নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে হুঁশিয়ারি বিজেপি প্রার্থীর, বাদরামি করলে বাদরামি তাড়ানোর ওষুধ জানা আছে কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রচারে তীব্র রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার আরও একবার সামনে এল। প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “বাদরামি করলে বাদরামি তাড়ানোর ওষুধ জানা আছে, সময় মতো প্রয়োগ করা হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রচারের সময় তিনি দাবি করেন, এলাকায় বিজেপির জনসমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং বিরোধীরা তা মেনে নিতে না পেরে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে । মনোজ কুমার ওরাও আরও বলেন, ভোট গণতান্ত্রিক অধিকার, তাই মানুষ যেন নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, “কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করে, তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরনের মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলে দাবি করা হয়েছে। দলের নেতাদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি নজরে রাখার আবেদন জানিয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। কুমারগ্রামও তার ব্যতিক্রম নয়। এখন দেখার বিষয়, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ভোট কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে হুঁশিয়ারি বিজেপি প্রার্থীর, বাদরামি করলে বাদরামি তাড়ানোর ওষুধ জানা আছে কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রচারে তীব্র রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার আরও একবার সামনে এল। প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “বাদরামি করলে বাদরামি তাড়ানোর ওষুধ জানা আছে, সময় মতো প্রয়োগ করা হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রচারের সময় তিনি দাবি করেন, এলাকায় বিজেপির জনসমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং বিরোধীরা তা মেনে নিতে না পেরে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে । মনোজ কুমার ওরাও আরও বলেন, ভোট গণতান্ত্রিক অধিকার, তাই মানুষ যেন নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, “কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করে, তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরনের মন্তব্যকে উস্কানিমূলক বলে দাবি করা হয়েছে। দলের নেতাদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি নজরে রাখার আবেদন জানিয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। কুমারগ্রামও তার ব্যতিক্রম নয়। এখন দেখার বিষয়, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ভোট কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
- মাঘপলা স্কুলে মাঠে নির্বাচনী জনসভায় হঠাৎ গান গেয়ে উঠলেন সায়নী ঘোষ1
- *সাইকেল চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- নির্বাচনী সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী । তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, চাকরির নিয়োগের পরীক্ষায় যারা টাকা নিয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমনকি কড়া মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে, তাদের এই রাজ্যে থাকার অধিকার নেই—প্রয়োজনে তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরাসরি শাসক দলকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতির কারণে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, আর অন্যদিকে অর্থের বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, এটি একটি প্রজন্মের স্বপ্ন ধ্বংস করার সমান।” আরও দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করে প্রকৃত যোগ্যদের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর কথায়, “যুব সমাজের আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” সভায় উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এবং আসন্ন নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতিকে তিনি নির্বাচনের একটি বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ‘বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া’ মন্তব্যটি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে সমালোচনা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।1
- Post by Jakir Islam1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by Goutam laskar4
- দিনহাটায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে বিজেপির বড় জয়ের দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে ২০০-র বেশি এবং অসমে ১০০-র বেশি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। এই দাবিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বাস্তবে কতটা মিলবে এই পূর্বাভাস, তা জানার অপেক্ষায় ভোটের ফলাফল1
- *বিধানসভা ভোট প্রচারে কুচবিহারে অভিজিৎ দে ভৌমিককের সমর্থনে সায়নী ঘোষ ।1