Shuru
Apke Nagar Ki App…
বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে এসেছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল।
MALDA SABAR NEWS Shuru App
বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে এসেছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মালদার বৈষ্ণবনগরে এ বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগরের খেলার মাঠে এসেছিল। এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে বৈষ্ণবনগর এবং তার আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে শত শত মানুষ ভিড় জমিয়েছিল। উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল।1
- বিজেপির শাসনের মোকাবিলায় বিধায়ক হুমায়ুন কর্তৃক ‘সাঁটা’ রাজনীতির হুমকির ফলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। বিধায়ক হুমায়ুনের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভরতপুরের বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষ পাল্টা জবাব দিয়েছেন।1
- শনিবার দুপুরে বৃষ্টি থামার প্রায় আট ঘণ্টা পরও রায়গঞ্জ শহরের মূল সড়কের জমা জল নামেনি, যার ফলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিকেলে বিদ্রোহী মোড় সংলগ্ন বীরনগর এলাকায় পূর্ত বিভাগের সড়কে জল জমে থাকতে দেখা যায়। সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বেহাল নিকাশী ব্যবস্থার চিত্র আবারও সকলের সামনে চলে এসেছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে অনেকেই নারাজ। জলাবদ্ধতা দূর করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা বর্তমান পৌর প্রশাসনের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।1
- বীরভূম প্রতিবন্ধী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় বীরভূমে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ট্রাই সাইকেল ও বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠানটি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হয়, যেখানে নলহাটি ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকের দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা উপকৃত হয়েছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এর আগে চারটি ব্লকজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেই তালিকার ভিত্তিতেই এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সরঞ্জামগুলির মধ্যে রয়েছে ৫৬ জনকে ট্রাই সাইকেল, ৩৬ জনকে ব্যাটারি চালিত ট্রাই সাইকেল, ৩৩ জনকে হুইলচেয়ার, ১৫ জনকে শ্রবণযন্ত্র (কানের মেশিন), এবং ১০ জন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে সাদা লাঠি ও হ্যান্ড ক্র্যাচসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী। এই অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক শ্রী ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, সংস্থার সভাপতি হারাধন ঘোষ এবং সম্পাদক সাদিকুল শেখ উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান যে, ২০২১ সালে তিনি এই সংস্থার মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এই অনুদান এসেছে। তিনি আগামী দিনেও সংস্থার পাশে থাকার এবং বৃহত্তর পরিসরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতা মিছিল আয়োজন করা হয়। এই মিছিল থেকে জেলার যুব সমাজকে এক নেশামুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- বৈষ্ণবনগরে এই বছরের মহরম উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবের মেজাজে শেষ হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। উৎসব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য বৈষ্ণবনগর থানার পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বছর মোট আটটি মহরমের দল বৈষ্ণবনগর খেলার মাঠে উপস্থিত হয়েছিল। শুধু বৈষ্ণবনগর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছিল। উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে মহরম পালনের এই ঘটনা বৈষ্ণবনগরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করেছে।1
- মালদা জেলার রতুয়া দুই নম্বর ব্লকে প্রতি বছরের মতো এবারও মহরম উৎসব পালিত হয়েছে। এই শোকের পরবটি প্রবল উৎসাহ সহকারে উদযাপিত হওয়ার ছবি নজরে এসেছে।1
- মনিন্দ্রনগরের পঞ্চায়েত প্রধান তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছেন, কারণ তাঁর দুই পায়ে লিগামেন্ট কাটা থাকা সত্ত্বেও তাঁর ঘরকে ছাড় দেওয়া হয়নি। তিনি এই প্রসঙ্গে আক্ষেপ করে বলেছেন, "আমার দুই পায়েই লিগামেন্ট কাটা, তাও ছাড় পেল না ঘর!"1