ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক", হাড়োয়ায় বিজেপিকে আক্রমণ মুফতি আব্দুল মাতিনের । উত্তর ২৪ পরগনা হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ধর্ম ও রাজনীতির মেলবন্ধন নিয়ে সরব হলেন তৃণমূলের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মাতিন। হাড়োয়া বিধানসভার গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবানীপুর এলাকায় আয়োজিত এক কর্মীসভা থেকে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুফতি আব্দুল মাতিন বলেন, "ধর্মাচরণ ব্যক্তিগত বিষয়। এটি মানুষের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু সেই ধর্মকেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশজুড়ে উন্মাদনার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।" তার অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে ধর্মকে হাতিয়ার করে বিভাজনের রাজনীতি করছে এবং বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে আঘাত করছে। তিনি আরও দাবি করেন, "বাংলার সংস্কৃতি সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতীক। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, শিখ-খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে থেকেছে। কিন্তু এখন বাইরে থেকে বিভেদের রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।" তার মতে, ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। সভায় উপস্থিত তৃণমূলের হাড়োয়া ব্লক ১ সভাপতি শফিক আহমেদও একই সুরে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলার মাটি কখনও ঘৃণার রাজনীতি মেনে নেয় না। এখানে উৎসব মানে সবার উৎসব। কিন্তু বিজেপি সেই সংস্কৃতিকে বিকৃত করে মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়াতে চাইছে।” তিনি অভিযোগ করেন, তথ্য-সহ একাধিক উদাহরণে দেখা যাচ্ছে কীভাবে ধর্মীয় ইস্যুকে উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করার চেষ্টা চলছে। শফিক আহমেদ আরও বলেন, "উন্নয়নের প্রশ্নে ব্যর্থতা ঢাকতেই বিজেপি ধর্মীয় আবেগকে সামনে আনছে।" তার দাবি, মানুষের মৌলিক সমস্যা চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের দুর্দশা এসব থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের রাজনীতি করা হচ্ছে। এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের হাড়োয়া ১ নম্বর ব্লকের যুব সাধারণ সম্পাদক তথা গোপালপুর ২ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিন বুলবুল, গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সাধারণ সম্পাদক আশাদুল মন্ডল এবং যুব সভাপতি কামারুল সরদার। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের বক্তব্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার বার্তা দেন এবং তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন। সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় হাড়োয়া বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের নয়, বরং বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষ ধর্মের নামে বিভাজন নয়, উন্নয়ন ও শান্তির পক্ষে রায় দেবে।
ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক", হাড়োয়ায় বিজেপিকে আক্রমণ মুফতি আব্দুল মাতিনের । উত্তর ২৪ পরগনা হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ধর্ম ও রাজনীতির মেলবন্ধন নিয়ে সরব হলেন তৃণমূলের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মাতিন। হাড়োয়া বিধানসভার গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবানীপুর এলাকায় আয়োজিত এক কর্মীসভা থেকে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুফতি আব্দুল মাতিন বলেন, "ধর্মাচরণ ব্যক্তিগত বিষয়। এটি মানুষের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু সেই ধর্মকেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশজুড়ে উন্মাদনার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।" তার অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে ধর্মকে হাতিয়ার করে বিভাজনের রাজনীতি করছে এবং বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে আঘাত করছে। তিনি আরও দাবি করেন, "বাংলার সংস্কৃতি সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতীক। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, শিখ-খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে থেকেছে। কিন্তু এখন বাইরে থেকে বিভেদের রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।" তার মতে, ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। সভায় উপস্থিত তৃণমূলের হাড়োয়া ব্লক ১ সভাপতি শফিক আহমেদও একই সুরে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলার মাটি কখনও ঘৃণার রাজনীতি মেনে নেয় না। এখানে উৎসব মানে সবার উৎসব। কিন্তু বিজেপি সেই সংস্কৃতিকে বিকৃত করে মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়াতে চাইছে।” তিনি অভিযোগ করেন, তথ্য-সহ একাধিক উদাহরণে দেখা যাচ্ছে কীভাবে ধর্মীয় ইস্যুকে উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করার চেষ্টা চলছে। শফিক আহমেদ আরও বলেন, "উন্নয়নের প্রশ্নে ব্যর্থতা ঢাকতেই বিজেপি ধর্মীয় আবেগকে সামনে আনছে।" তার দাবি, মানুষের মৌলিক সমস্যা চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের দুর্দশা এসব থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের রাজনীতি করা হচ্ছে। এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের হাড়োয়া ১ নম্বর ব্লকের যুব সাধারণ সম্পাদক তথা গোপালপুর ২ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিন বুলবুল, গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সাধারণ সম্পাদক আশাদুল মন্ডল এবং যুব সভাপতি কামারুল সরদার। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের বক্তব্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার বার্তা দেন এবং তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন। সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় হাড়োয়া বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের নয়, বরং বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষ ধর্মের নামে বিভাজন নয়, উন্নয়ন ও শান্তির পক্ষে রায় দেবে।
- উত্তর ২৪ পরগনা হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ধর্ম ও রাজনীতির মেলবন্ধন নিয়ে সরব হলেন তৃণমূলের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মাতিন। হাড়োয়া বিধানসভার গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবানীপুর এলাকায় আয়োজিত এক কর্মীসভা থেকে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুফতি আব্দুল মাতিন বলেন, "ধর্মাচরণ ব্যক্তিগত বিষয়। এটি মানুষের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু সেই ধর্মকেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশজুড়ে উন্মাদনার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।" তার অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে ধর্মকে হাতিয়ার করে বিভাজনের রাজনীতি করছে এবং বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে আঘাত করছে। তিনি আরও দাবি করেন, "বাংলার সংস্কৃতি সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতীক। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, শিখ-খ্রিস্টান সকলেই মিলেমিশে থেকেছে। কিন্তু এখন বাইরে থেকে বিভেদের রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।" তার মতে, ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। সভায় উপস্থিত তৃণমূলের হাড়োয়া ব্লক ১ সভাপতি শফিক আহমেদও একই সুরে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলার মাটি কখনও ঘৃণার রাজনীতি মেনে নেয় না। এখানে উৎসব মানে সবার উৎসব। কিন্তু বিজেপি সেই সংস্কৃতিকে বিকৃত করে মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়াতে চাইছে।” তিনি অভিযোগ করেন, তথ্য-সহ একাধিক উদাহরণে দেখা যাচ্ছে কীভাবে ধর্মীয় ইস্যুকে উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণ করার চেষ্টা চলছে। শফিক আহমেদ আরও বলেন, "উন্নয়নের প্রশ্নে ব্যর্থতা ঢাকতেই বিজেপি ধর্মীয় আবেগকে সামনে আনছে।" তার দাবি, মানুষের মৌলিক সমস্যা চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের দুর্দশা এসব থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের রাজনীতি করা হচ্ছে। এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের হাড়োয়া ১ নম্বর ব্লকের যুব সাধারণ সম্পাদক তথা গোপালপুর ২ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আমিন বুলবুল, গোপালপুর ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সাধারণ সম্পাদক আশাদুল মন্ডল এবং যুব সভাপতি কামারুল সরদার। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের বক্তব্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার বার্তা দেন এবং তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন। সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় হাড়োয়া বিধানসভায় নির্বাচনী লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের নয়, বরং বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষ ধর্মের নামে বিভাজন নয়, উন্নয়ন ও শান্তির পক্ষে রায় দেবে।1
- সরাসরি 120 দেগঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার মনোনীত ISF এর প্রার্থী মফিদুল হক সাহাজি (মিন্টু সাহাজি ) বেড়াচাঁপা 2 পঞ্চায়েত রেলি দেগঙ্গা বলছে আইএসএল জিতছে #News2
- নির্বাচনী প্রচার শেষের কয়েকদিন জোরদার করতে মাঠে নেমে পড়েছে সব রাজনৈতিক দল। এদিন মিনাখা চৈতল চাপালি বকচরা এলাকায় এলাকায় রোড শো করলেন গায়ক কেশব দে1
- Post by Sakib Official Update1
- Post by Swapan Halder1
- Post by N18 Bangla1
- নাওশাদ সিদ্দিকী ডাকে নির্বাচনী সভা1
- আসামের প্রাক্তন বিধায়ক কিশোর নাথ সহ এক বিজেপি নেতা রাতের অন্ধকারে স্যান্ডেলের বিল কনকনগর এলাকায় টাকা বিলি করে বলে অভিযোগ1