পাড়া থানার কাশিবেড়িয়া গ্রামে মাদক বিরোধী সচেতনতা মিছিল, ‘মাদককে না বলুন’ বার্তা পুলিশের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পুরুলিয়ার পাড়া থানার পুলিশ ও পাড়া আবগারি দফতরের যৌথ উদ্যোগে সোমবার বিকেলে কাশিবেড়িয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হল মাদক বিরোধী সচেতনতা কর্মসূচি।এদিন পাড়া থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক ও কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের অংশগ্রহণে গ্রামে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদক সেবনের ক্ষতিকর দিক এবং এর ফলে পরিবার ও সমাজে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। মিছিল থেকে বারবার উঠে আসে ‘মাদককে না বলুন’—এই বার্তা। মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য মানুষকেও মাদকবিরোধী সচেতনতার আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।পুলিশ ও আবগারি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান যেমন চলবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা।কাশিবেড়িয়া গ্রামের এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
পাড়া থানার কাশিবেড়িয়া গ্রামে মাদক বিরোধী সচেতনতা মিছিল, ‘মাদককে না বলুন’ বার্তা পুলিশের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পুরুলিয়ার পাড়া থানার পুলিশ ও পাড়া আবগারি দফতরের যৌথ উদ্যোগে সোমবার বিকেলে কাশিবেড়িয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হল মাদক বিরোধী সচেতনতা কর্মসূচি।এদিন পাড়া থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক ও কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের অংশগ্রহণে গ্রামে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদক সেবনের ক্ষতিকর দিক এবং এর ফলে পরিবার ও সমাজে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। মিছিল থেকে বারবার উঠে আসে ‘মাদককে না বলুন’—এই বার্তা। মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য মানুষকেও মাদকবিরোধী সচেতনতার আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।পুলিশ ও আবগারি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান যেমন চলবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা।কাশিবেড়িয়া গ্রামের এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
- পাড়া থানার কাশিবেড়িয়া গ্রামে মাদক বিরোধী সচেতনতা মিছিল, ‘মাদককে না বলুন’ বার্তা পুলিশের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পুরুলিয়ার পাড়া থানার পুলিশ ও পাড়া আবগারি দফতরের যৌথ উদ্যোগে সোমবার বিকেলে কাশিবেড়িয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হল মাদক বিরোধী সচেতনতা কর্মসূচি।এদিন পাড়া থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক ও কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের অংশগ্রহণে গ্রামে একটি সচেতনতা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাদক সেবনের ক্ষতিকর দিক এবং এর ফলে পরিবার ও সমাজে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। মিছিল থেকে বারবার উঠে আসে ‘মাদককে না বলুন’—এই বার্তা। মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য মানুষকেও মাদকবিরোধী সচেতনতার আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।পুলিশ ও আবগারি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান যেমন চলবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা।কাশিবেড়িয়া গ্রামের এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।1
- টাইগার দয়াময় বাউরি ডাকে পুরুলিয়ার জনগণের স্বার্থে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতাল ঘেরাও কর্মসূচি।1
- পুরুলিয়া শক্তি সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে রক্ত পরীক্ষা স্কল ছাত্র-ছাত্রীদের পুরুলিয়া শহরের নামোপাড়ার স্কুলে। পুরুলিয়া শক্তি সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে রক্ত পরীক্ষা স্কল ছাত্র-ছাত্রীদের পুরুলিয়া শহরের নামোপাড়ার স্কুলে। শিবির ঘিরে বাড়ির অভিভাবকদের ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রবল সহ কি জানালেন উদ্যোক্তা ও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।1
- বাঘমুণ্ডিতে প্রীতিকা হত্যাকাণ্ডে ক্ষোভ, পরিবারের পাশে বিধায়ক বাঘমুণ্ডিতে প্রীতিকা হত্যাকাণ্ডে ক্ষোভ, পরিবারের পাশে বিধায়ক। পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডিতে নার্সিং ছাত্রী প্রীতিকা মাহাতোর (১৯) মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। সোমবার মৃতার বুড়দা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন বাঘমুণ্ডির বিধায়ক রহিদাস মাহাতো। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা বিজেপি সভাপতি শঙ্কর মাহাতো, জেলা পরিষদ সদস্য রাকেশ মাহাতো-সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরিবার ও গ্রামবাসীরা অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি তোলেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন বিধায়ক। রবিবার গভীর রাতে বলরামপুর-বাঘমুণ্ডি সড়কে নাকা তল্লাশির সময় সন্দেহজনক এক বাইক আরোহীকে আটক করে পুলিশ। বাইকে থাকা ভারী বস্তা খুলতেই প্রীতিকার দেহ উদ্ধার হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনায় অমিত কুমার মাহাতো নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত তাকে ৯ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় ন্যায়বিচারের দাবিতে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।1
- পুরোনো একটি মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা সহ ৩, আজ তাদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়। পুরোনো একটি মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা সহ ৩, আজ তাদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়।1
- চিচুড়িয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ‘মদের আসর’! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর জামুড়িয়া -: সরকারি পঞ্চায়েত ভবনের ভিতরে বসে কয়েকজনের খাওয়া-দাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জামুড়িয়ার চিচুড়িয়া এলাকায়। ভাইরাল ভিডিওটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এবং সেখানে থাকা পানীয় আদৌ মদ কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চিচুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে একটি ঘরে কয়েকজন বসে রয়েছেন। সামনে খাবার ও পানীয় রাখা রয়েছে। তাঁদের হাতে গ্লাসও দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্যকে ঘিরেই মদের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে ভিডিওটি কখনকার এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে সেটি ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভিডিওতে দেখা কয়েকজনের মধ্যে কেউ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। যদিও তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং ভিডিওতে তাঁদের উপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ছাড়া স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি পঞ্চায়েত ভবনে কীভাবে এমন জমায়েত হল এবং অফিস বন্ধ থাকার সময় সেখানে কারা প্রবেশের অনুমতি পেলেন? প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হলে ভিডিওটির সত্যতা, ঘটনার সময় এবং সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।1
- ১০১ ঘটের মঙ্গল শোভাযাত্রায় সূচনা গণেশ পূজার, উৎসবে মাতল বলরামপুরের রাঙ্গাডি গ্রাম ভাদ্র মাসের পবিত্র শুক্লা চতুর্থী তিথিতে সিদ্ধিদাতা গণপতির আরাধনায় মেতে উঠল পুরুলিয়া জেলার বলরামপুরের রাঙ্গাডি গ্রাম। মঙ্গলবার মহাসমারোহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সূচনা হল ঐতিহ্যবাহী সর্বজনীন গণেশ পূজার। পূজার প্রথম দিনেই গ্রামজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। সকালে ঢাঁক-কাঁসর ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পুণ্যতোয়া পুকুর ঘাট থেকে গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ ১০১টি ঘট ও মঙ্গলকলশ নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রা পূজা মণ্ডপে পৌঁছনোর পর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও যথাযথ আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণপতির প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও পূজা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে ‘বলরামপুর রাঙ্গাডি সর্বজনীন গণেশ পূজা কমিটি’-র উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে এই পূজা হয়ে আসছে। এ বছর পূজা ১৮তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। উদ্যোক্তা নীলকমল তন্তুবায় এবং প্রধান পুরোহিত হরলাল ওঝা জানান, রাঙ্গাডি গ্রামবাসীর সার্বিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই প্রতি বছর এই পূজা সাফল্যমণ্ডিত হয়ে ওঠে। কমিটি সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্য মেনে এবছরও দুই দিনব্যাপী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিন থাকছে পুজো-অর্চনা ও ধর্মীয় আবহ। পরদিন বিহিত পূজা, হোম, ঘটকলশ বিসর্জনের পাশাপাশি ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি বিতরণ করা হবে। গণেশ চতুর্থীর পুণ্য তিথিতে ভক্তদের উচ্ছ্বাস ও অংশগ্রহণে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে গোটা রাঙ্গাডি গ্রাম।1
- দত্ত বাঁধ কালী মন্দির সংলগ্ন নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে ধুমধাম করে গণেশ চতুর্থীর পুজো সাঁওতালডি থানার দত্ত বাঁধ কালী মন্দির সংলগ্ন নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করা হলো। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে গণেশ চতুর্থীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে শুরু হয়ে যায় পুজোর আয়োজন। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে গণেশ দেবতার পুজো সম্পন্ন করার পর হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। পুজো ও যজ্ঞে অংশ নেন এলাকার ভক্তরা। পুজোকে কেন্দ্র করে মন্দির চত্বরে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। পুজো শেষে উপস্থিত ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। নবনির্মিত গণেশ মন্দিরে এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা যায়।1