বন্যপ্রাণ বাঁচাতে দাসপুরের দুই ভাই নজির গড়লেন নরম খোলসের কচ্ছপ (Soft shell turtle) আমাদের মিষ্টি জলের এক গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণ। স্রোতযুক্ত ও স্রোতহীন নদী, পুকুর, ডোবা, খাল-বিল বা নালায় এদের দেখা মেলে। জলজ উদ্ভিদ, শ্যাওলা, উভচর প্রাণী, এমনকি পচা জৈব পদার্থ খেয়ে এরা জলকে পরিশোধিত রাখে — অর্থাৎ প্রকৃতির নিজের “ক্লিনার” বললেও ভুল হবে না। কিন্তু ভুল ধারণা এখনও সমাজে আছে — কেউ কেউ মনে করেন কচ্ছপের মাংস নাকি রোগ সারায়। বাস্তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিষাক্ত শ্যাওলা খাওয়ার কারণে কচ্ছপের শরীরে টক্সিন জমতে পারে। সেই মাংস খেলে মারাত্মক বিষক্রিয়া এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই পরিবেশের জন্য ভালো হলেও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি বিপজ্জনক। আইন অনুযায়ী কচ্ছপ ধরা, বিক্রি বা খাওয়া — শাস্তিযোগ্য অপরাধ; জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে। এই প্রেক্ষিতেই দাসপুরের ঝুমঝুমি গ্রামের মন্ডল পরিবারের সুমন ও দীপক দুই ভাইয়ের মানবিকতা নজির গড়ল। সোমবার দুপুরে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে তাদের হাতে ধরা পড়ে প্রায় ১৫-১৬ কেজি ওজনের একটি বড় নরম খোলসের কচ্ছপ। চাইলে মোটা টাকায় বিক্রি করা যেত, কিন্তু তারা তা না করে খবর দেন বনদপ্তরে। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউয়ার মলয় ঘোষ এসে কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যান। প্রকৃতি রক্ষার এই ছোট পদক্ষেপই বড় বার্তা দেয় — সচেতনতা থাকলে বন্যপ্রাণ বাঁচে, আর বাঁচে আমাদের পরিবেশও।
বন্যপ্রাণ বাঁচাতে দাসপুরের দুই ভাই নজির গড়লেন নরম খোলসের কচ্ছপ (Soft shell turtle) আমাদের মিষ্টি জলের এক গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণ। স্রোতযুক্ত ও স্রোতহীন নদী, পুকুর, ডোবা, খাল-বিল বা নালায় এদের দেখা মেলে। জলজ উদ্ভিদ, শ্যাওলা, উভচর প্রাণী, এমনকি পচা জৈব পদার্থ খেয়ে এরা জলকে পরিশোধিত রাখে — অর্থাৎ প্রকৃতির নিজের “ক্লিনার” বললেও ভুল হবে না। কিন্তু ভুল ধারণা এখনও সমাজে আছে — কেউ কেউ মনে করেন কচ্ছপের মাংস নাকি রোগ সারায়। বাস্তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিষাক্ত শ্যাওলা খাওয়ার কারণে কচ্ছপের শরীরে টক্সিন জমতে পারে। সেই মাংস খেলে মারাত্মক বিষক্রিয়া এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই পরিবেশের জন্য ভালো হলেও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি বিপজ্জনক। আইন অনুযায়ী কচ্ছপ ধরা, বিক্রি বা খাওয়া — শাস্তিযোগ্য অপরাধ; জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে। এই প্রেক্ষিতেই দাসপুরের ঝুমঝুমি গ্রামের মন্ডল পরিবারের সুমন ও দীপক দুই ভাইয়ের মানবিকতা নজির গড়ল। সোমবার দুপুরে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে তাদের হাতে ধরা পড়ে প্রায় ১৫-১৬ কেজি ওজনের একটি বড় নরম খোলসের কচ্ছপ। চাইলে মোটা টাকায় বিক্রি করা যেত, কিন্তু তারা তা না করে খবর দেন বনদপ্তরে। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউয়ার মলয় ঘোষ এসে কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যান। প্রকৃতি রক্ষার এই ছোট পদক্ষেপই বড় বার্তা দেয় — সচেতনতা থাকলে বন্যপ্রাণ বাঁচে, আর বাঁচে আমাদের পরিবেশও।
- নরম খোলসের কচ্ছপ (Soft shell turtle) আমাদের মিষ্টি জলের এক গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণ। স্রোতযুক্ত ও স্রোতহীন নদী, পুকুর, ডোবা, খাল-বিল বা নালায় এদের দেখা মেলে। জলজ উদ্ভিদ, শ্যাওলা, উভচর প্রাণী, এমনকি পচা জৈব পদার্থ খেয়ে এরা জলকে পরিশোধিত রাখে — অর্থাৎ প্রকৃতির নিজের “ক্লিনার” বললেও ভুল হবে না। কিন্তু ভুল ধারণা এখনও সমাজে আছে — কেউ কেউ মনে করেন কচ্ছপের মাংস নাকি রোগ সারায়। বাস্তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিষাক্ত শ্যাওলা খাওয়ার কারণে কচ্ছপের শরীরে টক্সিন জমতে পারে। সেই মাংস খেলে মারাত্মক বিষক্রিয়া এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই পরিবেশের জন্য ভালো হলেও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি বিপজ্জনক। আইন অনুযায়ী কচ্ছপ ধরা, বিক্রি বা খাওয়া — শাস্তিযোগ্য অপরাধ; জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে। এই প্রেক্ষিতেই দাসপুরের ঝুমঝুমি গ্রামের মন্ডল পরিবারের সুমন ও দীপক দুই ভাইয়ের মানবিকতা নজির গড়ল। সোমবার দুপুরে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে তাদের হাতে ধরা পড়ে প্রায় ১৫-১৬ কেজি ওজনের একটি বড় নরম খোলসের কচ্ছপ। চাইলে মোটা টাকায় বিক্রি করা যেত, কিন্তু তারা তা না করে খবর দেন বনদপ্তরে। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউয়ার মলয় ঘোষ এসে কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যান। প্রকৃতি রক্ষার এই ছোট পদক্ষেপই বড় বার্তা দেয় — সচেতনতা থাকলে বন্যপ্রাণ বাঁচে, আর বাঁচে আমাদের পরিবেশও।1
- বিজেপি ভোটে জিতে বাংলাকে শ্মশানে রূপান্তরিত করবে ঝাঁটা মেরে বিজেপিকে তাড়ানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক1
- ফের পথ দু্র্ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরে। আজ দুপুরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ধর্মা-কেশপুর রাজ্য সড়কের মাইতিরগোলা এলাকায় মারুতির সাথে একটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনার জেরে দুমড়ে মুচড়ে যায় মারুতি ভ্যান টি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মারুতির চালক সহ দু'জনের। জখম আরো ৩ জন। এই দুটি গাড়ির সংঘর্ষের মাঝে পড়ে যায় দুটি বাইকও। ঘটনার পর রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রনের দাবিতে বেশ কিছুক্ষন পথ অবরোধ করে এলাকাবাসীরা। ঘটনার জেরে বেশকিছুক্ষন যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এই রাস্তায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।1
- চার্জশিট জবাব চায় চন্দ্রকোনা। চন্দ্রকোনায় উন্নয়ন করেনি শাসক বিধায়ক তাই সে অন্য উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরল বিজেপি। তৃণমূলের অসম্পূর্ণ কাজ বিজেপি ক্ষমতায় এলে করবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা বিধানসভার রামিজীবনপুর দলীয় কার্যালয় থেকে আজ সন্ধ্যায় এমনই বার্তা দিলেন আর আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি।1
- গ্রামে নেই পানীয় জল ,তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জলে এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের ।1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বাজার সূত্রে জানা যাচ্ছে, সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও কিছু মাছ ও সবজির দামে হালকা ওঠানামা রয়েছে। সপ্তাহের মাঝামাঝি বাজারে ভিড় তুলনামূলক কম থাকায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।1
- Post by Sangbad Medinipur1
- হুমায়ুন কবির নবান্ন দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন1