Shuru
Apke Nagar Ki App…
আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন #newsarambaghtown #arambaghhooghly #আইপ্যাক #আরামবাগ #banglanewslive #মমতাব্যানার্জি #Banglanews #reelsfacebook #BJPNEWS #Hooghly #bjp News Arambagh Town
Ajij
আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন #newsarambaghtown #arambaghhooghly #আইপ্যাক #আরামবাগ #banglanewslive #মমতাব্যানার্জি #Banglanews #reelsfacebook #BJPNEWS #Hooghly #bjp News Arambagh Town
More news from Hooghly and nearby areas
- আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন #newsarambaghtown #arambaghhooghly #আইপ্যাক #আরামবাগ #banglanewslive #মমতাব্যানার্জি #Banglanews #reelsfacebook #BJPNEWS #Hooghly #bjp News Arambagh Town1
- গোঘাট থানার শ্যামবাজার অঞ্চলের প্রাণ দু গ্রাম বেনেপুকুর শিবতলা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর আজকে নবীনবরণ ও প্রাক্তনাদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কি বললেন1
- বন্দুক ও তাজা বোমা উদ্ধার করল তারকেশ্বর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার ১। #newsupdate #hooghly #Tarakeswar #tdbangla1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে,তৃণমূল সরকারের অপশাসন,বেকারত্ব,দুর্নীতি,লুট,নারী নির্যাতন,আইন শৃঙ্খলা তলানিতে তারই প্রতিবাদে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা। এদিন পরিবর্তন সংকল্প সভায় বিরোধী দলনেতার হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন সবং বিধানসভার হেভি ওয়েট তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমল পন্ডা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সবং বিধানসভা সহ জেলা রাজনৈতিক পটচিত্রে শাসকদলের একদা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনের জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার সাংগঠনিক নেতৃত্ব সামলেছেন। ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এদিনের পরিবর্তন সভায় আগামী নির্বাচনে বড়ো প্রভাব ফেলবে আশা গেরুয়া শিবিরের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতেই রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন। বিরোধী দলনেতা বলেন,তৃণমূলের চোরেরা আজ ডেবরার সভায় আসার আগে তারা কালো পতাকা দেখাবে ঠিক করেছিল,আমিও প্রস্তুত করে এসেছিলাম,কিন্তু সামনে কাউকে দেখতে পায়নি।আর এপ্রিল মাসের পরে এই পরিবারবাদী তোষনবাদী চোরের দল সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। আপনারা জানেন যে দেশের যশোশ্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ফুল বেঁধে দিয়েছেন ছাব্বিশের পরিবর্তনে জয়ের লক্ষ্য পরিবর্তনের সংকল্প।গোটা রাজ্যে ইতিমধ্যে শতাধিক সভা হয়েছে।ভারতীয় জনতা পার্টির 15 কুড়ি জন নেতৃত্ব সাংসদ বিধায়ক, রাজ্য সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমরা জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে এই ধরনের বিধানসভা ভিত্তিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই বাংলার পরিবর্তনকে সুনিশ্চিত করার কাজ করছি এবং নরেন্দ্র মোদীকে বাংলা ফিরিয়ে দেব।।1
- কেমিক্যালের গাড়ি থেকে একাধিক গাড়িতে আগুন, ভষ্মীভূত বেশ কয়েকটি গাড়ি1
- ব্যস্ততম ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। দুর্ঘটনা মানেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও জোরালো করতেই হয়তো সম্প্রতি ডি এস পি ট্রাফিক টু বা ট্রাফিক ওসি জেলা পুলিশ থেকে নিযুক্ত। এই সড়কে বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোলটা ঠিক কোন জায়গায়? এখানে আদৌও যান চলাচল নিরাপদ এবং নিয়ম মাফিক? এই বকুলতলা থেকেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক ও ঘাটাল মেদিনীপুর সড়ক ৪ ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পাঁশকুড়ার দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ অংশের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখা যাচ্ছে পাঁশকুড়ার দিক থেকে আসা রাস্তাটাকে মাত্র একটা ব্যারিকেড দুভাগে ভাগ করেছে। সামনেই যাত্রী বোঝাই বাস ওই রাস্তার বাম পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়। আবার বাম পাশ দিয়েই পাঁশকুড়া থেকে আসা মেদিনীপুর গামী যানবাহনকে পাঠানো হচ্ছে আবার ওদিক থেকে পাঁশকুড়া সড়কে ওঠানো হচ্ছে। এদিকে আবার ঘাটালের দিক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যানবাহন ছুটছে। এবার৷ উত্তর দিকে অর্থাৎ দাসপুরের দিকের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখবেন এদিক দিক থেকে মেদিনীপুরের যানবাহনের যাতায়াত ওদিক থেকে ঘাটাল মেদিনীপুর গামী যানবাহনের যাতায়াত এই যাতায়াতকে নাকি কন্ট্রোল করছে এক প্লাস্টিক রেলিং। সেই জোরে ওই জংসনে যাতায়াত আবার ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কের হাজার হাজার যানবাহনের। ঘাটালের দিক থেকে যারা মেদিনীপুরের রাস্তা এই বকুলতলায় ধরছেন বা মেদিনীপুরের দিক থেকে এসে দাসপুরের দিকে যারা যাবেন তাঁরা প্রাণ হাতে করে ওই বিভাজনে পা রাখেন। এই বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোল কতটা নিরাপদ বা আপনার অভিজ্ঞতা কী বলছে জানাবেন।1
- দাসপুরে পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার উদ্বোধন, খুশি এলাকাবাসী1
- 🔴 LIVE পুইন দেওয়ান পীরের ১৪৯ তম বর্ষের ঐতিহ্যবাহী মেলার শুভ উদ্বোধন পুইন দেওয়ান পীরের ১৪৯তম বর্ষের ঐতিহ্যবাহী মেলার শুভ সূচনা গ্রাম পরিক্রমার মধ্য দিয়ে হুগলির ঐতিহ্যবাহী পুইন দেওয়ান পীরের মেলা আজ সকাল থেকেই গ্রামবাসীর উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল। ঢাক, কাঁসর, ধর্মীয় সঙ্গীত ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম পরিক্রমা, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হল ১৪৯তম বর্ষের মেলা। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা শুধু ধর্মীয় আস্থা নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও লোকসংস্কৃতির এক অনন্য মিলনক্ষেত্র। পীর সাহেবের দরবার থেকে শুরু হয়ে পুরো গ্রাম ঘুরে এই শোভাযাত্রা পৌঁছায় মেলা প্রাঙ্গণে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঢল নামে। মেলা কমিটির সম্পাদক ও সভাপতি তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “পুইন দেওয়ান পীরের মেলা আমাদের গ্রাম ও এলাকার ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই মেলাকে ঘিরে মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে।” তাঁরা আরও জানান, এবছর মেলায় থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকসংগীত, শিশুদের প্রতিযোগিতা, কবিতা পাঠ, কুইজ ও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যাত্রাপালা, যা মেলাকে আরও রঙিন করে তুলবে। মেলা চলাকালীন নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে যাতে দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগ করতে পারেন, সেই জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অনন্য মিলনস্থল — পুইন দেওয়ান পীরের মেলা — আবারও প্রমাণ করল গ্রামীণ বাংলার প্রাণশক্তি ও সম্প্রীতির ছবি।1