Shuru
Apke Nagar Ki App…
ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শন করলেন বিধায়ক ডঃ প্রণত টুডু। এই পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখেন।
Sandip Dutta
ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শন করলেন বিধায়ক ডঃ প্রণত টুডু। এই পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে সম্প্রতি যোগাসনের অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে পুলিশ সুপারও উপস্থিত ছিলেন।1
- রাজনৈতিক সভা কেবল অলিন্দেই সীমাবদ্ধ না থেকে কর্মীদের মধ্যে মেলবন্ধন ও উৎসবের রূপ নিতে পারে, যার সাক্ষী হয়েছিল ঝাড়গ্রাম পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মেদিনীপুর কলেজিয়েট মাঠে তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগদানের ঐতিহাসিক সভার দিনে এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল। সেই মুহূর্তের সাক্ষী হতে ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ৩, ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৩০০ জন কর্মী-সমর্থক তিনটি বাসে মেদিনীপুর রওনা হয়েছিলেন। সভার ব্যস্ততা ও ভিড়ের কারণে সেদিন কর্মীদের প্রায় সারাদিন অভুক্ত অবস্থাতেই কাটাতে হয়েছিল, কোনো রকম খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ মেলেনি। তবে রাজনীতির ময়দানে লড়াই বা সভার ক্লান্তি থাকলেও, কর্মীদের উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। আজ শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পর, ঝাড়গ্রামের ওই চার ওয়ার্ডের কর্মীরা সেই মেদিনীপুর যাত্রার স্মৃতিকে স্মরণ করে নিজেদের মধ্যে এক অভিনব চড়ুইভাতি বা পিকনিকের আয়োজন করেন। বিগত দিনে সভার দিন খাওয়া-দাওয়া না হওয়ার যে খামতি ছিল, তা এই আনন্দানুষ্ঠানের মাধ্যমে সুদে-আসলে পুষিয়ে নেওয়া হয়। সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে আয়োজিত এই চড়ুইভাতিতে রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি চেনা পরিচিতদের সাথে গল্পগুজব ও ভূরিভোজের দেদার ব্যবস্থা ছিল। প্রায় ১৫০ জন কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন, যা একটি সুন্দর পারিবারিক ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরণের আয়োজন কর্মীদের মধ্যে একতা আরও সুদৃঢ় করে তোলে। অতীতের খিদের ক্লান্তি ভুলে একসঙ্গে বসে দু-মুঠো খাওয়ার এই আনন্দ, আগামী দিনেও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও মজবুত রাখবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে আশাবাদী।1
- গত ১৪ তারিখ গভীর রাতে ঝাড়গ্রামের জামদায় কানাড়া ব্যাঙ্কের এটিএম লুটের ছক কষেছিল তিন দুষ্কৃতীর একটি দল। অত্যন্ত পেশাদার কায়দায় তারা প্রথমে ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি বিকল করে দেয়। কিন্তু এটিএম মেশিন ভাঙতে গিয়ে বিকট আওয়াজ হওয়ায় ধরা পড়ার ভয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা, ফলে তাদের লুটের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এই ঘটনার খবর পেয়েই প্রশাসন সক্রিয় হয় এবং ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ ক্যামেরা বিকল করার আগের এবং আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে জোরদার তল্লাশি শুরু করে। এই তল্লাশিতে অভাবনীয় সাফল্য মেলে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের জালে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই লুটের চেষ্টার মূল পাণ্ডা বা প্রধান অভিযুক্তের নাম দেবু বোস, যিনি ঝাড়গ্রামেরই উত্তর বামদা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁর বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ বোস। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ পুনর্নির্মাণের জন্য কড়া পুলিশি পাহারায় মূল অভিযুক্ত দেবু বোসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এত দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে অন্য কোনও বড় গ্যাং জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।1
- ঝাড়গ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ জুবলি মার্কেট এলাকায় গতকাল বুধবার পানীয় জলের পাইপ ফেটে যাওয়ায় স্থানীয়রা ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। পৌরসভাকে জানানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পাইপ ফেটে জল রাস্তায় নষ্ট হচ্ছে এবং পথচারীদের গায়ে লেগে যাতায়াতে অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, এই সমস্যা সমাধানে পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যার ফলস্বরূপ প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ বাড়ছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন উপলক্ষে ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়িতে স্থানীয় পুলিশের উদ্যোগে যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে বেলপাহাড়ি থানার পুলিশ কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শতাধিক পুলিশ কর্মী যোগাভ্যাসে অংশ নেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে কর্মীদের সুস্থ জীবনযাপন ও মানসিক শান্তির বার্তা দেওয়া হয়।1
- বেলপাহাড়ির শীর্ষ মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা কলকাতার লালবাজারে আত্মসমর্পণ করেছেন।1
- খড়্গপুরের চৌরঙ্গী পার্কিং এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাতে বুলডোজার নিয়ে পৌঁছেছিলেন National Highway Authority-এর আধিকারিকরা। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা গ্যারেজ ও দোকান ভাঙার প্রস্তুতি শুরু হতেই দোকানদারদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের তুমুল বচসা বেঁধে যায়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ দোকানদাররা একজোট হয়ে National Highway Authority-এর অফিস ঘেরাও করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় জনপ্রিয় সমাজসেবী ও নেতা অনিল দাস (ভীম দা) ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। তাঁর হস্তক্ষেপে আপাতত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামী সোমবার দোকানদারদের সঙ্গে National Highway Authority-এর একটি বৈঠক হবে এবং সেই বৈঠকের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। দোকানদারদের দাবি, NH-6-এর মূল রাস্তা থেকে প্রায় ১৫০ ফুট দূরে অবস্থিত এই পার্কিং এলাকার দুই ধারে প্রায় ৭০০ ফুট করে জমি কয়েক মাস আগে একটি বেসরকারি সংস্থার নামে টেন্ডার করা হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, সেই সময় উচ্ছেদের নির্দেশ এলে স্থানীয় থানার মধ্যস্থতায় তাঁদের আগের স্থান থেকে সরিয়ে বর্তমান জায়গায় ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে তাঁরা নতুন জায়গায় দোকান নির্মাণ করেন এবং অনেকেই ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে দোকান তৈরি ও ব্যবসা শুরু করেছেন। এখন হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে সেখানে হোটেল বা অন্য কোনও বাণিজ্যিক প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা বলা হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দোকানদাররা প্রশ্ন তুলেছেন, “যদি শেষ পর্যন্ত ভেঙেই দেওয়া হবে, তাহলে আমাদের এখানে বসতে বলা হয়েছিল কেন?” দোকানদাররা আশঙ্কা করছেন যে উচ্ছেদ হলে শুধু ব্যবসাই নয়, বহু পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়বে। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা ঋণ নিয়ে দোকান করেছি। দোকান ভেঙে দিলে পরিবার নিয়ে পথে বসতে হবে। আমাদের সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে। সংসার চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়বে।” তাই তাঁদের একটাই দাবি— উচ্ছেদের আগে National Highway Authority যেন উপযুক্ত বিকল্প জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেয়, যাতে তাঁদের জীবিকা ও পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকে।1
- বিজেপি নেতা রঞ্জিত ভকতের উদ্যোগে এক মহা ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সরকার গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই বিশেষ দিনটির কথা স্মরণ করে এই ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। এর কারণ হলো, এক জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে অনেককে সেদিন ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘরে ফিরতে হয়েছিল। সেই অপ্রীতিকর স্মৃতিকে মনে রেখেই রঞ্জিত ভকত এই বিশাল ভোজের উদ্যোগ নিয়েছেন।1