বীরভূম প্রতিবন্ধী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় বীরভূমে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ট্রাই সাইকেল ও বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠানটি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হয়, যেখানে নলহাটি ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকের দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা উপকৃত হয়েছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এর আগে চারটি ব্লকজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেই তালিকার ভিত্তিতেই এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সরঞ্জামগুলির মধ্যে রয়েছে ৫৬ জনকে ট্রাই সাইকেল, ৩৬ জনকে ব্যাটারি চালিত ট্রাই সাইকেল, ৩৩ জনকে হুইলচেয়ার, ১৫ জনকে শ্রবণযন্ত্র (কানের মেশিন), এবং ১০ জন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে সাদা লাঠি ও হ্যান্ড ক্র্যাচসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী। এই অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক শ্রী ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, সংস্থার সভাপতি হারাধন ঘোষ এবং সম্পাদক সাদিকুল শেখ উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান যে, ২০২১ সালে তিনি এই সংস্থার মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এই অনুদান এসেছে। তিনি আগামী দিনেও সংস্থার পাশে থাকার এবং বৃহত্তর পরিসরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বীরভূম প্রতিবন্ধী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় বীরভূমে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ট্রাই সাইকেল ও বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠানটি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হয়, যেখানে নলহাটি ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকের দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা উপকৃত হয়েছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এর আগে চারটি ব্লকজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেই তালিকার ভিত্তিতেই এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সরঞ্জামগুলির মধ্যে রয়েছে ৫৬ জনকে ট্রাই সাইকেল, ৩৬ জনকে ব্যাটারি চালিত ট্রাই সাইকেল, ৩৩ জনকে হুইলচেয়ার, ১৫ জনকে শ্রবণযন্ত্র (কানের মেশিন), এবং ১০ জন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে সাদা লাঠি ও হ্যান্ড ক্র্যাচসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী। এই অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক শ্রী ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, সংস্থার সভাপতি হারাধন ঘোষ এবং সম্পাদক সাদিকুল শেখ উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান যে, ২০২১ সালে তিনি এই সংস্থার মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এই অনুদান এসেছে। তিনি আগামী দিনেও সংস্থার পাশে থাকার এবং বৃহত্তর পরিসরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
- বীরভূম প্রতিবন্ধী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় বীরভূমে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে ট্রাই সাইকেল ও বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠানটি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত হয়, যেখানে নলহাটি ১ ও ২ নম্বর ব্লক এবং মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকের দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা উপকৃত হয়েছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এর আগে চারটি ব্লকজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেই তালিকার ভিত্তিতেই এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা সরঞ্জামগুলির মধ্যে রয়েছে ৫৬ জনকে ট্রাই সাইকেল, ৩৬ জনকে ব্যাটারি চালিত ট্রাই সাইকেল, ৩৩ জনকে হুইলচেয়ার, ১৫ জনকে শ্রবণযন্ত্র (কানের মেশিন), এবং ১০ জন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে সাদা লাঠি ও হ্যান্ড ক্র্যাচসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়ক সামগ্রী। এই অনুষ্ঠানে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক শ্রী ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, সংস্থার সভাপতি হারাধন ঘোষ এবং সম্পাদক সাদিকুল শেখ উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান যে, ২০২১ সালে তিনি এই সংস্থার মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধীদের সাহায্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিলেন এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এই অনুদান এসেছে। তিনি আগামী দিনেও সংস্থার পাশে থাকার এবং বৃহত্তর পরিসরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদ সীমান্তে কড়া নজরদারির মাঝে আবারও পাঁচ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া এই অনুপ্রবেশকারীদের বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।1
- মালদা জেলার চরসুজাপুর মন্দাই রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে বহু মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।2
- মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমার সুতি এলাকায় সামান্য কিছু টাকার জন্য এক গুণধর ছেলে তার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে খুন করেছে। মৃত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত ছেলে আনিকুল শেখের সাথে তার বাবা আবুল কালাম আজাদের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিবাদ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিবাদের জেরেই আনিকুল সুপরিকল্পিতভাবে তার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করে। এদিনের সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ খবর অনুসারে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে আনিকুল শেখ পলাতক রয়েছে। তাকে খুঁজে বের করার জন্য চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে।1
- বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানা সমাজ থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাতে এক অনন্য সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে। 'জীবনকে বলুন হ্যাঁ, মাদককে বলুন না' এবং 'নেশা মুক্ত ভারত অভিযান, বিকশিত ভারত কি পেহেচান' এই মূল মন্ত্র সামনে রেখে একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ভরতপুর থানা চত্বর থেকে এই র্যালিটি শুরু হয়। ভরতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডলের নেতৃত্বে এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে থানার সমস্ত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার হাতে পুলিশের সুশৃঙ্খল এই মিছিল ভরতপুরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান রাস্তা ও এলাকা পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দেয় এবং পুনরায় থানা চত্বরে এসে শেষ হয়। এই প্রশংসনীয় ও মহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার যুবসমাজকে মাদকের মরণফাঁদ থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ, সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।1
- বীরভূমের নলহাটি শহরে মহরম উপলক্ষে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য চিত্র ধরা পড়েছে। আজ মহরমের দিনে বাংলার অন্যান্য এলাকার মতো নলহাটিতেও মানুষ নানা ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। হিন্দু ও মুসলিম—উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে তাজিয়া মিছিল এবং লাঠিখেলা সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা উৎসবকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। এবারের এই শোভাযাত্রা প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। নলহাটি পুলিশ প্রশাসন নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সব মিলিয়ে, নলহাটির মহরম পালন কেবল ধর্মীয় আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।1
- বাঁকুড়ার রাইপুর ব্লকের মটগোদায় একটি সমবায় সমিতির গুদাম থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ বলে অভিযোগ ওঠা সেলাই মেশিন ও স্কুলের পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযান চলাকালীন পুলিশের উপর ইঁট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে, যা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদাম থেকে মোট ৯টি সেলাই মেশিন, একটি আলমারি ও তিন বস্তা স্কুল পোশাক উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এবং এর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সংঘ নেত্রী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, সেলাই মেশিনগুলো প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে গুদামে আনা হয়েছিল।1