Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘীর বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ! মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘীর বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য !
রাজেন্দ্র নাথ দত্ত
মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘীর বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ! মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘীর বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য !
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জঙ্গীপুর স্ট্রং রুমের লাইট ও ক্যামেরা বন্ধের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ ও পুলিশকে হুমকি সাগরদীঘির তৃণমূল বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের। গভীর রাত্রে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধের অভিযোগ। খবর পেয়ে ভোররাতে ছুটে গেলেন সাগরদিঘীর বিধানসভার বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। এদিন গিয়ে তিনি সিসিটিভি এবং বাইরের যে ক্যামেরা তা বন্ধ করা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। বায়রন বিশ্বাসের দাবি, গভীর রাত্রে দীর্ঘক্ষণ ধরে লাইট বন্ধ ছিল স্ট্রং রুমের। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বলার পরও কোন সমাধান না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে ছুটে আছেন বিধায়ক। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের হারানোর জন্যই একধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন বায়রন। স্ট্রং রুমের দায়িত্বরত অফিসারদের ভূমিকা নিয়েও ফের একবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বায়রন।1
- জঙ্গীপুর স্ট্রং রুমের লাইট ও ক্যামেরা বন্ধের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ ও পুলিশকে হুমকি সাগরদীঘির তৃণমূল বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের। গভীর রাত্রে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধের অভিযোগ। খবর পেয়ে ভোররাতে ছুটে গেলেন সাগরদিঘীর বিধানসভার বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। এদিন গিয়ে তিনি সিসিটিভি এবং বাইরের যে ক্যামেরা তা বন্ধ করা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। বায়রন বিশ্বাসের দাবি, গভীর রাত্রে দীর্ঘক্ষণ ধরে লাইট বন্ধ ছিল স্ট্রং রুমের। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বলার পরও কোন সমাধান না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে ছুটে আছেন বিধায়ক। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের হারানোর জন্যই একধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন বায়রন। স্ট্রং রুমের দায়িত্বরত অফিসারদের ভূমিকা নিয়েও ফের একবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বায়রন।1
- এই মুহূর্তে বড় খবর ডোমকলে1
- Post by সত্য দর্পণ1
- প্রচন্ড গরমের মধ্যে থেকে মুক্তি পেতে ভাগীরথী নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল বাড়ির গৃহকর্তা। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের ভৈরব তলা ঘাটের ভাগীরথী নদীতে। ষাটের ওই ব্যক্তির নাম হাবল হরিজন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেইমতো এদিন প্রচন্ড গরমে আচমকায় স্নান করতে যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাসের ভাগীরথী নদীতে স্নান করতে নামার পরই জলে তলিয়ে যান তিনি।1
- Post by ATRI CHAKRABORTY4
- মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘীর বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য !1
- Post by Gousalazammir1
- নবদ্বীপথেকে বাংলায় ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর ডাক যোগীর -গরম উপেক্ষা করে সভায় জনসমুদ্র,। নিজস্ব সংবাদ দাতাঃ নদীয়াঃ নদীয়ার নবদ্বীপে নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চে কার্যত তাপমাত্রা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বিজেপি প্রার্থী শ্রুতি শেখর গোস্বামীর সমর্থনে চটির মাঠে আয়োজিত শনিবারের এই জনসভা ঘিরে সকাল থেকেই জমতে শুরু করে ভিড়। নির্ধারিত সময় সকাল ১১টা হলেও, প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে সভাস্থলে পৌঁছন যোগী। কিন্তু সেই বিলম্ব সত্ত্বেও কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহে ভাটা পড়েনি—প্রবল রোদ ও তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষকে মাঠে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সভাস্থলে পৌঁছনোর আগেই গোটা এলাকা জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। বিজেপির পতাকা, ব্যানার, স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চটির মাঠ ও সংলগ্ন এলাকা। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রুতি শেখর গোস্বামী, জেলা সভাপতি অপর্না নন্দী সহ একাধিক জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব। যোগী মঞ্চে উঠতেই ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা, যা সভার আবহকে আরও তীব্র করে তোলে। ভাষণের শুরুতেই নবদ্বীপের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় গুরুত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন যোগী। তিনি বলেন, “৫০০ বছর আগে মহাপ্রভু হরেকৃষ্ণ নামের মাধ্যমে সারা বিশ্বকে আকৃষ্ট করেছিলেন। সেই আধ্যাত্মিক শক্তি আজও এই ভূমিতে বিরাজমান।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্থানীয় ধর্মীয় আবেগকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন তিনি। ধর্মীয় আবহ তৈরি করার পরই রাজনৈতিক সুর আরও চড়া করেন যোগী। তিনি বলেন, “৪ তারিখের পরে তৃণমূলী দুষ্কৃতীদের আর লুকানোর জায়গা থাকবে না। বাংলায় খেলা শেষ, উন্নয়ন শুরু হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। নবদ্বীপের এক বিজেপি কর্মী সঞ্জয় ভৌমিকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের ‘দুষ্কৃতীরা’ এখনও শাস্তির বাইরে রয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে তুলনা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে উত্তর প্রদেশের অতীত পরিস্থিতির তুলনা টেনে যোগী বলেন, “২০১৭ সালের আগে উত্তর প্রদেশেও একই অবস্থা ছিল। ধর্মীয় স্লোগান দিলেও লাঠি চলত। আজ সেখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার—না কার্ফু, না দাঙ্গা, সবকিছু শান্তিপূর্ণ।” তিনি দাবি করেন, উত্তর প্রদেশে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের ফলে অপরাধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি ‘বুলডোজার মডেল’-এর উল্লেখ করে বলেন, “বুলডোজার শুধু রাস্তা তৈরি করে না, অপরাধীদেরও শায়েস্তা করে।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় -কে সরাসরি আক্রমণ করে যোগী বলেন, “হিন্দুদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ করার চেষ্টা সফল হবে না। বাংলায় গোমাতাকে হত্যা করতে দেব না, হিন্দুদের মধ্যে বিভাজনও হতে দেব না।” তাঁর এই বক্তব্যে ধর্মীয় মেরুকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভোটের আহ্বান ও আত্মবিশ্বাস সভা থেকে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান যোগী। । তাঁর কথায়, “ফলাফলের দিন নবদ্বীপেও গেরুয়া পতাকা উড়বে।” বিজেপি শিবিরে এই সভার পর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলেই দাবি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণ এই সভা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একদিকে বিজেপি এই সভাকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই বক্তব্যকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে সমালোচনা করা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নবদ্বীপের মতো ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই ধরনের ভাষণ ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ধর্ম, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন—এই তিনটি ইস্যুকে সামনে রেখে বিজেপি যে কৌশল নিয়েছে, তা আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে। সব মিলিয়ে, নবদ্বীপের চটির মাঠের এই জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং আসন্ন নির্বাচনের আগে শক্তি প্রদর্শন ও ভোটারদের মনস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলার একটি বড় প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার, এই আগ্রাসী প্রচার কতটা ভোটে প্রতিফলিত হয় এবং নবদ্বীপের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা পরিবর্তন আনে।1