Shuru
Apke Nagar Ki App…
বেলপাহাড়ির শীর্ষ মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা কলকাতার লালবাজারে আত্মসমর্পণ করেছেন।
Sandip Dutta
বেলপাহাড়ির শীর্ষ মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা কলকাতার লালবাজারে আত্মসমর্পণ করেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের চাঁদাবিলা রেঞ্জে একটি কুয়োর ভেতর থেকে এক হাতির ছানার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৩টে নাগাদ চাঁদাবিলা রেঞ্জের তপোবন জঙ্গলের দোরখুলি থেকে আসা ২৫টি হাতির একটি দল বাছুরখোয়ার এলাকায় প্রবেশ করে। সেখানেই একটি ইটের ভাটার কাছে থাকা কাঁঠাল গাছ থেকে কাঁঠাল খেতে গিয়ে আচমকা ভারসাম্য হারিয়ে দলের একটি ছোট হাতির বাচ্চা গভীর কুয়োর ভেতরে পড়ে যায়। সকাল হতেই গ্রামবাসীরা হাতির দলটিকে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। দিনের আলো ফোটার পর হাতির মূল দলটি সাঁকরাইলের দিকে নদী পেরিয়ে চলে গেলেও, মা হাতিটি তার সন্তানকে ফেলে যেতে পারেনি। সে কুয়োর পাড়েই ঠায় দাঁড়িয়ে তার শুঁড় ভেতরে নামিয়ে বাচ্চাটিকে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায়, কিন্তু গভীর কুয়ো থেকে সন্তানকে টেনে তোলা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদাবিলা রেঞ্জের প্রতাপপুর বিটের বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। মা হাতিটিকে কোনোমতে কিছুটা দূরে সরিয়ে একটি জেসিবি মেশিন এনে কুয়োর চারপাশের মাটি খনন করার কাজ শুরু করা হয়। বন দফতরের আধিকারিকরা আশা করেছিলেন যে ছানাটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে তার দলের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে। তবে, দীর্ঘক্ষণ কুয়োর সংকীর্ণ ও দমবন্ধ করা পরিবেশে আটকে থাকার কারণে উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার আগেই ছানাটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। জেসিবি দিয়ে কুয়োর একপাশ কেটে যখন তাকে বের করা হয়, তখন তার শরীরে আর প্রাণ ছিল না। বন দফতরের প্রাথমিক অনুমান, দীর্ঘক্ষণ কুয়োর ভেতর আটকে থেকে অতিরিক্ত আতঙ্ক এবং শ্বাসকষ্টের কারণেই ছানাটির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর মৃতদেহটির ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার গুপ্তমণি এলাকায় একটি দলছুট দাঁতাল হাতির তাণ্ডব দেখা গেছে। হাতিটি জাতীয় সড়কের উপর দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতিটিকে গভীর জঙ্গলের দিকে ফেরানোর কাজ শুরু করেন।1
- ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শন করলেন বিধায়ক ডঃ প্রণত টুডু। এই পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখেন।1
- মেस्सी বিতর্ক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন। এই বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে এর কারণে বাংলার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে এবং রাজ্যকে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে।1
- চন্দ্রকোণায় বিশ্ববাংলা লোগো ভাঙা নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উতর1
- একটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি সমাজে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করার জন্য এগিয়ে এসেছেন।1
- জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে পাম্প ও ভাল্ব অপারেটররা একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।1
- ঝাড়গ্রামের মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা, যাঁর মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা ছিল, তিনি ৪৬ রাউন্ড গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র-সহ বুধবার সকালে লালবাজারে কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-এর জোনাল কমিটির সদস্য এবং মাও বঙ্গ ব্রিগেডের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তাঁর আত্মসমর্পণকে কলকাতা পুলিশের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। শকুন্তলা মাহাতো, যিনি মাওবাদী শিবিরে পরি, বর্ষা, পুষ্পা, এবং বাড়িতে লুটুন নামেও পরিচিত, মাত্র ১০ বছর বয়সে এই সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে তিনি আর হাই স্কুলে যাননি। নকশাল সংগঠনে গান-বাজনা করতে করতেই তিনি বন্দুক হাতে তুলে নেন এবং সমাজ বদলানোর স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়েন। ২০০৩ সালে ঝাড়গ্রামে স্কোয়াডে থাকাকালীন তাঁর এরিয়া কমান্ডার অতুল মাহাতোর সঙ্গে পরিচয় হয় এবং ২০০৫ সালে ঝাড়খণ্ডের তামাড় জঙ্গলে তাঁদের কমরেড ম্যারেজ হয়। বাম আমলে পুলিশ তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল, তাই বনপার্টিরা তাঁকে ঝাড়খণ্ডের পরেশনাথ পাহাড়ে পাঠিয়ে দিয়েছিল, পরে আবার তাঁকে বাংলায় আনা হয়। মাওবাদী নেত্রী পুষ্পা একসময় ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলের ত্রাস ছিলেন এবং একাধিক মাও অভিযানের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন। যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানের কারণে তিনি সারান্ডা থেকে পালিয়েছিলেন। আত্মসমর্পণের সময় তিনি বলেন, দলের অন্যান্য বিচ্ছিন্ন সদস্যদের মূল স্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করা উচিত, কারণ বর্তমান সরকার অনেক ভালো কাজ করছে। তিনি অস্ত্র ছেড়ে উন্নয়নে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান, যা সকলের জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে উল্লেখ করেন। সিপিআই (মাওবাদী)-এর ইস্টার্ন রিজিওনাল ব্যুরোর হয়ে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি, ঝাড়খণ্ডের দলমা, ঘাটশিলা, গোটাশিলা, পারশনাথ পাহাড়, বুণ্ডু-তামাড়, সারান্ডা-সহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি কাজ করেছেন। বাম আমলে জঙ্গলমহলে লালগড় আন্দোলনে কিষাণজি এবং কিষাণদার সঙ্গেও তিনি কাজ করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মাওবাদীমুক্ত ভারতের লক্ষ্য অনুযায়ী বড় পরিসরে অভিযান শুরু হওয়ার পর বহু মাওবাদী নেতা-নেত্রীর গ্রেফতার, মৃত্যু এবং আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে। অবশেষে, একদা জঙ্গল দাপিয়ে বেড়ানো শকুন্তলা হিংসার পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন।1
- মেসি বিতর্ককে কেন্দ্র করে এবার আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষ। তিনি মন্তব্য করেছেন যে এই ঘটনার কারণে বাংলার ভাবমূর্তি লজ্জায় ডুবেছে। এই বিতর্ক '#MessiControversy', '#MessiInKolkata' এবং '#WestBengalNews' হ্যাশট্যাগগুলির সাথে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বাংলার ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1