Shuru
Apke Nagar Ki App…
মেस्सी বিতর্ক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন। এই বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে এর কারণে বাংলার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে এবং রাজ্যকে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে।
KHARAGPUR NEWS 9
মেस्सी বিতর্ক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন। এই বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে এর কারণে বাংলার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে এবং রাজ্যকে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মেस्सी বিতর্ক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন। এই বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে এর কারণে বাংলার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে এবং রাজ্যকে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে।1
- খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আজ দলের জেলা সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, অনেকেই মনে করছেন এটি তাঁর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।1
- পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে এগিয়ে আসলো বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিস্তারিত দেখুন1
- কলকাতায় 'পুনর্বাসন না দিয়ে হকার উচ্ছেদ নয়' এই দাবিতে একটি মিছিল করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।1
- ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে যোগাসনের অনুশীলন,উপস্থিত পুলিশ সুপার d1
- রাজনৈতিক সমাবেশ পেরিয়ে আনন্দের চড়ুইভাতি ঝাড়গ্রামের কর্মীদের এক অনন্য মিলনমেলা রাজনীতি শুধু সভার অলিন্দেই সীমাবদ্ধ থাকে না, তা মাঝেমধ্যে কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন ও উৎসবের আঙিনায় রূপ নেয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের এক শীতের সকালে ঠিক তেমনই এক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলেন ঝাড়গ্রাম পৌরসভার বেশ কিছু ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।সেদিন ছিল মেদিনীপুর কলেজিয়েট মাঠে এক হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক সভা। শুভেন্দু অধিকারী তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগদান করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ৩ নম্বর, ৫ নম্বর, ৬ নম্বর এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আনুমানিক ৩০০ জন কর্মী-সমর্থক তিনটি বাসে করে মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। "সেদিন সভার ব্যস্ততা এবং ভিড়ের কারণে সারাদিন কর্মীদের প্রায় অভুক্ত অবস্থাতেই কাটাতে হয়েছিল। কোনো রকম খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ মেলেনি।"রাজনীতির ময়দানে লড়াই বা সভার ক্লান্তি থাকলেও, কর্মীদের উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। আজ শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পর, সেই মেদিনীপুর যাত্রার স্মৃতিকে স্মরণ করে ঝাড়গ্রামের ওই চার ওয়ার্ডের কর্মীরা নিজেদের মধ্যে এক অভিনব চড়ুইভাতি বা পিকনিকের আয়োজন করেন। বিগত দিনে সভার দিন খাওয়া-দাওয়া না হওয়ার যে খামতি ছিল, তা এই আনন্দানুষ্ঠানের মাধ্যমে সুদে-আসলে পুষিয়ে নেওয়া হয়। সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে আয়োজিত এই চড়ুইভাতিতে রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি ছিল চেনা পরিচিতদের সাথে গল্পগুজব ও ভূরিভোজের দেদার ব্যবস্থা। প্রায় ১৫০ জন কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাওয়া-দাওয়া করেন।একটি সুন্দর পারিবারিক ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরণের আয়োজন কর্মীদের মধ্যে একতা আরও সুদৃঢ় করে। অতীতের খিদের ক্লান্তি ভুলে একসঙ্গে বসে দু-মুঠো খাওয়ার এই আনন্দ, আগামী দিনেও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও মজবুত রাখবে বলে আশাবাদী উপস্থিত সকলে।1
- গত ১৪ তারিখ গভীর রাতে ঝাড়গ্রামের জামদায় কানাড়া ব্যাঙ্কের এটিএম লুটের ছক কষেছিল তিন দুষ্কৃতীর একটি দল। অত্যন্ত পেশাদার কায়দায় তারা প্রথমে ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি বিকল করে দেয়। কিন্তু এটিএম মেশিন ভাঙতে গিয়ে বিকট আওয়াজ হওয়ায় ধরা পড়ার ভয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা, ফলে তাদের লুটের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এই ঘটনার খবর পেয়েই প্রশাসন সক্রিয় হয় এবং ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ ক্যামেরা বিকল করার আগের এবং আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে জোরদার তল্লাশি শুরু করে। এই তল্লাশিতে অভাবনীয় সাফল্য মেলে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের জালে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই লুটের চেষ্টার মূল পাণ্ডা বা প্রধান অভিযুক্তের নাম দেবু বোস, যিনি ঝাড়গ্রামেরই উত্তর বামদা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁর বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ বোস। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ পুনর্নির্মাণের জন্য কড়া পুলিশি পাহারায় মূল অভিযুক্ত দেবু বোসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এত দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে অন্য কোনও বড় গ্যাং জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।1
- মেসি বিতর্ককে কেন্দ্র করে এবার আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষ। তিনি মন্তব্য করেছেন যে এই ঘটনার কারণে বাংলার ভাবমূর্তি লজ্জায় ডুবেছে। এই বিতর্ক '#MessiControversy', '#MessiInKolkata' এবং '#WestBengalNews' হ্যাশট্যাগগুলির সাথে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বাংলার ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1