Shuru
Apke Nagar Ki App…
ব্যারাকপুরে তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবী মানুষদের স্বস্তি দিতে একটি জলছত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ব্যারাকপুর ১ নম্বর মণ্ডল সভাপতি অনামিকা নাগের উদ্যোগে বড়পোল সংলগ্ন বিজেপির কার্যালয় থেকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের দাবি, তৃণমূলের শাসনামলে মানুষ পরাধীন ছিল, কিন্তু এখন তারা স্বাধীনভাবে বাঁচছে এবং এই ধরনের জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানকে সাধারণ মানুষ থেকে শ্রমজীবীরা সাধুবাদ জানাচ্ছে। অনুষ্ঠানে মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো এবং বিজেপি কার্যকর্তারা সাধারণ মানুষকে জল পান করিয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।
Arindam Chatterjee
ব্যারাকপুরে তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবী মানুষদের স্বস্তি দিতে একটি জলছত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ব্যারাকপুর ১ নম্বর মণ্ডল সভাপতি অনামিকা নাগের উদ্যোগে বড়পোল সংলগ্ন বিজেপির কার্যালয় থেকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের দাবি, তৃণমূলের শাসনামলে মানুষ পরাধীন ছিল, কিন্তু এখন তারা স্বাধীনভাবে বাঁচছে এবং এই ধরনের জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানকে সাধারণ মানুষ থেকে শ্রমজীবীরা সাধুবাদ জানাচ্ছে। অনুষ্ঠানে মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো এবং বিজেপি কার্যকর্তারা সাধারণ মানুষকে জল পান করিয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- টিটাগড়ে মহরম উপলক্ষে গাঙ্গুলী প্রেসের পাশে একটি মহল্লায় এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই আয়োজনে সমাজের গুণীজনদের সংবর্ধনা জানানো হয়, পাশাপাশি এলাকার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং টিটাগড় অঞ্চলের স্কুলগুলির কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগ চোখে পড়ার মতো ছিল।1
- শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর ঝুম মুখার্জির হাত ধরে বেআইনি ও অবৈধভাবে দোকান বসানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও ওয়ার্ডের ভোটাররা এই অবৈধ কারবারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝুম মুখার্জি বাইরে থেকে এসে দোকান বসানো ব্যক্তিদের থেকে ১০ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন। এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, তৃণমূল কাউন্সিলরেরা ওয়ার্ডের কোনো কাজই ঠিকমতো সামলাতে পারছেন না, কিন্তু এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এই কার্যকলাপের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।1
- মুসলমান সম্প্রদায়ের ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং প্রার্থনার দিন পবিত্র মহরম ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হয়েছে। এই দিনে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এটিকে শোকের দিন হিসেবে পালন করে থাকে। সেই কারণেই শোকের প্রতীক হিসেবে লাঠি খেলা সহ নানান শারীরিক কসরত করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। শিল্পাঞ্চলের নৈহাটির হাজিনগর, ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এই পবিত্র মহরম দিনটি পালন করেছেন।1
- একজন যাত্রী পরিবহন পরিষেবা প্রদানকারী নিজেদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন যে, যাত্রীকে সুরক্ষা দেওয়া তাঁদের ধর্ম। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য তাঁরা যাত্রী পরিবহন পরিষেবা দেন। সম্প্রতি, গড়িয়াহাট থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত একজন যাত্রীকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার জন্য P.H 9681485530 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।1
- দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিরাচরিত প্রথা মেনে, আজ শুক্রবার মানবাজারে মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে মহরম উৎসব। এই উপলক্ষে রাস্তায় তাজিয়া বের হয়েছে এবং মহরম কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অসংখ্য মানুষ এই শোভাযাত্রায় যোগদান করেছেন। পুরুলিয়া জেলার মানবাজারে এই মহরম উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মানবাজার পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।1
- কলকাতা, ২৬ জুন (এইচএস)। কলকাতার তারাতলা এলাকায় চলমান উদ্ধার অভিযানকে আরও দ্রুত এবং নির্ভুল করতে এনডিআরএফ দল এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের সময় ধসে পড়া কাঠামোর ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কেউ আটকা পড়ে আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড লাইফ ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে।1
- নৈহাটি পৌরসভা আয়োজিত এক 'প্রবুদ্ধ সম্মেলন' অনুষ্ঠানে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেল। এই সম্মেলনে বহু বিজেপি কর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন, যা অনুষ্ঠান হলটিকে দীর্ঘদিন পর এক মিলনমেলার রূপ দেয়। অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী, এবং নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য। এছাড়াও ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ এবং অন্যান্য পদাধিকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের খাদ্য তালিকায় চা এবং ঝাল মুড়ি পরিবেশন করা হয়। এই সম্মেলনকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠানটিই একটি উৎসবের আকার ধারণ করে।1