আসানসোলে আবাসিক এলাকায় ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, বন্ধের দাবিতে সরব বাসিন্দারা* *নিজস্ব সংবাদদাতা, কাজল মিত্র:* শান্তির খোঁজে গড়ে ওঠা এক অভিজাত আবাসিক পাড়া এখন অতিষ্ঠ বাণিজ্যিক দাপটে। আসানসোলের বিদ্যাসাগর সরণি এলাকায় 'রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং' এবং একটি বেসরকারি কম্পিউটার পরীক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে ওই ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং বন্ধের দাবি তুলেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই এলাকাটি মূলত অবসরপ্রাপ্ত মানুষ, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ারদের শান্তিতে বসবাসের জন্য গড়ে উঠেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহু প্লট হাতবদল হয়ে আবাসিক সম্পত্তি বাণিজ্যিক সম্পত্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাসিন্দা তপন মুখার্জি ও চিকিৎসক ডা. সিদ্ধার্থ ব্যানার্জি জানান, "আমাদের বাড়ি থেকে রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হলের দূরত্ব মাত্র ৮ থেকে ১৫ ফুট। যখন বিয়ে হয়, ১৫ দিন আগে থেকে বাঁশ বাঁধা শুরু হয়। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত ডিজে, বোমা-ফটকার আওয়াজে থাকা যায় না। জি.টি. রোডের মোড় থেকে বরযাত্রীর প্রসেশন আসে।" ডা. ব্যানার্জি আরও বলেন, "আমার মা ৮১ বছর বয়সী। দরজা-জানলা বন্ধ থাকলেও আওয়াজে তাঁর বুক ধড়ফড় করে। পাশে ডা. অশোক রায়ের স্ত্রী পেসমেকার পেশেন্ট, শঙ্খ অ্যাপার্টমেন্টের বয়স্ক বাসিন্দা এবং পাশের ওয়েস্টার্ন নার্সিংহোমের রোগীরা একই সমস্যায় ভুগছেন।" পরীক্ষা কেন্দ্র প্রসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, "একেক দিন ৫০০-৫৫০ জন পরীক্ষার্থী, সঙ্গে ১০০০-এর বেশি অভিভাবক। টোটো-অটোতে রাস্তা বন্ধ। শৌচাগার না থাকায় যেখানে সেখানে নোংরা করে। বাইরে থেকে আসা লোকজন বাড়ির আনাচে-কানাচে ঢুকে পড়ছে। নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।" লজিং নিয়ে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে বাসিন্দারা বলেন, ব্যাঙ্কুয়েট হলের আড়ালে এখানে যুবক যুবতীদের ঘণ্টা হিসেবে রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। এটি হাই সিকিউরিটি জোন, এখানে মন্ত্রীর বাড়ি রয়েছে। রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হলের কেয়ারটেকার রবি বর্মা বলেন, "এই প্রপার্টির আসল মালিক রমানুজ সিং। আমি শুধু কেয়ারটেকার। পুলিশ ও প্রশাসনের নির্দেশে লজিং আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো OYO টাইপের লজিং ছিল না। পাশের এক্সাম সেন্টারে বাইরে থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের জন্যই ঘর দেওয়া হত।"
আসানসোলে আবাসিক এলাকায় ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, বন্ধের দাবিতে সরব বাসিন্দারা* *নিজস্ব সংবাদদাতা, কাজল মিত্র:* শান্তির খোঁজে গড়ে ওঠা এক অভিজাত আবাসিক পাড়া এখন অতিষ্ঠ বাণিজ্যিক দাপটে। আসানসোলের বিদ্যাসাগর সরণি এলাকায় 'রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং' এবং একটি বেসরকারি কম্পিউটার পরীক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে ওই ব্যাঙ্কুয়েট হল ও লজিং বন্ধের দাবি তুলেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই এলাকাটি মূলত অবসরপ্রাপ্ত মানুষ, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ারদের শান্তিতে বসবাসের জন্য গড়ে উঠেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহু প্লট হাতবদল হয়ে আবাসিক সম্পত্তি বাণিজ্যিক সম্পত্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাসিন্দা তপন মুখার্জি ও চিকিৎসক ডা. সিদ্ধার্থ ব্যানার্জি জানান, "আমাদের বাড়ি থেকে রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হলের দূরত্ব মাত্র ৮ থেকে ১৫ ফুট। যখন বিয়ে হয়, ১৫ দিন আগে থেকে বাঁশ বাঁধা শুরু হয়। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত ডিজে, বোমা-ফটকার আওয়াজে থাকা যায় না। জি.টি. রোডের মোড় থেকে বরযাত্রীর প্রসেশন আসে।" ডা. ব্যানার্জি আরও বলেন, "আমার মা ৮১ বছর বয়সী। দরজা-জানলা বন্ধ থাকলেও আওয়াজে তাঁর বুক ধড়ফড় করে। পাশে ডা. অশোক রায়ের স্ত্রী পেসমেকার পেশেন্ট, শঙ্খ অ্যাপার্টমেন্টের বয়স্ক বাসিন্দা এবং পাশের ওয়েস্টার্ন নার্সিংহোমের রোগীরা একই সমস্যায় ভুগছেন।" পরীক্ষা কেন্দ্র প্রসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, "একেক দিন ৫০০-৫৫০ জন পরীক্ষার্থী, সঙ্গে ১০০০-এর বেশি অভিভাবক। টোটো-অটোতে রাস্তা বন্ধ। শৌচাগার না থাকায় যেখানে সেখানে নোংরা করে। বাইরে থেকে আসা লোকজন বাড়ির আনাচে-কানাচে ঢুকে পড়ছে। নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।" লজিং নিয়ে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে বাসিন্দারা বলেন, ব্যাঙ্কুয়েট হলের আড়ালে এখানে যুবক যুবতীদের ঘণ্টা হিসেবে রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। এটি হাই সিকিউরিটি জোন, এখানে মন্ত্রীর বাড়ি রয়েছে। রাশি ব্যাঙ্কুয়েট হলের কেয়ারটেকার রবি বর্মা বলেন, "এই প্রপার্টির আসল মালিক রমানুজ সিং। আমি শুধু কেয়ারটেকার। পুলিশ ও প্রশাসনের নির্দেশে লজিং আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো OYO টাইপের লজিং ছিল না। পাশের এক্সাম সেন্টারে বাইরে থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের জন্যই ঘর দেওয়া হত।"
- চিচুড়িয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ‘মদের আসর’! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর জামুড়িয়া -: সরকারি পঞ্চায়েত ভবনের ভিতরে বসে কয়েকজনের খাওয়া-দাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জামুড়িয়ার চিচুড়িয়া এলাকায়। ভাইরাল ভিডিওটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এবং সেখানে থাকা পানীয় আদৌ মদ কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চিচুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে একটি ঘরে কয়েকজন বসে রয়েছেন। সামনে খাবার ও পানীয় রাখা রয়েছে। তাঁদের হাতে গ্লাসও দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্যকে ঘিরেই মদের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে ভিডিওটি কখনকার এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে সেটি ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভিডিওতে দেখা কয়েকজনের মধ্যে কেউ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। যদিও তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং ভিডিওতে তাঁদের উপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ছাড়া স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি পঞ্চায়েত ভবনে কীভাবে এমন জমায়েত হল এবং অফিস বন্ধ থাকার সময় সেখানে কারা প্রবেশের অনুমতি পেলেন? প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হলে ভিডিওটির সত্যতা, ঘটনার সময় এবং সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।1
- পাড়া থানার কাশিবেড়িয়া গ্রামে মাদক বিরোধী সচেতনতা মিছিল, ‘মাদককে না বলুন’ বার্তা পুলিশের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পুরুলিয়ার পাড়া থানার পুলিশ ও পাড়া আবগারি দফতরের যৌথ উদ্যোগে সোমবার বিকেলে কাশিবেড়িয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হল মাদক বিরোধী সচেতনতা কর্মসূচি।এদিন পাড়া থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক ও কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের অংশগ্রহণে গ্রামে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদক সেবনের ক্ষতিকর দিক এবং এর ফলে পরিবার ও সমাজে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। মিছিল থেকে বারবার উঠে আসে ‘মাদককে না বলুন’—এই বার্তা। মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য মানুষকেও মাদকবিরোধী সচেতনতার আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।পুলিশ ও আবগারি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান যেমন চলবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা।কাশিবেড়িয়া গ্রামের এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।1
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1
- বৃষ্টির বাধা, হিট মেশিনে শুকোচ্ছে বিশ্বকর্মা ঠাকুর, আর দু’দিন পরেই বিশ্বকর্মা পুজো, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা আর মাত্র দু’দিন পরেই বিশ্বকর্মা পুজো। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর শেষ মুহূর্তের তোড়জোড়। প্রতিমা তৈরির কাজও জোরকদমে চালিয়ে যাচ্ছেন মৃৎশিল্পীরা। তবে এবছর তাঁদের প্রস্তুতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। দফায় দফায় বৃষ্টির জেরে কিছুতেই শুকোচ্ছে না বিশ্বকর্মা ঠাকুরের প্রতিমা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা তৈরি ও রংয়ের কাজ শেষ করতে সমস্যায় পড়ছেন মৃৎশিল্পীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে হিট মেশিনের সাহায্যে প্রতিমা শুকানোর কাজ করতে হচ্ছে তাঁদের। মঙ্গলবার দুপুর দুটোয় মৃৎশিল্পীদের কথায়, সাধারণত প্রতিমা শুকানোর জন্য রোদই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এবছর বৃষ্টির কারণে সেই সুযোগ মিলছে না। ফলে অতিরিক্ত সময় ও খরচ করে কৃত্রিমভাবে প্রতিমা শুকাতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি এবছর বিশ্বকর্মা প্রতিমার দামও কিছুটা বেড়েছে। মৃৎশিল্পীদের দাবি, প্রতিমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মাটি, খড়, রং, বাঁশ-সহ বিভিন্ন সামগ্রীর দাম বেড়েছে। বেড়েছে শ্রমিকের খরচও। সেই কারণেই বাধ্য হয়ে প্রতিমার দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।1
- Bankura Express : ইন্দপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে বিধায়ক, দুর্নীতি-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ1
- টাইগার দয়াময় বাউরি ডাকে পুরুলিয়ার জনগণের স্বার্থে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতাল ঘেরাও কর্মসূচি।1
- পুরুলিয়া শক্তি সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে রক্ত পরীক্ষা স্কল ছাত্র-ছাত্রীদের পুরুলিয়া শহরের নামোপাড়ার স্কুলে। পুরুলিয়া শক্তি সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে রক্ত পরীক্ষা স্কল ছাত্র-ছাত্রীদের পুরুলিয়া শহরের নামোপাড়ার স্কুলে। শিবির ঘিরে বাড়ির অভিভাবকদের ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রবল সহ কি জানালেন উদ্যোক্তা ও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।1
- দত্ত বাঁধ কালী মন্দির সংলগ্ন নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে ধুমধাম করে গণেশ চতুর্থীর পুজো সাঁওতালডি থানার দত্ত বাঁধ কালী মন্দির সংলগ্ন নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করা হলো। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে গণেশ চতুর্থীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে শুরু হয়ে যায় পুজোর আয়োজন। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে গণেশ দেবতার পুজো সম্পন্ন করার পর হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। পুজো ও যজ্ঞে অংশ নেন এলাকার ভক্তরা। পুজোকে কেন্দ্র করে মন্দির চত্বরে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। পুজো শেষে উপস্থিত ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা যায়।1