Shuru
Apke Nagar Ki App…
দাসপুরে পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার উদ্বোধন, খুশি এলাকাবাসী
Mijanur
দাসপুরে পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার উদ্বোধন, খুশি এলাকাবাসী
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ব্যস্ততম ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। দুর্ঘটনা মানেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও জোরালো করতেই হয়তো সম্প্রতি ডি এস পি ট্রাফিক টু বা ট্রাফিক ওসি জেলা পুলিশ থেকে নিযুক্ত। এই সড়কে বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোলটা ঠিক কোন জায়গায়? এখানে আদৌও যান চলাচল নিরাপদ এবং নিয়ম মাফিক? এই বকুলতলা থেকেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক ও ঘাটাল মেদিনীপুর সড়ক ৪ ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পাঁশকুড়ার দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ অংশের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখা যাচ্ছে পাঁশকুড়ার দিক থেকে আসা রাস্তাটাকে মাত্র একটা ব্যারিকেড দুভাগে ভাগ করেছে। সামনেই যাত্রী বোঝাই বাস ওই রাস্তার বাম পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়। আবার বাম পাশ দিয়েই পাঁশকুড়া থেকে আসা মেদিনীপুর গামী যানবাহনকে পাঠানো হচ্ছে আবার ওদিক থেকে পাঁশকুড়া সড়কে ওঠানো হচ্ছে। এদিকে আবার ঘাটালের দিক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যানবাহন ছুটছে। এবার৷ উত্তর দিকে অর্থাৎ দাসপুরের দিকের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখবেন এদিক দিক থেকে মেদিনীপুরের যানবাহনের যাতায়াত ওদিক থেকে ঘাটাল মেদিনীপুর গামী যানবাহনের যাতায়াত এই যাতায়াতকে নাকি কন্ট্রোল করছে এক প্লাস্টিক রেলিং। সেই জোরে ওই জংসনে যাতায়াত আবার ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কের হাজার হাজার যানবাহনের। ঘাটালের দিক থেকে যারা মেদিনীপুরের রাস্তা এই বকুলতলায় ধরছেন বা মেদিনীপুরের দিক থেকে এসে দাসপুরের দিকে যারা যাবেন তাঁরা প্রাণ হাতে করে ওই বিভাজনে পা রাখেন। এই বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোল কতটা নিরাপদ বা আপনার অভিজ্ঞতা কী বলছে জানাবেন।1
- দাসপুরে পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার উদ্বোধন, খুশি এলাকাবাসী1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে,তৃণমূল সরকারের অপশাসন,বেকারত্ব,দুর্নীতি,লুট,নারী নির্যাতন,আইন শৃঙ্খলা তলানিতে তারই প্রতিবাদে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা। এদিন পরিবর্তন সংকল্প সভায় বিরোধী দলনেতার হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন সবং বিধানসভার হেভি ওয়েট তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমল পন্ডা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সবং বিধানসভা সহ জেলা রাজনৈতিক পটচিত্রে শাসকদলের একদা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনের জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার সাংগঠনিক নেতৃত্ব সামলেছেন। ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এদিনের পরিবর্তন সভায় আগামী নির্বাচনে বড়ো প্রভাব ফেলবে আশা গেরুয়া শিবিরের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতেই রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন। বিরোধী দলনেতা বলেন,তৃণমূলের চোরেরা আজ ডেবরার সভায় আসার আগে তারা কালো পতাকা দেখাবে ঠিক করেছিল,আমিও প্রস্তুত করে এসেছিলাম,কিন্তু সামনে কাউকে দেখতে পায়নি।আর এপ্রিল মাসের পরে এই পরিবারবাদী তোষনবাদী চোরের দল সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। আপনারা জানেন যে দেশের যশোশ্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ফুল বেঁধে দিয়েছেন ছাব্বিশের পরিবর্তনে জয়ের লক্ষ্য পরিবর্তনের সংকল্প।গোটা রাজ্যে ইতিমধ্যে শতাধিক সভা হয়েছে।ভারতীয় জনতা পার্টির 15 কুড়ি জন নেতৃত্ব সাংসদ বিধায়ক, রাজ্য সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমরা জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে এই ধরনের বিধানসভা ভিত্তিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই বাংলার পরিবর্তনকে সুনিশ্চিত করার কাজ করছি এবং নরেন্দ্র মোদীকে বাংলা ফিরিয়ে দেব।।1
- বিরোধী দলনেতার হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন অমল পন্ডা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। বেকারত্ব, দুর্নীতি, লুট, নারী নির্যাতন এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয় বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের সভায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভাস্থল জুড়ে গেরুয়া রঙে ভরে ওঠে এলাকা, যা রাজনৈতিকভাবে ডেবরা ও আশপাশের বিধানসভাগুলিতে বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের বার্তা বহন করে। এই সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল সবং বিধানসভার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা অমল পণ্ডার বিজেপিতে যোগদান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অমল পণ্ডা এক সময় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সবং ও গোটা জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাঁর নখদর্পণে। এমন একজন হেভিওয়েট নেতার দলবদল ডেবরা ও সবং বিধানসভা সহ গোটা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।1
- গোঘাট থানার শ্যামবাজার অঞ্চলের প্রাণ দু গ্রাম বেনেপুকুর শিবতলা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর আজকে নবীনবরণ ও প্রাক্তনাদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কি বললেন1
- আরামবাগ - বর্ধমান রাজ্য সড়কে পথ অবরোধ বিজেপির বিস্তারিত দেখুন #newsarambaghtown #arambaghhooghly #আইপ্যাক #আরামবাগ #banglanewslive #মমতাব্যানার্জি #Banglanews #reelsfacebook #BJPNEWS #Hooghly #bjp News Arambagh Town1
- বন্দুক ও তাজা বোমা উদ্ধার করল তারকেশ্বর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার ১। #newsupdate #hooghly #Tarakeswar #tdbangla1
- নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণে ১৪ জানুয়ারী দাসপুর ১ ব্লক প্রশাসন দপ্তরে শুনানিতে ডাক ভারতীয় সেনার। এস আই আর এর গেরোয় এবার ভারতীয় সেনা বিভাগে কর্মরত এক সেনা। দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা রতন দিয়ানের বাড়িতে ৮ জানুয়ারী রাতেই সে হেয়ারিং নোটিশ পৌঁছে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত বি এল ও প্রবীর সামন্ত। রতন বাবুর পরিবারকে বলা হয়েছে ১৪ তারিখ উপযুক্ত নথিপত্র নিয়ে ১৪ জানুয়ারী যেন রতন বাবু উপস্থিত থাকেন। অন্যদিকে এই সেনা কর্মী রতন দিয়ান বর্তমানে শিলিগুড়িতে নিজের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। রতনবাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান সেনা কর্মী হয়েও তাঁকে নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে নোটিশ ধরানো হয়েছে। তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এতে আমি তেমন বিচলিত নই,কিন্তু এই দায়িত্ব ছেড়ে আমার পক্ষে ওই শুনানিতে হাজির থাকা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ঘাটাল বিধান সভার রাজনগর পূর্ব অংশের ২৮০ নম্বর বুথের বি এল ও প্রবীর সামন্ত জানান, এই রতন বাবুর সাথে তার স্বর্গীয় পিতার বয়সের সামঞ্জস্য নেই। তার প্রমান দিতেই নির্বাচন কমিশন হেয়ারিং এ ডেকেছে তিনি শুধুমাত্র তাঁর দায়িত্ব পালনে ওই পরিবারে নোটিশ ধরিয়েছেন। তিনি আরও জানান,বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন থেকে এক নতুন নির্দেশ এসেছে তাতে বলা হয়েছে ভারতীয় সেনাদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং নিয়ে নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে কমিশন। কমিশনের নতুন নির্দেশে শুনানিতে ডাকা সেনা কর্মীর পরিবের যে কেউ ওই সেনার সাথে নিজের সম্পর্কের প্রমান দিয়ে সেনার হয়ে শুনানিতে হাজির থেকে উপযুক্ত নাগরিকত্ব বিষয়ে তার প্রমাণ গুলি পেশ করতে পারেন।1