সিতাইর ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের ৬/২৭ বুথে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরের কাটমানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিলেও, একজন পঞ্চায়েত সদস্য সেই টাকার মধ্যে থেকে ১০ হাজার টাকা কেটে নিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ থেকে কাটমানি নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অবিলম্বে ওই টাকা ফেরত দিতে হবে। তাঁদের এই দাবি নিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সরকারি সুবিধা থেকে কোনো রকম টাকা কেটে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই কাটমানি বিতর্ককে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।
সিতাইর ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের ৬/২৭ বুথে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরের কাটমানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিলেও, একজন পঞ্চায়েত সদস্য সেই টাকার মধ্যে থেকে ১০ হাজার টাকা কেটে নিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ থেকে কাটমানি নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অবিলম্বে ওই টাকা ফেরত দিতে হবে। তাঁদের এই দাবি নিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সরকারি সুবিধা থেকে কোনো রকম টাকা কেটে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই কাটমানি বিতর্ককে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।
- সিতাইয়ের ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলে বিজেপির উদ্যোগে একটি বিশাল বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নেতাজী বাজার ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে এই মিছিল গাবুয়া কালিহাট পর্যন্ত পরিক্রমা করে, যেখানে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই বিজয় মিছিলে কোচবিহার জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার সহ সভানেত্রী সাবিত্রী বর্মন, জেলা মহিলা মোর্চার অফিস সেক্রেটারি সরস্বতী রায়, সিতাই বিধানসভার বিজেপি কনভেনর সহ একাধিক বিজেপি নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয় এবং বিজেপি কর্মীরা দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মিছিলকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। নেতৃবৃন্দ জানান, সাধারণ মানুষের সমর্থন ও আশীর্বাদ নিয়েই বিজেপি আগামী দিনে আরও বৃহত্তর সংগঠন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবে।1
- বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর শীতলখুঁচি ব্লকের ২৪৫ নং বুথে এক আবেগঘন বিজয় মিছিলের আয়োজন করে বিজেপি সমর্থকরা। গত ২৪ মে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে কর্মী-সমর্থকদের জন্য মাছ-ভাতের আপ্যায়নও করা হয়। গোটা এলাকা দলীয় পতাকা, গেরুয়া আবির এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা ছিল এই বিজয় উৎসবের প্রধান আকর্ষণ। বুথ এলাকা পরিক্রমার পর উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মাছ-ভাতে আপ্যায়ন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বুথ সভাপতি অনন্ত বর্মন, ৬ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক কমল কান্তি রায়, জেলা কমিটির সদস্য অমর দেবনাথ-সহ একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক বর্ষীয়ান নেতা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জানান যে, আজকের এই বিজয় মিছিল দেখে মনে হচ্ছে দীর্ঘদিনের লড়াই সার্থক হয়েছে। সারা ব্লক জুড়েই এই বিজয় উৎসবকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।1
- ভাঐর থানা পঞ্চায়েতের ১৯১ নম্বর বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) আজকের বিজয় উৎসব এক জনজোয়ারে পরিণত হয়েছিল, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম দেখা যায়।1
- দিনহাটা মহকুমার গোসানিমারির ছোট নলধোন্দ্রা এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে। এই বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। পুরো ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় তাঁর পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।1
- রবিবার কোচবিহার প্রেস ক্লাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং তা দুপুর ৩টে পর্যন্ত চলে। প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই সদস্যদের চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল। এই ভোটদান পর্ব উৎসবের আবহে এবং সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে কোচবিহার জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হলো।1
- শীতলকুচি বিধানসভার ৩ নং মন্ডলের বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি তন্ময় রায় কায়েতের নেতৃত্বে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি বিশেষ সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ডলের সকল স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের বামুনীয়া নাককাটি জুনিয়র হাইস্কুল প্রাঙ্গণে একটি ব্যাপক সাফাই অভিযান বা পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যালয়ের চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করা, প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর শিক্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করা। তন্ময় রায় কায়েত এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন যে, তাঁরা শুধুমাত্র বাহ্যিক সাফাই অভিযান বা আবর্জনা পরিষ্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না, বরং সমাজের গভীরে থাকা ক্ষতিকর উপাদান যেমন—মদ বা মাদকের মতো বিষয়গুলো বন্ধে প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে সচেষ্ট থাকবেন। এটি যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে। দলের কর্মী বিশ্বনাথ বর্মন এই প্রসঙ্গে বলেন যে, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে রোগব্যাধির প্রকোপ কমবে এবং এলাকাটি সত্যিই নির্মল হয়ে উঠবে। এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শীতলকুচি বিধানসভার মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের বামুনিয়া জুনিয়ার হাইস্কুল প্রাঙ্গণে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।1
- বিজেপির বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে এক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এই আক্রমণের অভিযোগের তীর সরাসরি তৃণমূলের দিকে। আহত কর্মীর নাম রঞ্জিত কুমার বর্মন, তাঁর বয়স ৪৫ বছর। বর্তমানে তিনি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।1
- সিতাইর ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের ৬/২৭ বুথে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরের কাটমানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিলেও, একজন পঞ্চায়েত সদস্য সেই টাকার মধ্যে থেকে ১০ হাজার টাকা কেটে নিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ থেকে কাটমানি নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অবিলম্বে ওই টাকা ফেরত দিতে হবে। তাঁদের এই দাবি নিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সরকারি সুবিধা থেকে কোনো রকম টাকা কেটে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই কাটমানি বিতর্ককে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।1