালি রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী সমর্থক সোনাতন গায়েন।তিনি তাঁর পঞ্চাশ শতক জায়গার উপর চাষআবাদ করেছেন। সেখানে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক স্বপন, স্বদেশ ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল চাষের ক্ষেত নষ্ট করতো। শনিবার সকালে বেশকিছু ছাগল-গোরু বাগানে ঢুকে পড়েছিল। প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন সোনাতন। অভিযোগ প্রতিবাদে সরব হতেই ওই তিন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক সোনাতন কে মাঠে ফেলে লাঠি,বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।মাথায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়। রক্ত ঝরতে থাকে।পরিবারের সদস্যরা ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাতন কে উদ্ধার করে।চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ওই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন খবর পেয়ে শনিবার রাতে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে হাজীর হন বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সিনহা ও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা আক্রান্ত কর্মী সমর্থকের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা প্রসঙ্গে সঞ্জয় কুমার সিনহা জানিয়েছেন, ‘গোসাবায় শাসক দলের পায়ের তলায় মাটি নেই। নদীবাঁধ ভাঙনের মতো ধস নেমেছে।প্রার্থী সুব্রত মন্ডলের পরাজয় নিশ্চিত। সেই কারণে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কে মারধর করে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে।পুলিশ প্রসাশন কে আমরা ঘটনার বিষয়ে অবগত করেছি।’ অন্যদিকে আক্রান্ত সোনাতন জানিয়েছে, ‘আমার সম্পত্তির উপর বাগান চাষ করেছি। প্রতিনিয়ত স্বপন মন্ডল,স্বদেশ মন্ডল ও মহাদেব মন্ডলদের গোরু ছাগল বাগানে ঢুকে ক্ষতি করতো।প্রতিবাদ করি। আমি বিজেপি করি বলে আমাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত করে দেয়। মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাত করে। অচৈতন্য হয়ে যাই।গোসাবা থানায় গিয়ে পুলিশ কে সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়েছি। ’ অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছানিয়েছে, ‘এটা সম্পূর্ণ পারিবারীক ব্যাপার। রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে চাইছে বিজেপি।’1
- বৈদ্যবাটি পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পৌর সদস্য হরিপদ পালের ব্যবস্থাপনায় চাপদানি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী অরিন্দম গুইন এর সমর্থনে পথসভা। নেতা-নেত্রী ও কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়দের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতন।1
- হুগলির শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ভাস্কর ভট্টাচার্যের নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। এই রোড-শো-য়ে বিজেপির কার্যকর্তাদের ও কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতন।1
- Bengal one and only tiger1
- Post by Md Alibuddin2
- Post by Kolkata News Times1
- দক্ষিণ 24 পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ইয়ারপুর অঞ্চলের রঙ্গিলাবাদব গ্রামে বিজেপির কার্যকর্তার বাড়িতে বাইক বাহিনীর হামলার অভিযোগ । আরো অভিযোগ মহিলাদের মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে বিজেপির কার্যকর্তা সভ্য হালদারকে বেধরক মারধর করে। মহিলাদের গলার দুটি হার ও দুখানা মোবাইল নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। যে সমস্ত দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে এসেছিল তাদের মুখে ছিল কাপড় বাধা। গ্রামবাসীদের তাড়া খেয়ে দুটো বাইক ফেলে পালায় দুষ্কৃতীরা। উস্তি থানা কে খবর দিলে রাত তিনটে নাগাদ পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপির মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার প্রার্থী গৌর সুন্দর ঘোষ। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা গ্রাম এখন আতঙ্কে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে পুলিশের সামনে গ্রামের রাস্তার উপরে বসে পড়ে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। একইসঙ্গে তারা বাইক দুটো নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এরপর দফায় দফায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশ। এরপর অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।1
- হুগলির শেওড়াফুলির পুলিশ ফাঁড়ির মোড়ে কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক নেতৃত্বদের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান। চাপদানি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী অরিন্দম গুইন এর সমর্থনে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে একাধিক কংগ্রেসের নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা তৃণমূল জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সুবীর ঘোষ, বৈদ্যবাটি শেওড়াফুলি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামলেন্দু মুখার্জী, শহর তৃণমূল INTTUC-র সভাপতি মোহাম্মদ মঞ্জুর, পৌর প্রধান পিন্টু মাহাতো এবং অন্যান্যরা।1