বুধবার মালদহের চাঁচলের শান্তিমোড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সও,যার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁর পরিবার।জানা গিয়েছে,প্রতি বুধবার ওই এলাকায় সাপ্তাহিক হাট বসে।সেই কারণে এদিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। হরিশ্চন্দ্রপুরের বিরুয়ার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শান্তিমোড়ের যানজটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় অ্যাম্বুলেন্সটিকে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায়ই এই এলাকায় যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। অথচ সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিককে দেখা যায়নি।শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল।স্থানীয়দের দাবি,সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।পরে পুলিশ এসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার মালদহের চাঁচলের শান্তিমোড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সও,যার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁর পরিবার।জানা গিয়েছে,প্রতি বুধবার ওই এলাকায় সাপ্তাহিক হাট বসে।সেই কারণে এদিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। হরিশ্চন্দ্রপুরের বিরুয়ার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শান্তিমোড়ের যানজটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় অ্যাম্বুলেন্সটিকে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায়ই এই এলাকায় যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। অথচ সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিককে দেখা যায়নি।শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল।স্থানীয়দের দাবি,সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।পরে পুলিশ এসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনে।
- free fire khelty khelty pagol hoya geya chi #news bangla1
- বুধবার মালদহের চাঁচলের শান্তিমোড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সও,যার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁর পরিবার।জানা গিয়েছে,প্রতি বুধবার ওই এলাকায় সাপ্তাহিক হাট বসে।সেই কারণে এদিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। হরিশ্চন্দ্রপুরের বিরুয়ার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শান্তিমোড়ের যানজটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় অ্যাম্বুলেন্সটিকে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায়ই এই এলাকায় যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। অথচ সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিককে দেখা যায়নি।শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল।স্থানীয়দের দাবি,সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।পরে পুলিশ এসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৩৯ নম্বর বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে সিসিটিভি ক্যামেরা বিকলের ঘটনাকেদক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৩৯ নম্বর বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে সিসিটিভি ক্যামেরা বিকলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেচেন বলে যানা গিয়াছে । অভিযোগ পেয়ে রিটার্নিং অফিসার দ্রুত স্ট্রংরুম পরিদর্শন করে, এবং জানান, বজ্রপাতে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি বিকল হয়েছে। তবে নতুন ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে1
- Post by Mohan Das1
- জয় হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ সকল গ্রামবাসী বলছে একই কথা রাস্তাটা যত তাড়াতাড়ি হয় ঠিক কইতে বয়া হচ্ছে আমাদের সকলের একই মত। আরাজি জালসা আমাদের গ্রাম জয় হিন্দুস্তান সবাই মিলে2
- Post by Md Yusuf(সোনার বাংলা News TV)1
- মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে ইভিএম (EVM) মেশিন রাখা স্ট্রং রুমকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার বলয় গড়ে তুলেছে জাতীয় কংগ্রেস। ভোটের পর গণতন্ত্রের 'আমানত' রক্ষায় কোনো খামতি রাখতে চাইছেন না দলের নেতৃত্ব। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে তৈরি স্ট্রং রুমের বাইরে দিন-রাত এক করে পাহারা দিচ্ছেন ফারাক্কা ও শামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীরা। তাঁদের সাথে রয়েছেন দলের একনিষ্ঠ কর্মী ও সমর্থকরাও।4
- বুধবার মালদহের চাঁচলের শান্তিমোড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সও,যার জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁর পরিবার।জানা গিয়েছে,প্রতি বুধবার ওই এলাকায় সাপ্তাহিক হাট বসে।সেই কারণে এদিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। হরিশ্চন্দ্রপুরের বিরুয়ার এক অসুস্থ ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শান্তিমোড়ের যানজটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় অ্যাম্বুলেন্সটিকে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,প্রায়ই এই এলাকায় যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। অথচ সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিককে দেখা যায়নি।শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল।স্থানীয়দের দাবি,সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।পরে পুলিশ এসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনে।1