প্রতিশ্রুতি রাখলেন অভিজিৎ দে ভৌমিক, নতুন পায়ে ফের হাঁটার স্বপ্ন পূরণের পথে পূর্ণিমা কথা দিয়েছিলেন, আর সেই কথাই রাখলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। মানবিক উদ্যোগে এক তরুণীর জীবনে ফিরতে চলেছে নতুন আশার আলো। কোচবিহারের পুসনারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ১৯ বছরের পূর্ণিমা বর্মন এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারান। হঠাৎ করেই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ থমকে যায় তার। পরিবার এবং স্থানীয়দের কাছে এটি ছিল এক গভীর দুঃসময়ের মুহূর্ত। ঠিক সেই সময় পূর্ণিমার পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি আশ্বাস দেন, পূর্ণিমাকে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবেন এবং তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ সুগম করবেন। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে পূর্ণিমার জন্য কৃত্রিম পা বসানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় মাপ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত যত্ন সহকারে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা কৃত্রিম পা পেয়ে আবার হাঁটতে পারবেন—এমনটাই আশা চিকিৎসক মহলের। এই উদ্যোগে শুধুমাত্র চিকিৎসা সহায়তাই নয়, পূর্ণিমার মানসিক শক্তি বাড়াতেও জোর দিচ্ছেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পূর্ণিমার সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তার পাশে থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সব রকম সহায়তা প্রদান করবেন। ভবিষ্যতেও যাতে পূর্ণিমা স্বনির্ভরভাবে জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। বিপদের সময় একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মত তাঁদের। একটি প্রতিশ্রুতি, এক মানবিক উদ্যোগ এবং এক তরুণীর নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন—সব মিলিয়ে এই ঘটনায় কোচবিহার জেলায় তৈরি হয়েছে এক অনুপ্রেরণার নজির। এখন সকলেরই একটাই প্রত্যাশা, খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা আবার নিজের পায়ে হেঁটে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।
প্রতিশ্রুতি রাখলেন অভিজিৎ দে ভৌমিক, নতুন পায়ে ফের হাঁটার স্বপ্ন পূরণের পথে পূর্ণিমা কথা দিয়েছিলেন, আর সেই কথাই রাখলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। মানবিক উদ্যোগে এক তরুণীর জীবনে ফিরতে চলেছে নতুন আশার আলো। কোচবিহারের পুসনারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ১৯ বছরের পূর্ণিমা বর্মন এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারান। হঠাৎ করেই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ থমকে যায় তার। পরিবার এবং স্থানীয়দের কাছে এটি ছিল এক গভীর দুঃসময়ের মুহূর্ত। ঠিক সেই সময় পূর্ণিমার পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি আশ্বাস দেন, পূর্ণিমাকে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবেন এবং তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ সুগম করবেন। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে পূর্ণিমার জন্য কৃত্রিম পা বসানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় মাপ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত যত্ন সহকারে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা কৃত্রিম পা পেয়ে আবার হাঁটতে পারবেন—এমনটাই আশা চিকিৎসক মহলের। এই উদ্যোগে শুধুমাত্র চিকিৎসা সহায়তাই নয়, পূর্ণিমার মানসিক শক্তি বাড়াতেও জোর দিচ্ছেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পূর্ণিমার সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তার পাশে থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সব রকম সহায়তা প্রদান করবেন। ভবিষ্যতেও যাতে পূর্ণিমা স্বনির্ভরভাবে জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। বিপদের সময় একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মত তাঁদের। একটি প্রতিশ্রুতি, এক মানবিক উদ্যোগ এবং এক তরুণীর নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন—সব মিলিয়ে এই ঘটনায় কোচবিহার জেলায় তৈরি হয়েছে এক অনুপ্রেরণার নজির। এখন সকলেরই একটাই প্রত্যাশা, খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা আবার নিজের পায়ে হেঁটে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।
- মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ1
- *সাইকেল চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- নির্বাচনী সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী । তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, চাকরির নিয়োগের পরীক্ষায় যারা টাকা নিয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমনকি কড়া মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে, তাদের এই রাজ্যে থাকার অধিকার নেই—প্রয়োজনে তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরাসরি শাসক দলকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতির কারণে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, আর অন্যদিকে অর্থের বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, এটি একটি প্রজন্মের স্বপ্ন ধ্বংস করার সমান।” আরও দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করে প্রকৃত যোগ্যদের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর কথায়, “যুব সমাজের আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” সভায় উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এবং আসন্ন নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতিকে তিনি নির্বাচনের একটি বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ‘বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া’ মন্তব্যটি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে সমালোচনা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।1
- Post by Jakir Islam1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by Goutam laskar4
- দিনহাটায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে বিজেপির বড় জয়ের দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে ২০০-র বেশি এবং অসমে ১০০-র বেশি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। এই দাবিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বাস্তবে কতটা মিলবে এই পূর্বাভাস, তা জানার অপেক্ষায় ভোটের ফলাফল1
- *বিধানসভা ভোট প্রচারে কুচবিহারে অভিজিৎ দে ভৌমিককের সমর্থনে সায়নী ঘোষ ।1