Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভারতীয় সময় ২৫/০৬/২৬ বৃহস্পতিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৩ কিলোমিটার গভীরে। এর ঠিক ৪০ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে এবং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আহত ও নিহতদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ভূমিকম্পের ফলে বহু আবাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ভিডিও চিত্রও প্রকাশিত হয়েছে। এই খবর ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।
Anupam Sarkar Chakraborty
ভারতীয় সময় ২৫/০৬/২৬ বৃহস্পতিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৩ কিলোমিটার গভীরে। এর ঠিক ৪০ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে এবং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আহত ও নিহতদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ভূমিকম্পের ফলে বহু আবাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ভিডিও চিত্রও প্রকাশিত হয়েছে। এই খবর ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।
- Anupam Sarkar ChakrabortyKrishnagar - I, Nadiaদ্বিতীয় ভূমিকম্পটি চল্লিশ সেকেন্ড এর ব্যবধানে হয়, টাইপ করার সময় ভুল করে ৪০ মিনিট লেখা হয়েছে!.... ভিডিওর দৃশ্যগুলি সংগৃহীত।1 day ago
More news from Nadia and nearby areas
- ২৬ জুন, বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে একটি মাদকবিরোধী পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। এই পদযাত্রায় শহরের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ এবং পুলিশ জেলার আধিকারিকরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পদযাত্রাটি কৃষ্ণনগর শহরের রাজপথ পরিক্রমা করে, যা মাদকবিরোধী দিবস পালনের একটি অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়।1
- নদিয়ার নবদ্বীপ ব্লকের ফরেস্টডাঙা এলাকায় কৃষিজমি সংলগ্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি জেসিবি মেশিন এবং তিনটি ট্রাক্টর উদ্ধার করে। অভিযানের খবর পেয়ে শ্রমিক ও চালকেরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতি থানায় নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরেস্টডাঙা এলাকায় চাষের জমির পাশ থেকে বালি ও মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কৃষক রমেশ মাহাতো অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় এক মাস ধরে প্রতিদিন সকাল ছয়-সাতটা থেকে বিকেল পর্যন্ত আট থেকে দশটি ট্রাক্টর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষিজমির পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং জমিতে জল জমে ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে। আরেক কৃষক শিবশঙ্কর দেবনাথও একই অভিযোগ তুলেছেন, যা কৃষিকাজের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এবং ভারী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া প্রদীপ ঘোষ ও প্রতাপ ঘোষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ভূমি ও ভূমি সংস্কার (BLRO) দপ্তরের অনুমতি এবং সরকারি রয়্যালটি প্রদান করেই মাটি কাটা হচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন যে, ২৩ জুন সরকারি রয়্যালটি জমা দেওয়ার পর ২৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চার দিনের জন্য BLRO দপ্তর থেকে তাঁদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, অতীতে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ একাংশ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং তখন তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সমস্ত সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করা হলেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের একাংশ এই ব্যবসায়ীদের দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যদি সরকারি অনুমতি নিয়েই কাজ হয়, তাহলে প্রায় এক মাস ধরে মাটি কাটার অভিযোগ কেন উঠছে? পুলিশ পৌঁছতেই শ্রমিক ও চালকেরা কেন পালিয়ে গেলেন? এবং উদ্ধার হওয়া জেসিবি ও ট্রাক্টর কেন পাশের পাটক্ষেতে রাখা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর ব্যবসায়ীরা দিতে পারেননি। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির অনুমতিপত্র, রয়্যালটির নথি এবং অন্যান্য কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও, ফরেস্টডাঙার একাধিক অনিচ্ছুক বাসিন্দা দাবি করেছেন যে, ভোর থেকেই এলাকায় ট্রাক্টরের দাপাদাপি শুরু হয় এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। ভারী যান চলাচলের ফলে গ্রামের রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হলেও পরে সেই রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তাঁদের অভিযোগ, আগে এক পক্ষ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, এখন অন্য পক্ষ জড়িত, কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যার কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেকে ভয় ও হুমকির আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, বর্তমানে যাঁরা এই মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এবং শুক্রবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক স্থানীয় বুথ সভাপতিকেও ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে, যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সমগ্র ঘটনায় উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির নথিপত্র, অনুমতির বৈধতা এবং বাস্তবে কতদিন ধরে মাটি কাটার কাজ চলছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফরেস্টডাঙার বাসিন্দারা এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে আছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার হাঁসখালি এলাকার রাস্তাটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এই খারাপ রাস্তার কারণে স্থানীয় কিছু মানুষের যাতায়াতে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তরা রাস্তাটি দ্রুত সম্পূর্ণ করার জন্য দাবি জানিয়েছে।1
- মুসলমান সম্প্রদায়ের ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং প্রার্থনার দিন পবিত্র মহরম ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হয়েছে। এই দিনে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এটিকে শোকের দিন হিসেবে পালন করে থাকে। সেই কারণেই শোকের প্রতীক হিসেবে লাঠি খেলা সহ নানান শারীরিক কসরত করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। শিল্পাঞ্চলের নৈহাটির হাজিনগর, ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এই পবিত্র মহরম দিনটি পালন করেছেন।1
- পবিত্র ১০ই মহররমের পুণ্য লগ্নে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই শুভ সূচনা করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সকলের সহযোগিতা, ভালোবাসা ও দোয়ার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নির্মাণকাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা কামনা করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের কালনায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্দরে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা এক 'বিস্ফোরণ'-এর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জেরে দলের কর্মীরা মণ্ডল সভাপতির অপসারণের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।1
- তারাতলা বিপর্যয়ের শিকার হয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকার বাসিন্দা ৫৩ বছর বয়সী স্বপন মন্ডলের মৃত্যুর খবর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নামিয়েছে। মৃতের তালিকায় এবার স্বপন মন্ডলের নাম যুক্ত হওয়ায় বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জগদ্দলের বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার স্বপন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বিধায়ক পরিবারটিকে সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান যে, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মন্ডল পরিবারকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।2
- কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার ২৪/০৬/২৬ মধ্যাহ্নে ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে একটি তিনতলা গোডাউনের ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, যেটি সেই সময় প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এই নির্মাণ কাজের সঙ্গে নদীয়ার কৃষ্ণনগর সংলগ্ন চরশম্ভুনগরের দুই নির্মাণ কর্মী চন্দ্রমা ও রাহুল চৌধুরী যুক্ত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয় এবং তাঁদের মৃতদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে ৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1