Shuru
Apke Nagar Ki App…
স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয়ে মেলা। ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২নং ব্লকের কুলিয়ানা অঞ্চলে আয়োজিত হয়েছে এই মেলা। ২য় বর্ষে পা দিল এবছরের মেলা।
জঙ্গলমহল
স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয়ে মেলা। ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২নং ব্লকের কুলিয়ানা অঞ্চলে আয়োজিত হয়েছে এই মেলা। ২য় বর্ষে পা দিল এবছরের মেলা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পিংলায় বিরোধীদের কড়া বার্তা—ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ সবেরাতির তীব্র হুঁশিয়ারি।1
- #উন্নয়নের_সংলাপে_মানুষের_ঢল। #পূর্ব_মেদিনীপুর_জেলা: এগরা ব্লক ২ মঞ্জুশ্রী অঞ্চলে পাড়ায় সংলাপ নিয়ে এদিন তারা মায়ের মন্দিরে পূজো দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় উন্নয়নের বার্তা নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছালেন বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি।1
- গড়বেতার চন্দ্রকোনা রোডে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎ করে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা চালায় তৃণমূল বলে অভিযোগ, পাল্টা পথ অবরোধ করল বিজেপি দোষীদের গ্রেফতারির দাবিতে পুলিশ বীট হাউসে অবস্থানে বিরোধী দলনেতা স্থানীয় সূত্রে খবর পুরুলিয়ার জনসভা সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানার চন্দ্রকোনা রোডের সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিলা গ্রামের গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতিদের হামলার মুখে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা ভিডিও জারি করে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য ওখানে উপস্থিত ছিল বিজেপিও, সিআরপিএফ জওয়ান বিজেপি নেতা গৌতম কৌড়ীকে মারধর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। গাড়ি থেকে নেমে তিনি সরাসরি এই ঘটনার জন্য শাসকদলকে দায়ী করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি চন্দ্রকোনা রোডের পুলিশ বিট হাউসে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত এই হামলার সাথে যুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ আমার এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে।” ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও হামলাকারীদের বচসা বাঁধে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে অনড় রয়েছেন বিরোধী দলনেতা। চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।1
- জেলার সব থানায় ফুটবলের জোয়ার, শুরু জেলা পুলিশের ‘জার্মান কাপ’1
- দাসপুর থানা এলাকায় পুলিশের উদ্যোগে ফুটবলের মহা যুদ্ধ। এলাকার সরকারি হাই স্কুলের অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করছে এই খেলায়। দাসপুর সবুজ সংঘ ময়দান ও কলড়া ফুটবল ময়দানে এই খেলা শুরু হয়েছে ১০ জানুয়ারি শনিবার থেকে। দাসপুর থানার অধীন মোট কুড়িটি স্কুলের ফুটবল টিম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এখান থেকে দুটি দল মহকুমাস্তরে অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে জেলা স্তরে বাছাই করা ফুটবল খেলোয়াড়দের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ওই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্কুলের এই প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে একাধিক জায়গায় এবং বড় টুর্নামেন্টে খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং দাসপুর থানার ব্যবস্থাপনায় এই খেলা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগ ও বিভিন্ন থানার সহযোগিতায় স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে এই ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন যেভাবে খেলাধুলাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তাতে আগামী দিনে খেলাধুলার মাধ্যমেও যে ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব, তা স্পষ্ট।1
- দাসপুরে শুরু হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় জার্মান কাপ অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতা2
- প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে রাজ্য গীত গেয়ে ছাত্রছাত্রীরা দেশ ও রাজ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ঐক্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক চেতনা আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা।1
- বিরোধী দলনেতার হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন অমল পন্ডা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। বেকারত্ব, দুর্নীতি, লুট, নারী নির্যাতন এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয় বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের সভায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভাস্থল জুড়ে গেরুয়া রঙে ভরে ওঠে এলাকা, যা রাজনৈতিকভাবে ডেবরা ও আশপাশের বিধানসভাগুলিতে বিজেপির শক্তি প্রদর্শনের বার্তা বহন করে। এই সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল সবং বিধানসভার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা অমল পণ্ডার বিজেপিতে যোগদান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অমল পণ্ডা এক সময় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সবং ও গোটা জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাঁর নখদর্পণে। এমন একজন হেভিওয়েট নেতার দলবদল ডেবরা ও সবং বিধানসভা সহ গোটা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।1