"বদল তো আগেই হয়েছে, এবার বদলা হবে", বারাবনির সভা থেকে বিরোধীদের হুমকি তৃণমূল বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় দিদি বলেছিলেন "বদলা নয়, বদল চাই"। কিন্তু এখন আমি অন দ্য ক্যামেরা বলছি, সরকার তো আসবেই। বদল তো আগেই হয়েছে, এবার বদলা হবে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের পাল্টা সভা থেকে বারাবনির তৃণমূল বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বিরোধীদের ওপর বদলা নেওয়ার হুমকি দিলেন। বারাবনি বিধানসভার পানুরিয়াতে শুক্রবার বিকেলে সভা হয় তৃণমূলের। বিজেপির পাল্টা সভা ছিল এটি। বুধবার বারাবনিতে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা ও সভায় ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। ওই সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন বারাবনিতে সন্ত্রাসের বাতাবরণ রয়েছে। এখানে বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় ও ব্লক সভাপতি অসিত সিং সন্ত্রাসের মহল তৈরি করে রেখেছে। উন্নয়নের নামে ওরা দুর্নীতি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ বিজেপির ওই সভা করতে বাধা পেয়েছিল। ফ্ল্যাগ ফেস্টুন বাধঁতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিল বিজেপি কর্মীরা। শুধু তাই না, সুকান্ত মজুমদারের সভার পর বাইরে থেকে আসা ডেকোরেটার্স কর্মী ও মাইক ম্যানদেরও মারধর হয়েছিল। এতটাই ভয় ভীতির পরিবেশ রয়েছে বলে অভিযোগ। পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বিধান উপাধ্যায় প্রথমে তৃণমূলের সভা থেকে বলেন, সিপিএমের সময় প্রতিদিন প্রতিনিয়ত প্রতি জায়গায় মার খেতে হতো। বারাবনিতে এখন যারা সন্ত্রাস সন্ত্রাস বলে মিথ্যা অভিযোগ করছে। কোথায় তারা সন্ত্রাস দেখেছে? যারা এখন বলে বেড়াচ্ছে, তারা সিপিএমের টাইমে সব খালে বিলে ঢুকেছিলো।" বিধানের হুমকি, মনে রাখবে বারাবনিতে এতদিন শান্তিতে আছো। শান্তিতে সব মানুষ আছে। যেদিন বদলা নেবো, সেদিন তোমাদের কেউ খুঁজেই পাবে না।" এরপরেই বিধান উপাধ্যায় তাঁর প্রয়াত বাবা মানিক উপাধ্যায় যিনি বারাবনির দাবাং বিধায়ক ছিলেন। প্রথমে কংগ্রেসের, পরে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। সেই প্রয়াত বাবার নাম উল্লেখ করে বলেন, রক্তটা মানিক উপাধ্যায়ের আছে। হাসিমুখটা সবসময় আছে, হাসিমুখে থাকি। কারণ আমি একটা মতে চলি যে মানুষকে ভয় দেখানো নয়, ডর দেখানো নয় বা অস্ত্র দেখানো নয়। মানুষকে যদি ভালোবাসা দিয়ে কাছে টানতে পারো তাহলে তুমি সারাজীবন মানুষের সঙ্গে থাকবে।" বিতর্কিত এই বক্তব্য নিয়ে শনিবার সকালে বিধান উপাধ্যায়কে ফের প্রশ্ন করা হয়। নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন। বিধান উপাধ্যায় বলেন, দেখুন শান্তিতে থাকা সত্ত্বেও যদি বারবার বলতে থাকে এখানে অশান্তির পরিবেশ রয়েছে। তো অশান্তি কাকে বলে সেটা কিন্তু ওদেরকে দেখানো উচিত। নেত্রীর স্লোগান ছিল ‘বদলা নয় বদল চাই’। কিন্তু সেই সুযোগ নিয়ে চারিদিকে ওরা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বিভিন্নভাবে মানুষের শান্তি নষ্ট করতে চাইছে। এটা বারবার করতে চাইলে নিশ্চিতভাবে আগামী দিনে বদলা হবে।" তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে, বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, উনি নতুন কি বক্তব্য দিচ্ছেন? বারাবনির ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তারা অলরেডি ওনার বদলার রাজনীতি ফেস করে রাজনীতি করে। ২০২১ সালেও ফেস করেছে এবং তাদের সেই বুকে দম আছে বলেই তারা রাজনীতিটা করে। আর ওইসব বদলার ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।বিজেপি প্রস্তুত আছে এবং বিজেপি দেখিয়ে দিয়েছছে ওদের গড়ে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা ও সভা করার। অভিযোগ, ২০২১ সালে জেতার পর কি বদলা নেননি? ২০২১ সালে জেতার পর বারাবনির বুকে যে পোস্ট-পোল ভায়োলেন্স উনি করেছেন, সেটা কি উনি ভুলে গেছেন না উনি অবগত নন? ২০২১ সালের ভোটের পরে বিজেপি কর্মীদের সব বারাবনির ছাড়া হয়েছিল। জিজিয়া করের মত মারধর করে করে টাকা আদায় করেছেন ওনারা। এবার ভোটে ওনারা জবাব পাবেন।
"বদল তো আগেই হয়েছে, এবার বদলা হবে", বারাবনির সভা থেকে বিরোধীদের হুমকি তৃণমূল বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় দিদি বলেছিলেন "বদলা নয়, বদল চাই"। কিন্তু এখন আমি অন দ্য ক্যামেরা বলছি, সরকার তো আসবেই। বদল তো আগেই হয়েছে, এবার বদলা হবে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের পাল্টা সভা থেকে বারাবনির তৃণমূল বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বিরোধীদের ওপর বদলা নেওয়ার হুমকি দিলেন। বারাবনি বিধানসভার পানুরিয়াতে শুক্রবার বিকেলে সভা হয় তৃণমূলের। বিজেপির পাল্টা সভা ছিল এটি। বুধবার বারাবনিতে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা ও সভায় ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। ওই সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন বারাবনিতে সন্ত্রাসের বাতাবরণ রয়েছে। এখানে বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় ও ব্লক সভাপতি অসিত সিং সন্ত্রাসের মহল তৈরি করে রেখেছে। উন্নয়নের নামে ওরা দুর্নীতি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ বিজেপির ওই সভা করতে বাধা পেয়েছিল। ফ্ল্যাগ ফেস্টুন বাধঁতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিল বিজেপি কর্মীরা। শুধু তাই না, সুকান্ত মজুমদারের সভার পর বাইরে থেকে আসা ডেকোরেটার্স কর্মী ও মাইক ম্যানদেরও মারধর হয়েছিল। এতটাই ভয় ভীতির পরিবেশ রয়েছে বলে অভিযোগ। পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে বিধান উপাধ্যায় প্রথমে তৃণমূলের সভা থেকে বলেন, সিপিএমের সময় প্রতিদিন প্রতিনিয়ত প্রতি জায়গায় মার খেতে হতো। বারাবনিতে এখন যারা সন্ত্রাস সন্ত্রাস বলে মিথ্যা অভিযোগ করছে। কোথায় তারা সন্ত্রাস দেখেছে? যারা এখন বলে বেড়াচ্ছে, তারা সিপিএমের টাইমে সব খালে বিলে ঢুকেছিলো।" বিধানের হুমকি, মনে রাখবে বারাবনিতে এতদিন শান্তিতে আছো। শান্তিতে সব মানুষ আছে। যেদিন বদলা নেবো, সেদিন তোমাদের কেউ খুঁজেই পাবে না।" এরপরেই বিধান উপাধ্যায় তাঁর প্রয়াত বাবা মানিক উপাধ্যায় যিনি বারাবনির দাবাং বিধায়ক ছিলেন। প্রথমে কংগ্রেসের, পরে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। সেই প্রয়াত বাবার নাম উল্লেখ করে বলেন, রক্তটা মানিক উপাধ্যায়ের আছে। হাসিমুখটা সবসময় আছে, হাসিমুখে থাকি। কারণ আমি একটা মতে চলি যে মানুষকে ভয় দেখানো নয়, ডর দেখানো নয় বা অস্ত্র দেখানো নয়। মানুষকে যদি ভালোবাসা দিয়ে কাছে টানতে পারো তাহলে তুমি সারাজীবন মানুষের সঙ্গে থাকবে।" বিতর্কিত এই বক্তব্য নিয়ে শনিবার সকালে বিধান উপাধ্যায়কে ফের প্রশ্ন করা হয়। নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন। বিধান উপাধ্যায় বলেন, দেখুন শান্তিতে থাকা সত্ত্বেও যদি বারবার বলতে থাকে এখানে অশান্তির পরিবেশ রয়েছে। তো অশান্তি কাকে বলে সেটা কিন্তু ওদেরকে দেখানো উচিত। নেত্রীর স্লোগান ছিল ‘বদলা নয় বদল চাই’। কিন্তু সেই সুযোগ নিয়ে চারিদিকে ওরা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বিভিন্নভাবে মানুষের শান্তি নষ্ট করতে চাইছে। এটা বারবার করতে চাইলে নিশ্চিতভাবে আগামী দিনে বদলা হবে।" তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে, বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, উনি নতুন কি বক্তব্য দিচ্ছেন? বারাবনির ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তারা অলরেডি ওনার বদলার রাজনীতি ফেস করে রাজনীতি করে। ২০২১ সালেও ফেস করেছে এবং তাদের সেই বুকে দম আছে বলেই তারা রাজনীতিটা করে। আর ওইসব বদলার ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।বিজেপি প্রস্তুত আছে এবং বিজেপি দেখিয়ে দিয়েছছে ওদের গড়ে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা ও সভা করার। অভিযোগ, ২০২১ সালে জেতার পর কি বদলা নেননি? ২০২১ সালে জেতার পর বারাবনির বুকে যে পোস্ট-পোল ভায়োলেন্স উনি করেছেন, সেটা কি উনি ভুলে গেছেন না উনি অবগত নন? ২০২১ সালের ভোটের পরে বিজেপি কর্মীদের সব বারাবনির ছাড়া হয়েছিল। জিজিয়া করের মত মারধর করে করে টাকা আদায় করেছেন ওনারা। এবার ভোটে ওনারা জবাব পাবেন।
- দুর্গাপুরে তিন নম্বর প্লেট নিয়ে ধরা পড়ল পণ্যবাহী ট্রাক, উত্তেজনা গোল পার্ক এলাকায়।দুর্গাপুরের সগড়ভাঙা কলোনির গোল পার্ক এলাকায় শনিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে। অভিযোগ, একটি ট্রাকে ব্যবহার করা হচ্ছিল তিনটি নম্বর প্লেট—যার মধ্যে একটি বৈধ হলেও বাকি দুটি ছিল অবৈধ।ঘটনাটি ঘটে দুর্গাপুর পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোল পার্ক সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় একাধিক কারখানা থাকায় নিয়মিত ভারী যান চলাচল হয় এবং পণ্যবাহী ট্রাকের বেপরোয়া গতি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড়সড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে।শনিবার কলোনির স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ ঘটক লক্ষ্য করেন, ট্রাকের চালক একটি নম্বর প্লেট খুলে ভিন রাজ্যের অন্য একটি নম্বর প্লেট লাগাচ্ছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা ট্রাকটিকে ঘিরে ধরে চালককে হাতেনাতে আটক করেন। চালক পালানোর চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা তাকে আটকে দেয়।স্থানীয়দের প্রশ্ন একটি ট্রাক অথচ একাধিক নম্বর প্লেট, কীভাবে সম্ভব? জিজ্ঞাসাবাদের সময় ট্রাক চালক ফাইন্যান্স সংক্রান্ত ঝামেলা এড়ানোর জন্য এই কাজ করেছেন বলে স্বীকার করেন বলে দাবি স্থানীয়দের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোকওভেন থানার পুলিশ এবং মুচিপাড়া সাব-ট্রাফিকের আধিকারিকরা। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ট্রাক চালককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ট্রাকটি আটক করা হয়। এক ট্রাফিক আধিকারিক জানান, নম্বর প্লেট পরিবর্তন করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।1
- सेल आईएसपी स्कूलों के निजीकरण के डॉ सुकांत मजूमदार के जवाब पर तृणमूल का कटाक्ष, भाजपा को बताया फायदे की राजनीति करने वाला बर्नपुर : हाल ही में भाजपा के पूर्व प्रदेश अध्यक्ष और वर्तमान केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री डॉ सुकांत मजूमदार भाजपा के कार्यक्रम में भाग लेने आसनसोल आए थे। उस दिन उन्होंने आसनसोल स्थित पार्टी के जिला कार्यालय में एक संवाददाता सम्मेलन में विभिन्न मुद्दों पर बात की। उस संवाददाता सम्मेलन में एक पत्रकार ने उनसे बर्नपुर सेल आईएसपी द्वारा चलाए जा रहे पांच स्कूलों के निजीकरण के बारे में पूछा। जवाब में उन्होंने कहा कि स्कूल चलाना सेल आईएसपी का काम नहीं है। जहां तक मेरी जानकारी है, इस्को कारखाने का काम इस्पात निर्माण करना है। बर्नपुर सेल आईएसपी के इस फैसले के विरुद्ध आसनसोल नगर निगम संख्या 78 के तृणमूल कांग्रेस पार्षद अशोक रुद्र सहित अभिभावकों ने मोर्चा खोल रखा है। वहीं इस बारे में केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री डॉ सुकांत मजूमदार ने कहा कि उनके पास कोई दूसरा काम नहीं है। तृणमूल कांग्रेस के शासन में बंगाल में शिक्षा का क्या हुआ, यह कोई नहीं जानता. 8,000 स्कूल बंद हो गए हैं। वहीं नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में पूरे देश के शिक्षा प्रणाली को दुनिया में अलग पहचान मिली है। केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री के इस टिप्पणी से इस्पात नगरी बर्नपुर में हलचल मच गया है। तृणमूल कांग्रेस ने इस पर कड़ी प्रतिक्रिया दी है। आईएसपी द्वारा बर्नपुर में चलाए जा रहे स्कूलों के निजीकरण के विरोध मे पहले से विरोध कर रहे पार्षद अशोक रुद्र ने केंद्रीय शिक्षा राज्य मंत्री के इस टिप्पणी को बहुत दुर्भाग्यपूर्ण बताया। अशोक रुद्र ने इस संदर्भ में कहा कि लंबे समय से सेल आईएसपी इन स्कूलों को चला रहा है। लेकिन अचानक इन स्कूलों का निजीकरण करने की पहल की गई है और नए विद्यार्थियों के दाखिले रोक दिए गए हैं। उनके अनुसार, इससे यह साफ़ होता है कि भाजपा लोगों के हितों के बारे में नहीं सोचती। वे सिर्फ़ मुनाफ़े के बारे में सोचते हैं। उन्होंने सवाल किया, अगर स्कूल चलाना सेल आईएसपी की ज़िम्मेदारी नहीं है, तो इतने सालों से ये स्कूल क्यों चलाए जा रहे थे? तृणमूल कांग्रेस के पार्षद ने यह भी याद दिलाया कि पहले भी आसनसोल में स्कूल बंद करने का फैसला रेलवे ने लिया था। फिर आंदोलन की वजह से रेलवे अधिकारियों को अपना फैसला बदलना पड़ा और स्कूल खुले रखने का फैसला किया गया। उन्होंने साफ किया कि सेल आईएसपी के स्कूल किसी भी हालत में बंद नहीं होने दिए जाएंगे और उनका निजीकरण भी मंजूर नहीं किया जाएगा। हालांकि, अगर भविष्य में किसी भी वजह से निजीकरण होता है, तो उन्होंने यह भी मांग की कि गरीब और पिछड़े वर्ग के विद्यार्थियों के लिए विशेष सुविधाएं पक्की की जाएं। नहीं तो, उन्होंने चेतावनी दी कि इससे भी बड़ा आंदोलन किया जाएगा।1
- প্রস্তুতি তুঙ্গে। পাড়ায় পাড়ায় চলছে প্রচার। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঊর্ধ্ব গগনে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় যোগদানের আমন্ত্রণ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিজেপির তরফ থেকে ঘোষণা দুর্গাপুরের ধান্ডাবাগ বাগানপাড়ায় বাতিল পরিবর্তন সংকল্প সভা। যাকে ঘিরে ফের শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই এলাকায় ১৩ই জানুয়ারি এই কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল বিজেপির। মাঠের চতুর্দিকে দলীয় পতাকা বাধা হয়েছে। গেরুয়া রঙের কাপড় দিয়ে ঘেরা হয়েছে। সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মাঠ। আসানসোল সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সূত্রে খবর, এই সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ১২ এবং ১৩তারিখ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিল্লিতে যাচ্ছেন। যেহেতু তিনি থাকতে পারবেন না সেই জন্য এই সভা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। কিছুদিন পরে আবার এই সভা করা হবে। কটাক্ষ করে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন পুরপিতা সুশীল চ্যাটার্জী বলেন,"বিজেপি বুঝতে পেরেছে তাদের দলের লোক হবে না। সেই জন্য শেষে আমাদের দলীয় পতাকা ড্রেনে ফেলে দিয়েছিল। আর শেষ মুহূর্তে তাদের কর্মসূচিও বাতিল করা হয়েছে। বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে কে কোন দিকে যাবে খুঁজে পাচ্ছেনা। তারই প্রতিফলন হয়তো এই সভা বাতিল।"1
- Purulia:মৌতড় থেকে বদলের শপথ, জনসমুদ্রে রূপ নিল বিজেপির পরিবর্তন সভা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী। #khabarpurulia24x7 #purulianews #Moutorh #Para #Purulia #ParibartanSankalpaSabha #BJPWestBengal #SuvenduAdhikari #NadiyaChandBauri #BJP #PoliticalNews #PuruliaPolitics #BengalPolitics #ChangeIsComing #BJPNEWS #BJP20261
- পুঞ্চা:আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেলো আস্ত একটা দোকান1
- SIR আতঙ্ক ৯৬ বৎসরের বৃদ্ধা মাকে নিয়ে, অবশেষে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে বাড়িতে এসেই গন শোনানি করা হলো বিশেষ পুরুলিয়া পৌরসভার ১০নম্বার ওয়ার্ডের ২১জনের।1
- আগ্নেয়াস্ত্র-সহ হোটেল মালিক গ্রেফতার, উদ্ধার ৭ এমএম পিস্তল1
- সামডিতে পাড়ায় সংলাপ অনুষ্ঠান:- সালানপুর:-আজ অর্থাৎ শনিবার থেকে সালানপুর ব্লকের সামডি গ্রাম পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত হয় উন্নয়নের পাঁচালির পাড়ায় সংলাপ।যেখানে উপস্থিত ছিলেন বারাবনির বিধায়ক তথা আসানসোল পৌর নিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায়।এদিন তিনি সর্ব প্রথম মুক্তাইচন্ডী পাহাড়ে পুজো দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন।তারপর তিনি পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে 15বছর ধরে রাজ্য সরকারের দ্বারা উন্নয়ন মূলক কাজ গুলি তুলে ধরেন।পাশাপাশি পাড়ার মানুষের সমস্যার কথা গুলি শুনেন এবং সমাধানের আশ্বাসদেন।এদিন তিনি জানান উন্নয়ননের পাঁচালি পাড়ায় সংলাপ অনুষ্ঠানে আজ সামডি অঞ্চলে করা হচ্ছে।রাজ্যের উন্নয়ন মূলক কাজ ও প্রকল্প গুলি এলাকার মানুষদের সামনে অবগত করা হচ্ছে।মানুষ সমস্ত সুবিধা গুলি ঠিকমত পাচ্ছে কি না তা দেখা হচ্ছে।তাছাড়া এখনো পাড়ায় ছোট ছোট কিছু সমস্যা রয়েছে তা তাদের মুখে শোনা হচ্ছে।আগামী দিনে চেষ্টা করা হবে যাতে সমস্যা গুলি সমাধান করা যায়। তাছাড়া এদিন তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ আরমান,সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৈলাস পতি মন্ডল, সহ সভাপতি বিদ্যুৎ মিশ্র, সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি বিদ্যুৎ মিশ্র,সামডি আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন মণ্ডল সহ আরো অনেকে।1