বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
- নদিয়ার নবদ্বীপ ব্লকের ফরেস্টডাঙা এলাকায় কৃষিজমি সংলগ্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি জেসিবি মেশিন এবং তিনটি ট্রাক্টর উদ্ধার করে। অভিযানের খবর পেয়ে শ্রমিক ও চালকেরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতি থানায় নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরেস্টডাঙা এলাকায় চাষের জমির পাশ থেকে বালি ও মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কৃষক রমেশ মাহাতো অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় এক মাস ধরে প্রতিদিন সকাল ছয়-সাতটা থেকে বিকেল পর্যন্ত আট থেকে দশটি ট্রাক্টর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষিজমির পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং জমিতে জল জমে ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে। আরেক কৃষক শিবশঙ্কর দেবনাথও একই অভিযোগ তুলেছেন, যা কৃষিকাজের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এবং ভারী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া প্রদীপ ঘোষ ও প্রতাপ ঘোষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ভূমি ও ভূমি সংস্কার (BLRO) দপ্তরের অনুমতি এবং সরকারি রয়্যালটি প্রদান করেই মাটি কাটা হচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন যে, ২৩ জুন সরকারি রয়্যালটি জমা দেওয়ার পর ২৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চার দিনের জন্য BLRO দপ্তর থেকে তাঁদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, অতীতে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ একাংশ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং তখন তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সমস্ত সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করা হলেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের একাংশ এই ব্যবসায়ীদের দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যদি সরকারি অনুমতি নিয়েই কাজ হয়, তাহলে প্রায় এক মাস ধরে মাটি কাটার অভিযোগ কেন উঠছে? পুলিশ পৌঁছতেই শ্রমিক ও চালকেরা কেন পালিয়ে গেলেন? এবং উদ্ধার হওয়া জেসিবি ও ট্রাক্টর কেন পাশের পাটক্ষেতে রাখা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর ব্যবসায়ীরা দিতে পারেননি। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির অনুমতিপত্র, রয়্যালটির নথি এবং অন্যান্য কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও, ফরেস্টডাঙার একাধিক অনিচ্ছুক বাসিন্দা দাবি করেছেন যে, ভোর থেকেই এলাকায় ট্রাক্টরের দাপাদাপি শুরু হয় এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। ভারী যান চলাচলের ফলে গ্রামের রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হলেও পরে সেই রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তাঁদের অভিযোগ, আগে এক পক্ষ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, এখন অন্য পক্ষ জড়িত, কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যার কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেকে ভয় ও হুমকির আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, বর্তমানে যাঁরা এই মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এবং শুক্রবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক স্থানীয় বুথ সভাপতিকেও ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে, যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সমগ্র ঘটনায় উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির নথিপত্র, অনুমতির বৈধতা এবং বাস্তবে কতদিন ধরে মাটি কাটার কাজ চলছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফরেস্টডাঙার বাসিন্দারা এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে আছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্লকের একমাত্র মহাবিদ্যালয় সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে কলেজের সার্বিক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবিতে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) আন্দোলনে নেমেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের কিছু আধিকারিক অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করার নাম করে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। এছাড়াও, দীর্ঘ দিন ধরে কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ চালুর কথা বলা হলেও, তার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো পরিকাঠামো বা পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়নি। কলেজের একমাত্র স্টেডিয়ামটিও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে। এবিভিপি সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজে দুর্নীতি, পরিকাঠামো এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক করার দাবিতে সরব হয়েছে।1
- রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ মেনে গুসকরা মহাবিদ্যালয়ে 'ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্মৃতিপক্ষ' শুরু হয়েছে। ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত চলা এই বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম ও দেশের প্রতি তাঁর অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই উপলক্ষ্যে, শনিবার আনুমানিক দুপুর আড়াইটা নাগাদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী কলিতা মাজি উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্যে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, জাতীয়তাবোধ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর ভাবনার গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।1
- অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রনামীর অর্থ লুট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যেখানে অনুদানের অর্থের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হচ্ছে। অনুদানের অর্থ গায়েব হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।1
- মালদা জেলার চরসুজাপুর মন্দাই রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে বহু মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।2
- ইংরেজবাজার পৌরসভা এলাকায় অবৈধ নির্মাণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা করেছেন স্থানীয় বিধায়ক। তাঁর এই ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে যে, পৌরসভায় চলতে থাকা বেআইনি কার্যকলাপ ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে কোনো রকম আপস করা হবে না।1
- প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগকারীরা তাঁর অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।1
- বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। উৎসব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে উপস্থিত হয়েছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল। উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে মহরম পালনের এই ঘটনা বৈষ্ণবনগরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করেছে।1
- বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে এসেছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল।1