Shuru
Apke Nagar Ki App…
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলিতে আজ এবং কাল বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলাগুলিতে বিকেল থেকে রাতের মধ্যে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি থাকবে। অন্যদিকে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশি অনুভূত হবে।
Tarak Hari
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলিতে আজ এবং কাল বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলাগুলিতে বিকেল থেকে রাতের মধ্যে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি থাকবে। অন্যদিকে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশি অনুভূত হবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বাংলা সংগীত জগতের কিংবদন্তি শিল্পী মান্না দে-র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৪ মে, রবিবার, মেদিনীপুরে এক বিশেষ সাংগীতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। মেদিনীপুর কলেজের ‘বিবেকানন্দ প্রেক্ষাগৃহে’ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান, যার নাম দেওয়া হয়েছে “ভালোবাসার নজরানাদে”। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মান্না দে কেবল বাংলা গান নয়, ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসেও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি এবং সুরেলা কণ্ঠ এখনও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন রয়েছে, আর তাই তাঁর জন্মবার্ষিকী স্মরণে এই শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সন্ধ্যায় মেদিনীপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক ডা. শংকর গুছাইত, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী শ্রী জয়ন্ত সাহা এবং বাচিক শিল্পী শ্রী অসীম পাল সহ আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে জেলার খ্যাতনামা শিল্পীরা মান্না দে-র জনপ্রিয় গানগুলি পরিবেশন করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন। আয়োজকরা সকল সংগীতপ্রেমী মানুষকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কিংবদন্তি শিল্পীকে সম্মান জানানোর জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।1
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০ দিনের নীরবতা ভেঙে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সরব হয়ে দাবি করেছেন যে, রাজ্যে "প্রশাসনিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস" চলছে। প্রশাসনিক সন্ত্রাসের এই অভিযোগ জানাতে গিয়ে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, "আর কত সহ্য করব?"1
- রবিবার পুরুলিয়া শহরে ফুটপাত দখল করে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ করতে একটি অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে পুরুলিয়া পৌরসভা এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে অংশ নেয়।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- বামফ্রন্ট সরকারের আমলে নির্মিত একটি কংক্রিট সেতুর জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর গ্রামবাসীরা তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে। এই তহবিল তছরুপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।1
- মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন। এই বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে যারা অপরাধ করেছে তাদের ঠাঁই হবে জেলে। একই সাথে তিনি তাঁর সমর্থকদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।1
- দাসপুর মামুদপুরে আয়োজিত অগ্রদূত সংঘের রক্তদান শিবিরের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত।1
- নন্দীগ্রাম থেকে মুখ্যমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, যারা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের ঠিকানা হবে কারাগার।1
- রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিজয় মিছিলের পর্ব শুরু হয়েছে। এমনই একটি আনন্দঘন বিজয় মিছিলে আজ গোঘাট বিধানসভার বিধায়ক প্রশান্ত দিগারকে দুহাত তুলে নাচতে দেখা গেল। তিনি এই বিজয়ের উল্লাসে সামিল হয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।1