Shuru
Apke Nagar Ki App…
কঠোর গো-হ*ত্যা আইন নিয়ে দেশজুড়ে গরু পালনকারীদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হচ্ছে। এই আইনের ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও পশুপালনে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তারা মুখ খুলছেন।
মহাসিন মন্ডল
কঠোর গো-হ*ত্যা আইন নিয়ে দেশজুড়ে গরু পালনকারীদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হচ্ছে। এই আইনের ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও পশুপালনে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তারা মুখ খুলছেন।
- Bela PalKamalpur, Dhalai😤on 23 May
- মারিয়াম মারিয়ামManteswar, Purba Bardhaman😤on 21 May
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- এক বিজেপি নেতা বিধায়িকা মিতালী মালকে সাক্ষী রেখে তৃণমূল নেতাদের মারধর করে পা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মাধ্যমে তৃণমূল নেতাদের উপর আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।1
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি স্পষ্টভাষায় বলেছেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর 'গদি টলোমলো হয়ে যাবে'।1
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর, যার রাজবাড়ীকে ঘিরে এক বিশাল দীঘি অবস্থিত। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দাদের কাছে এটি রাজদীঘি নামেই পরিচিত। কথিত আছে যে এই দীঘি জলঙ্গী নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল, এবং মহারাজা স্বয়ং এই জলপথ ব্যবহার করে রাজকার্যে এবং রাজ্য ভ্রমণে যেতেন। এই রাজদীঘি আজও মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্মৃতি বহন করে চলেছে, যা তাঁর শাসনামলের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার গাঙ্গেড্ডা গ্রামে ঈদের আবহে পরপর দুটি ফাঁকা বাড়িতে এক দুঃসাহসিক ও সুপরিকল্পিত চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই চুরির শিকার হয়েছেন দুবাই প্রবাসী লালন সেখের স্ত্রী সাহারবানু বিবি এবং সৌদি আরব প্রবাসী ফুলবাবু সেখের স্ত্রী মতিনা বিবি, যাঁরা কুরবানি ঈদ উপলক্ষে নিজেদের তালাবন্ধ বাড়ি রেখে বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন। গত শনিবার সকালে প্রথমে সাহারবানু বিবির ঘরের দরজার তালা ভাঙা দেখতে পান তাঁর ভাসুর। খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে সাহারবানু বিবি দেখেন যে, আলমারি ভেঙে নগদ ২ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৫ ভরি সোনার অলঙ্কার চুরি হয়ে গেছে। একই রাতে দুষ্কৃতীরা ওই গ্রামেরই মাঠ পাড়ার বাসিন্দা ফুলবাবু সেখের তালাবন্ধ বাড়িটিকেও নিশানা করে। ফুলবাবু সেখের কাকিমা হেনা বিবির নজরে প্রথম বিষয়টি আসে যখন তিনি বাড়ির গ্রিলের তালা ভাঙা দেখেন। তৎক্ষণাৎ হেনা বিবি ফুলবাবুর স্ত্রী মতিনা বিবিকে ফোনে জানালে তিনি দ্রুত বাপের বাড়ি থেকে ফিরে এসে দেখতে পান যে, তাঁর ঘর থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা, ২ ভরি সোনা ও ১০ ভরি রুপো খোয়া গেছে। একই রাতে দুই পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে এমন চুরির ঘটনায় গ্রামবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভরতপুর থানায় দুই পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করার পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।1