Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ
Uttorer Hawa উত্তরের হাওয়া
মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কথা দিয়েছিলেন, আর সেই কথাই রাখলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। মানবিক উদ্যোগে এক তরুণীর জীবনে ফিরতে চলেছে নতুন আশার আলো। কোচবিহারের পুসনারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ১৯ বছরের পূর্ণিমা বর্মন এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারান। হঠাৎ করেই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ থমকে যায় তার। পরিবার এবং স্থানীয়দের কাছে এটি ছিল এক গভীর দুঃসময়ের মুহূর্ত। ঠিক সেই সময় পূর্ণিমার পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি আশ্বাস দেন, পূর্ণিমাকে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবেন এবং তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ সুগম করবেন। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে পূর্ণিমার জন্য কৃত্রিম পা বসানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় মাপ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত যত্ন সহকারে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা কৃত্রিম পা পেয়ে আবার হাঁটতে পারবেন—এমনটাই আশা চিকিৎসক মহলের। এই উদ্যোগে শুধুমাত্র চিকিৎসা সহায়তাই নয়, পূর্ণিমার মানসিক শক্তি বাড়াতেও জোর দিচ্ছেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পূর্ণিমার সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তার পাশে থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সব রকম সহায়তা প্রদান করবেন। ভবিষ্যতেও যাতে পূর্ণিমা স্বনির্ভরভাবে জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। বিপদের সময় একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মত তাঁদের। একটি প্রতিশ্রুতি, এক মানবিক উদ্যোগ এবং এক তরুণীর নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন—সব মিলিয়ে এই ঘটনায় কোচবিহার জেলায় তৈরি হয়েছে এক অনুপ্রেরণার নজির। এখন সকলেরই একটাই প্রত্যাশা, খুব শীঘ্রই পূর্ণিমা আবার নিজের পায়ে হেঁটে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।1
- নন্দীগ্রামের ফলাফল কি হবে আগাম জানালেন। কলকাতায় ১১ টি আসনের মধ্যে ৩ থেকে ৪ টি আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে: বক্তা সায়ন্তন গুহ1
- Post by Jakir Islam1
- মাথাভাঙ্গায় বিজেপির নির্বাচনি জনসভায় উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ1
- সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে গোসানিমারিতে নির্বাচনী জনসভা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার বিকেল নাগাদ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গোসানিমারি কামতেশ্বরি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় নির্বাচনে জনসভা করেন। সেখান থেকেও বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি। এদিন দলীয় প্রার্থী আশুতোষ বর্মার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা করেন তিনি বলে জানা যায়1
- গোসানিমারিতে সিতাই ৬ নং বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মার সমর্থনে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আসলেন সভা মঞ্চে বক্তব্য রাখেন1
- *৬ নং বিধানসভা গিদালদহ এলাকায় ভোট প্রচার সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা।।1
- আসামে ১০০ সিট দিনহাটায় নির্বাচনী জনসভা শেষে জানালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা1
- কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রচারে তীব্র রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার আরও একবার সামনে এল। প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “বাদরামি করলে বাদরামি তাড়ানোর ওষুধ জানা আছে, সময় মতো প্রয়োগ করা হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রচারের সময় তিনি দাবি করেন, এলাকায় বিজেপির জনসমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং বিরোধীরা তা মেনে নিতে না পেরে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে । মনোজ কুমার ওরাও আরও বলেন, ভোট গণতান্ত্রিক অধিকার, তাই মানুষ যেন নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, “কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করে, তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরনের মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলে দাবি করা হয়েছে। দলের নেতাদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি নজরে রাখার আবেদন জানিয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। কুমারগ্রামও তার ব্যতিক্রম নয়। এখন দেখার বিষয়, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ভোট কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।1