আইপ্যাক (I-PAC) অফিস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মিডিয়া সেলের অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সাম্প্রতিক তল্লাশির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠল ঝাড়গ্রাম জেলার শিলদা। বৃহস্পতিবার বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয় শিলদাতে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে এই ধরণের হানা চালানো হচ্ছে। এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ শিলদার রাজপথে আয়োজিত এই মিছিলে তৃনমূলের অসংখ্য নেতা-কর্মী পা মেলান এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চিন্ময় মাহাত, বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি রাজীব মুর্মু, বিনপুর 2 পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ সিং সর্দার,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হেমলেট মান্ডি, শিলদা অঞ্চলের প্রধান সম্পিতা মল্লিক মন্ডল এছাড়াও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ব্লকের একাধিক নেতা ও কর্মীবৃন্দ। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, ভয় দেখিয়ে বা কেন্দ্রীয় সংস্থা ব্যবহার করে তৃণমূলের জয়যাত্রা থামানো যাবে না। সামনের দিনে এই আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ব্লক নেতৃত্ব।
আইপ্যাক (I-PAC) অফিস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মিডিয়া সেলের অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সাম্প্রতিক তল্লাশির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠল ঝাড়গ্রাম জেলার শিলদা। বৃহস্পতিবার বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয় শিলদাতে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে এই ধরণের হানা চালানো হচ্ছে। এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ শিলদার রাজপথে আয়োজিত এই মিছিলে তৃনমূলের অসংখ্য নেতা-কর্মী পা মেলান এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চিন্ময় মাহাত, বিনপুর-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি রাজীব মুর্মু, বিনপুর 2 পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ সিং সর্দার,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হেমলেট মান্ডি, শিলদা অঞ্চলের প্রধান সম্পিতা মল্লিক মন্ডল এছাড়াও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ব্লকের একাধিক নেতা ও কর্মীবৃন্দ। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, ভয় দেখিয়ে বা কেন্দ্রীয় সংস্থা ব্যবহার করে তৃণমূলের জয়যাত্রা থামানো যাবে না। সামনের দিনে এই আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ব্লক নেতৃত্ব।
- ৮ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে সিউড়ি রাজনগর রুটে পাকা সড়কে চন্দ্রপুর থানার হীরাখুনি মোড়ের কাছে একটি লরি উল্টে যায়৷ আর তাতেই লরির তলায় চাপা পড়ে ১ ব্যক্তির মৃ*/*/ত্যু ঘটে৷1
- বাঁকুড়া, জয়পুর: শতবর্ষ পূর্তি ও পূণর্মিলন উৎসব ২০২৬ , প্রস্তুতি তুঙ্গে বৈতল গোপেশ্বরে1
- আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন #newsarambaghtown #arambaghhooghly #আইপ্যাক #আরামবাগ #banglanewslive #মমতাব্যানার্জি #Banglanews #reelsfacebook #BJPNEWS #Hooghly #bjp News Arambagh Town1
- kobhi Siddharth Charan Ghatak1
- কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতি সক্রিয়তার প্রতিবাদে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল1
- হুগলি হংসেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাসের সন্ধানে1
- আই-প্যাকের অফিসে ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডির হানার প্রতিবাদে জামবনি ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে পড়িহাটিতে প্রতিবাদ মিছিল1
- শুরু হয়ে গেলো গঙ্গা সাগর মেলা বিবেকানন্দ মূর্তি তে মালা দিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে বাবু ঘাটের সাধু বাবা দের এবং তীর্থ যাত্রীদের জন্য ক্যাম্প এর উদ্বোধন করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়1
- 🔴 LIVE পুইন দেওয়ান পীরের ১৪৯ তম বর্ষের ঐতিহ্যবাহী মেলার শুভ উদ্বোধন পুইন দেওয়ান পীরের ১৪৯তম বর্ষের ঐতিহ্যবাহী মেলার শুভ সূচনা গ্রাম পরিক্রমার মধ্য দিয়ে হুগলির ঐতিহ্যবাহী পুইন দেওয়ান পীরের মেলা আজ সকাল থেকেই গ্রামবাসীর উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল। ঢাক, কাঁসর, ধর্মীয় সঙ্গীত ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম পরিক্রমা, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হল ১৪৯তম বর্ষের মেলা। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা শুধু ধর্মীয় আস্থা নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও লোকসংস্কৃতির এক অনন্য মিলনক্ষেত্র। পীর সাহেবের দরবার থেকে শুরু হয়ে পুরো গ্রাম ঘুরে এই শোভাযাত্রা পৌঁছায় মেলা প্রাঙ্গণে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঢল নামে। মেলা কমিটির সম্পাদক ও সভাপতি তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “পুইন দেওয়ান পীরের মেলা আমাদের গ্রাম ও এলাকার ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই মেলাকে ঘিরে মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে।” তাঁরা আরও জানান, এবছর মেলায় থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকসংগীত, শিশুদের প্রতিযোগিতা, কবিতা পাঠ, কুইজ ও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যাত্রাপালা, যা মেলাকে আরও রঙিন করে তুলবে। মেলা চলাকালীন নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে যাতে দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগ করতে পারেন, সেই জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অনন্য মিলনস্থল — পুইন দেওয়ান পীরের মেলা — আবারও প্রমাণ করল গ্রামীণ বাংলার প্রাণশক্তি ও সম্প্রীতির ছবি।1