Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাথাভাঙা SD হাসপাতালের একটি কোয়ার্টার থেকে বিপুল পরিমাণ জীবনদায়ী ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।
Mansai News
মাথাভাঙা SD হাসপাতালের একটি কোয়ার্টার থেকে বিপুল পরিমাণ জীবনদায়ী ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পুরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থনাথ সরকার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চঞ্চল সাহার উপস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। পার্থনাথ সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, চঞ্চল সাহা সভায় অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাঁর সই কীভাবে পুরসভার রেজিউলেশন খাতায় এলো, সেই বিষয়ে তাঁরা বিস্তারিত জানতে চান।1
- আলিপুরদুয়ার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তার নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, রাস্তার কাজের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেলেও দীর্ঘদিন ধরে কাজটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যার ফলে এলাকার মানুষকে প্রতিদিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা শনিবার সকাল থেকে রাস্তার উপর অবস্থান নিয়ে পথ অবরোধ শুরু করেন। তাদের প্রধান দাবি ছিল, দ্রুত রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হোক, কারণ একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বর্ষা আসন্ন হওয়ায় অসমাপ্ত রাস্তার কারণে জল জমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা এই অবস্থাকে সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও কাজ শেষ না হওয়া প্রশাসনিক গাফিলতি এবং নির্মাণ সংস্থার দায়িত্বহীনতার চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে কাজ শেষ করার পাশাপাশি এই অনিয়মের তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। পথ অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে। দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ করার আশ্বাস পাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এলাকাবাসীরা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত কাজ শুরু না হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন।1
- কোচবিহারে সদর ট্রাফিক পুলিশ টোটোর বিরুদ্ধে কড়াকড়ি আরোপ করে একটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।1
- মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালের সরকারি কোয়ার্টার থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দুজন যুবক কোয়ার্টার থেকে বেশ কিছু প্যাকেট ওষুধ নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছিল। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের বাধা দিলে, ওই দুই যুবক ওষুধ ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আলিবার হোসেন নামে এক ব্যক্তি, যিনি হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করতেন, তিনি সুপারের মদতে বেআইনিভাবে সরকারি কোয়ার্টারে ওষুধ মজুত করেছিলেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে স্ট্রংরুম থাকা সত্ত্বেও কেন সরকারি কোয়ার্টারে ওষুধ মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বিজেপির দাবি, সুপারের মদতেই বেআইনিভাবে এই ওষুধ মজুত করা হয়েছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল ওষুধের কালোবাজারি করা। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ওষুধের কালোবাজারির অভিযোগে তারা সুপারের পদত্যাগ দাবি করেছেন।1
- কোচবিহারের জেলা পরিষদে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে।1
- দিনহাটা শহরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠায় প্রশাসন এবং দিনহাটা পুরসভা ফুটপাত জবরদখল মুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরসভার পক্ষ থেকে রীতিমতো মাইকিং করে জবরদখলকারীদের তাদের নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছে যে, নির্দেশ অমান্য করলে প্রশাসনের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে দিনহাটা পুরসভার পাঁচমাথা মোড় থেকে মূল রাস্তার দু'ধার এবং হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকা ফুটপাত দখল করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ব্যবসা করে আসছেন। একই অবস্থা রংপুর রোড, সাহেবগঞ্জ রোড, বলরামপুর রোড এবং গোসানি রোডেও। বিশেষ করে দিনহাটা পাঁচমাথা মোড়ে লটারির দোকান ও ফলের দোকান ব্যবসায়ীদের কব্জায় রয়েছে। এছাড়াও অনেক বড় দোকানও পেছনের দিক থেকে বাড়িয়ে রাস্তার ফুটপাত দখল করে রেখেছে। এদিকে, এদিন মাইকিং শুনে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফুটপাত ব্যবসায়ী খোকন মোদক এবং দিলীপ দেবনাথ প্রমুখরা জানান যে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছেন এবং ব্যবসা করতে না পারলে তাঁদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এই প্রসঙ্গে দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা দে নন্দী বলেন, শহরের আনাচে-কানাচে এবং মূল রাস্তার দু'ধারে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছেন। তিনি আরও জানান যে, মাইকিং করার পর জবরদখলকারীদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং এরপর ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য রীতিমতো অভিযান চালানো হবে।1
- মাথাভাঙা SD হাসপাতালের একটি কোয়ার্টার থেকে বিপুল পরিমাণ জীবনদায়ী ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।1
- বলিউড অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ারকে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উপর জোর দিয়েছেন। শনিবার জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি জানান যে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অরণ্য, বন্যপ্রাণ এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য আলিপুরদুয়ারের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর মতে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জেলাটিকে দেশের পর্যটন মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল জায়গায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। মিঠুন চক্রবর্তী উল্লেখ করেন, ডুয়ার্সের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত আলিপুরদুয়ার শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা দেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। তিনি মনে করেন যে, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের জন্য আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। এদিন তিনি জেলার বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা করেন। টাইগার প্রজেক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে পুরুষ বাঘ থাকলেও প্রকল্পকে আরও সফল করতে স্ত্রী বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। এতে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ প্রকল্প আরও কার্যকর হবে এবং বনভিত্তিক পর্যটনের আকর্ষণও বাড়বে। বিজেপি নেতা স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে জানান, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নের বিষয়গুলি নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। মিঠুন চক্রবর্তী মন্তব্য করেন যে, জেলার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে পর্যটন, স্বাস্থ্য, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আলিপুরদুয়ার আগামী দিনে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে।1