"মূলনিবাসী" শব্দের রাজনৈতিক মরীচিকা, এবং কে বেশি মূর্খ ! ================================= বাবা সাহেব সংবিধানে বহুজনদের অনেক সুরক্ষা এবং অধিকার দিলেও, সব থেকে জরুরি এবং শক্তিশালী যে দুটি অধিকার - তা হল সংরক্ষণ আর ভোটাধিকার। সংরক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হবে শিক্ষিত এবং রাজনৈতিকভাবে সচেতন শ্রেণী, আর তারা ভোটাধিকারের মাধ্যমে নিজে এবং নিজের সমাজকে প্রদেশ এবং দেশের রাজা বানিয়ে বাকি সব সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং অধিকার বলবৎ করবে, আর সমতামূলক বৃহত্তর সমাজ তৈরি করবে। এই হল বাবা সাহেবের দেওয়া মিশন এবং তার রাজনীতি। কাঁশীরামজী আসা পর্যন্ত বাবা সাহেবের উপরোক্ত মিশন কেউ বোঝেনি। কাঁশীরামজী প্রথম বোঝেন, এবং বাবা সাহেবের মিশন শুরু করেন - যার মাধ্যমে তিনি স্লোগান দেন "আরক্ষণ সে লেংগে SP/DM, আউর ভোট সে লেংগে CM/PM" - অর্থাৎ, "সংরক্ষণ দিয়ে নেবো SP/DM, আর ভোট দিয়ে নেবো CM/PM"। যেহেতু কাঁশীরামজী প্রথমে মহারাষ্ট্রতে ছিলেন, সেহেতু মহারাষ্ট্রের তৎকালীন তথাকথিত আম্বেদকারবাদীদের সাথে কথা বলেন। কাঁশরামজীর মত ছিল যে, আগে মিশন চালানো জরুরী, তাহলে MP/MLA তৈরি হওয়াটা কোন ব্যাপার না। কিন্তু মহারাষ্ট্রের আম্বেদকারবাদীদের মত ছিল যে আগে MP/MLA হতে হবে - তাহলে মিশনও এগিয়ে যাবে। কাঁশীরামজী ১০০% সঠিক, তার সব থেকে বড় প্রমাণ হলো, মহারাষ্ট্রের ঘরে ঘরে সবাই তথাকথিত আম্বেদকরবাদী - দেশের বাকি সব প্রদেশের থেকে অনেক অনেক বেশি বাবা সাহেবের ব্যাপারে জানে - কিন্তু এখনও বাবা সাহেবের নামে সেইরকম কোন ভোট-ব্যাংক নেই, কারণ তারা কাঁশীরামজীর কথা শোনেনি। এর বিপরীতে, উত্তর প্রদেশের চামাররা কাঁশীরামজীর কথা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করে, তাদের মধ্যে থেকে ইতিমধ্যেই চার-বার মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে ফেলেছে। এই হলো "কাঁশীরামজী ম্যাজিক"। আজকের বা অনেক বছর ধরে, ভারতের বহুজন সমাজ যে জ্যোতিরাও ফুলে, শাহু মহারাজ, বাবা সাহেবকে চিনতে পেরেছে - বা "বহুজন", "বহুজন রাজ", "মুলনিবাসী", "সমতামূলক সমাজ" ইত্যাদি শব্দগুলি জানতে ও বলতে পারছে - তার একমাত্র কারণ হলেন কাঁশীরামজী। প্রশ্ন হলো, কাঁশীরামজী "বহুজন সমাজ পার্টি" কেনো বানিয়েছিলেন, "মূলনিবাসী সমাজ পার্টি" কেনো বানান নি ?? এর কারণ হলো কাঁশীরামজী বৈজ্ঞানিক ছিলেন, এবং তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি সিদ্ধান্ত বিজ্ঞান-সম্মত। তার সাথে সাথে, বাবা সাহেবের পরে, স্বাধীন ভারতে কাঁশীরামজীর থেকে ভালো কেউ ভারতের আর্থ-সামাজিক অবস্থা জানতো না বা বুঝতো না। আজকের ভারতে কোটি কোটি লোকে যে "মূলনিবাসী" শব্দ ব্যবহার করে - যাদের সবাই প্রায় বিএসপি'র বাইরে - তাদের যদি জিজ্ঞেস করা হয়, "আচ্ছা দাদা, এই মূলনিবাসী শব্দের মানে কি ??" - পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে বোঝাতে পারবে 'DNA' শব্দ ব্যবহার না করে। এর জন্য 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে জিজ্ঞেস করলে, আরো দুটি শব্দ বেরিয়ে আসবে - 'DNA' আর 'ইউরেশিয়া'। DNA'র আবিষ্কার হয় ১৯৫৩ সালে। ৭০ এর দশকের শুরুতেও পশ্চিমি বিশ্বে বলা হতো যে "সারা পৃথিবীতে DNA'র ব্যাপারে ১০০ জনেরও কম লোক ঠিক ভাবে বোঝে"। DNA'র ব্যাপারে সবকিছু বুঝিয়ে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে বোঝানো - বর্তমানে ভারতের ৮৫ থেকে ৯০% ডাক্তারেরও ঠিকভাবে সেই ক্ষমতা নেই। যে ১০-১৫% ডাক্তার ক্লিনিকাল রিসার্চ এ লিপ্ত, বা গাইনোকলজি নিয়ে MD করেছে, বা এইরকম কিছু কিছু বিষয়ে পারদর্শী ডাক্তাররাই 'DNA' বুঝিয়ে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে ঠিকভাবে বোঝাতে পারবে। এর সাথে সাথে আমাদের বহুজন সমাজের বেশিরভাগ সাধারণ মানুষকে 'ইউরেশিয়া' বোঝানো আর চাঁদে জমি বিক্রি করা এক জিনিস। এর বিপরীতে, যে জীবনে স্কুলে যায়নি, জীবনে খাতা-পেন হাতে নেয়নি - তাকেও 'বহুজন' শব্দের মানে বোঝাতে ১৫ সেকেন্ডের বেশি লাগে না। এই হলো 'কাঁশীরামজী ম্যাজিক'। জটিল থেকে জটিল বিষয়ও এমন ভাবে উপস্থাপন করতেন, যাতে যে কেউ বুঝে যাবে। তার জন্য বিএসপি'র রাজনীতি দাঁড়িয়েছে - কিন্তু বামন মেশ্রামের মতো 'মূলনিবাসী' বলে বেড়ানো বিশ্বাসঘাতকদের কোনও রাজনীতি দাঁড়ায়নি, আর কোনদিনও দাঁড়াবেও না। যারা দশকের পর দশক বাবা সাহেব আর কাঁশীরামজীর রাজনীতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ও করে যাচ্ছে - তাদের রাজনীতি আমাদের বহুজন সমাজ কখনও মেনে নেবেনা। BSP করার মত সাহস, সততা আর মেরুদণ্ড নেই - এই রকম কিছু সরকারি কর্মীদের নিয়ে এরা এখানে-ওখানে লোক দেখানো/শোনানো কার্যক্রম করতে পারে - কিন্তু তাই দিয়ে সমাজের রাজনীতি হয়না। প্রশ্ন হল, এই 'মূলনিবাসী' শব্দের উপর দাঁড়িয়ে বেশি-বেশি করে বিএসপি বিরোধী লাফালাফি কবে থেকে শুরু হলো ?? বহিনজী'র নেতৃত্বে বিএসপি ২০০৭ সালে উত্তরপ্রদেশে একক-সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরে থেকে। তখন আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদী রাজনৈতিক দলগুলির এবং সংগঠনগুলির বিএসপি এবং বহিনজী'কে আটকানোর জন্য 'বহুজন' ছাড়া অন্য একটি শব্দ ব্যবহার করে আমাদের সমাজের স্বাধীন রাজনীতির ক্ষতি করার দরকার পড়লো - এমন একটি শব্দ যা সাধারণ মানুষকে ঠিক ভাবে বোঝানোই যাবেনা, অর্থাৎ তার ভিত্তিতে সমাজের রাজনীতি দাঁড়াবেও না। আর তখন থেকে এই 'মূলনিবাসী' সার্কাসের পিছনে অর্থ/রসদ ঢালা শুরু হলো বেশি-বেশি করে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে 'down the rabbit hole' - যার মানে দাঁড়ায়, এমন এক জিনিসের পিছনে কাউকে দৌড় করানো, যা তার প্রচুর সময় এবং অর্থ চুষে নেবে। আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের বহুজন সমাজের তথাকথিত শিক্ষিত এবং চাকুরীজীবীদের ব্যাপারে একেবারে সঠিক বিশ্লেষণ করে তিনটি জিনিস বের করে : 1. কিছু ব্যতিক্রমীরা ছাড়া এদের কারো সততা, মেরুদণ্ড বা চারিত্রিক শক্তি নেই কাঁশীরামজীর দেখানো পথে বিএসপি করার। 2. কাঁশীরামজী, বহিনজী, বিএসপি'র কারণে মোটামুটি এরা সবাই লোক দেখানো/শোনানো 'বাবা, বাবা' করার একটা চাপ অনুভব করে। 3. এদের কিছুদিন ভুল রাস্তায় দৌড় করাতে পারলে - তারপরে এরা যদি বুঝতেও পারে যে এরা ভুল রাস্তাতে আছে, তবুও এরা ঠিক রাস্তাতে আসবে না, কারণ ঠিক রাস্তাতে আসতে গেলে এদের আগে সততার সাথে স্বীকার করতে হবে যে এরা আগে ভুল রাস্তায় ছিল - যা এরা কখনো করবে না, তাহলে এদের সমাজের সামনে 'নকল হিরো / আইকন' সাজা বন্ধ হয়ে যাবে। এই একেবারে সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা অর্থ/রসদ দিয়ে 'মূলনিবাসী' সার্কাসের বাড়-বাড়ন্ত শুরু করিয়ে দেয়। প্রশ্ন হলো, কে বেশি মূর্খ ?? বামন মেশ্রামের মতো বিশ্বাসঘাতকরা তাদের বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে তাদের দোকানদারী করতে এসেছে। কিন্তু বাকিদের মধ্যে কে বেশি মূর্খ - যে গেজেটেড অফিসাররা বামন মেশ্রামদের পিছনে দৌড়ায়, না কি বাকি কর্মচারীরা - যারা এই গেজেটেড অফিসারদের দেখে চোঁখ বুজে ভাবে যে এদের পিছনেই দৌড়াতে হবে ! সবাইকে শুনিয়ে/দেখিয়ে, এদের মুখের উপর আমাদের বৃহত্তর বহুজন সমাজকে জিজ্ঞেস করা শুরু করতে হবে যে এদের মধ্যে কে বেশি মূর্খ ! সমাজে এই সচেতনতা আসলে, তবে গিয়ে বিএসপি'র মাধ্যমে আমাদের স্বাধীন রাজনীতি শক্তভাবে দাঁড়াবে। জয় ভীম, জয় ভারত BSP জিন্দাবাদ 🐘🐘🐘🐘🐘🐘"ভাড়াটে বন্দুক" চন্দ্রশেখর রাবণ, এবং কারা তার পিছনে দৌড়ায় ! =============================== যেকোনো SC/ST/OBC যে ২০২৪ সালে বিজেপি'কে ভোট দিয়েছে, তাঁকে যদি বলা হয় - "মোদীর সময় শেষ, আর মোদী এবং তার গুজরাটী বানিয়াদের টাকা সরে গেলে বিজেপি ও শেষ" - তাহলে সবাই মেনে নিচ্ছে, কেউ অহেতুক বিতর্কে যাচ্ছে না এই নিয়ে। অর্থাৎ, এটাকে সবাই একটা "ধ্রুব সত্য" হিশেবে মেনে নিয়েছে। বিগত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে BSP'কে বিজেপি'র "বি-টিম" মিথ্যে বলে বলে কাঁশীরামজীর আন্দোলনের বিরাট ক্ষতি করা হয়েছে। বর্নহিন্দু সমাজ ও তাদের মিডিয়া যা বলে, যেহেতু তাই নিয়েই BSPর বাইরে থাকা ছোটো জাতরা নাচানাচি করে - এই কারণে BSPর আন্দোলনের আরো বেশি ক্ষতি হয়েছে। বিষয় হলো, মোদী সরে গেলে বিজেপি'ই যখন থাকবে না, তখন আর BSP'কে বিজেপি'র "বি-টিম" বলে মিথ্যে বদনাম করবে কিভাবে ?? এখানে উল্লেখযোগ্য, যারাই BSP কে বিজেপি'র "বি-টিম" বলে বেরিয়েছে বিগত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে, তাদের মধ্য থেকে আমরা BSPর কর্মীরা একজনকে ও খুঁজে পেলাম না যে আমাদের তথা ও যুক্তি সহকারে বোঝাতে পারে BSP কিভাবে বিজেপি'র "বি-টিম" ! অর্থাৎ, যারাই এই বলে বেরিয়েছে, তাঁরা হয় ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে "বিক্রিত জালিয়াত দালাল" অথবা সমাজ ও রাজনীতির বিষয়ে এদের মাথায় "গোবর"। মোদী ও বিজেপি'র যেহেতু অস্ত যাবে, সেহেতু বর্তমানে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা বিরাটভাবে কংগ্রেসকে এগিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কিন্তু যেহেতু গনতন্ত্রতে বিরোধী আসন কখনও শূন্য থাকেনা, সেহেতু ব্রাহ্মণ্যবাদীদের মনে বিরাট ভয় যে, সারা দেশে BSPর নেতৃত্বে কংগ্রেস ও বিজেপি-বিরোধী এবং বাবা সাহেবের সমতামূলক বিচারধারা মানা দলগুলি দ্রুত এগিয়ে আসবে - যেটা আটকানোর বর্তমানে এবং আগামী দিনে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে একমাত্র উপায় হলো BSPর বিরোধ করার জন্য আমাদের সমাজের মধ্য থেকেই বিভিন্ন রাবণ ও বিভীষন তৈরী করা। এখানেই হলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে চন্দ্রশেখর রাবণের গুরুত্ব। চন্দ্রশেখর রাবণ (এবং তার "ভীম আর্মি" ও তার রাজনৈতিক দল "আজাদ সমাজ পার্টি") যে "ভাড়াটে বন্দুক", সেই নিয়ে আমাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বোঝার আছে : 1. প্রায় হাজার বছর ধরে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের ৬৭৪৩ টি জাতিতে ভাগ করে আমাদের সব দিক দিয়ে কমজোর বানায়। বাবা সাহেব তার রাজনীতির মাধ্যমে, ইংরেজদের সহায়তায় এই ৬৭৪৩ টি জাতিকে তিনটি ভাগে নিয়ে আসেন - SC/ST/OBC। কাঁশীরামজী আমাদের রাজ-ক্ষমতা অর্জনের জন্য SC/ST/OBC'দের ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের এক করে "বহুজন" বানান, কারণ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ৯৫% ভাগের বেশি হলো সেই SC/ST/OBC'রা যারা ব্রাহ্মণ্যবাদের অত্যাচারে ধর্ম পরিবর্তন করেছে। আমরা যদি রাবণের প্রথম দিকের কথা মনে করি, আমরা পাবো, ব্রাহ্মণ্যবাদীরা রাবণকে তৈরী করে তাঁকে দিয়ে "গ্রেট চামার" আন্দোলন শুরু করে। মানে মূল লক্ষ ছিলো, সমাজকে কাঁশীরামজী ও বাবা সাহেবের কাজের থেকে পিছনে নিয়ে গিয়ে জাতের ভিত্তিতে সমাজকে আবার ভাগ করা। ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের রাজনৈতিকভাবে "বহুজন" হতে দিতে চায়না - তাঁরা চায় আমরা বিভিন্ন জাতের দল বানাই আর ভোটের সময় তাদের কাছে বিক্রি হয়ে যাই। 2. ২০২৩ মধ্যেপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ভীম আর্মি (এবং তার রাজনৈতিক দল "আজাদ সমাজ পার্টী") - এরা BJPর নেতাদের গাড়িতে ঘুরে বেড়ায় এবং কোটি কোটি টাকা নেয় BSPর ভোট কাটার জন্য। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে বহু ভিডিও প্রমাণ সারা দেশ দেখেছে। 3. কাঁশীরামজীর ২৬ বছর লেগেছিলো হেলিকপ্টারে চড়তে। কোন পরশ পাথরের বলে রাবণ রাতারাতি হেলিকপ্টারে চড়া শুরু করলো - আজ পর্যন্ত তাঁরা তাদের অর্থের স্রোত নিজেরাই বলতে পারলো না। 4. চন্দ্রশেখর রাবনকে প্রচারের আলোয় আনার জন্য বিভিন্ন সময় জেলে ভরা হয়েছে - বেশি বেশি ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য। 5. ইংরেজিতে একটা কথা আছে - "a man is known by the company he keeps" - অর্থাৎ, একটা মানুষকে চেনা যায় তার আশেপাশের লোকজন দেখে......চন্দ্রশেখর এর আশেপাশে সব RSS এর দাগীরা। এটা ও একটা বড় প্রমাণ যে বর্তমানে রাবনকে RSS ও কংগ্রেস, দুজনে মিলে একসাথে চালাচ্ছে BSPর বিরোধ ও ক্ষতি করার জন্য। 6. যাদের কিছুদিন আগে পর্যন্ত হাওয়াই চটি কিনে পড়ার ক্ষমতা ছিলোনা - তাঁরা ৪৫ লাখ টাকার টয়োটা ফরচুনার গাড়ির লাইন লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায় কিভাবে ! 7. আমাদের সমাজের লোকেরা সহজ-সরল - এর জন্য তাদের জানা উচিত, রাজনীতির নেপথ্যে কাহিনী বোঝার প্রথম উপায় হলো অর্থের স্রোত খোঁজা, যেটা ইংরেজিতে বলা হয় - "show me the money" - অর্থাৎ, টাকার খবর দেখাও। রাবণ & কোং আজ পর্যন্ত তাদের টাকার স্রোতের খবর দেখাতে বা বোঝাতে পারেনা। 8. ২০২৩ তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনের আগে TRS (বর্তমানে BRS) এর KC Rao এর আবেদনে BSPর বিরুদ্ধে প্রচার করার জন্য হায়দরাবাদ যায়। বার বার রাবণ প্রমাণ করেছে যে, তাঁকে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা তৈরী করেছে আমাদের বহুজন সমাজের একমাত্র রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক দল BSPর বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য। প্রশ্ন হলো, রাবনের পিছনে কারা দৌড়ায় বা কারা তার সমর্থন করে ! নিম্নলিখিত তিন রকমের ছোটো জাতরা : 1. BSPর ভিতরে এসে কাঁশীরামজীর দেওয়া শিক্ষা মাথা পেতে না নেওয়ার কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিক নির্বোধ :: যে BSPর ভিতরে এসে মন দিয়ে কাঁশীরামজীর শিক্ষা নেবে, বা নিজেকে "কেডারাইজ" করবে, তাঁকে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা মিডিয়া দিয়ে কখনও প্রতারিত করতে পারবে না, কারণ তার মাথায় সব সময় কাঁশীরামজীর কথা বাজবে - "ব্রাহ্মণ্যবাদী মিডিয়া যখন আমাকে বেশি বেশি প্রচার ও প্রশংসা করবে, তখন বুঝবে কাঁশীরাম বিক্রি হয়ে গেছে"। ঠিক এই সূত্রে, বহিনজী ও আমাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য বলেছেন - "ব্রাহ্মণ্যবাদী মিডিয়া যতক্ষণ আমাকে/পার্টিকে বেশি বেশি বদনাম করবে, ততক্ষণ বুঝবে মায়াবতী/পার্টি সঠিক পথে চলছে"। 2. যাদের কাঁশীরামজীর দেখানো পথে চলার মেরুদণ্ড বা চারিত্রিক শক্তি নেই, কিন্তু আবার সমাজের সামনে কাঁশীরামজীর বড় ভক্ত সাজতে এসে BSP/বহিনজী'র ব্যাপারে মিথ্যে বদনাম করে :: সামাজিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়ে এরা এতটাই নির্বোধ ও মেরুদণ্ডহীন যে, BSPর কর্মীরা যেই এদের বিরোধ করে বলে এদের করা মিথ্যে বদনাম প্রমাণ করতে - অমনি সঙ্গে সঙ্গে এরা উল্টে পালিয়ে যায়। 3. যাদের টাকার লোভ বা যারা ব্রাহ্মণ্যবাদীদের টাকায় যৌবনের ফুর্তি মারতে চায় :: এরা শুধুমাত্র ব্যাক্তিগত তাৎক্ষণিক স্বার্থের চিন্তা করে। এদের কাজে যে এদের নিজেদের, এদের পরবর্তী প্রজন্মের ও সমাজের দীর্ঘকালীন চরম ক্ষতি হচ্ছে - সেটা তাদের মাথায় ঢোকেনা। এর জন্যই তাঁরা নিজেদের "সমাজ-বিরোধী ছোটো জাত" এ পরিনত করে, জেনেশুনে বা অজান্তে। জয় ভীম, জয় ভারত BSP জিন্দাবাদ 🐘🐘🐘🐘🐘🐘
"মূলনিবাসী" শব্দের রাজনৈতিক মরীচিকা, এবং কে বেশি মূর্খ ! ================================= বাবা সাহেব সংবিধানে বহুজনদের অনেক সুরক্ষা এবং অধিকার দিলেও, সব থেকে জরুরি এবং শক্তিশালী যে দুটি অধিকার - তা হল সংরক্ষণ আর ভোটাধিকার। সংরক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হবে শিক্ষিত এবং রাজনৈতিকভাবে সচেতন শ্রেণী, আর তারা ভোটাধিকারের মাধ্যমে নিজে এবং নিজের সমাজকে প্রদেশ এবং দেশের রাজা বানিয়ে বাকি সব সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং অধিকার বলবৎ করবে, আর সমতামূলক বৃহত্তর সমাজ তৈরি করবে। এই হল বাবা সাহেবের দেওয়া মিশন এবং তার রাজনীতি। কাঁশীরামজী আসা পর্যন্ত বাবা সাহেবের উপরোক্ত মিশন কেউ বোঝেনি। কাঁশীরামজী প্রথম বোঝেন, এবং বাবা সাহেবের মিশন শুরু করেন - যার মাধ্যমে তিনি স্লোগান দেন "আরক্ষণ সে লেংগে SP/DM, আউর ভোট সে লেংগে CM/PM" - অর্থাৎ, "সংরক্ষণ দিয়ে নেবো SP/DM, আর ভোট দিয়ে নেবো CM/PM"। যেহেতু কাঁশীরামজী প্রথমে মহারাষ্ট্রতে ছিলেন, সেহেতু মহারাষ্ট্রের তৎকালীন তথাকথিত আম্বেদকারবাদীদের সাথে কথা বলেন। কাঁশরামজীর মত ছিল যে, আগে মিশন চালানো জরুরী, তাহলে MP/MLA তৈরি হওয়াটা কোন ব্যাপার না। কিন্তু মহারাষ্ট্রের আম্বেদকারবাদীদের মত ছিল যে আগে MP/MLA হতে হবে - তাহলে মিশনও এগিয়ে যাবে। কাঁশীরামজী ১০০% সঠিক, তার সব থেকে বড় প্রমাণ হলো, মহারাষ্ট্রের ঘরে ঘরে সবাই তথাকথিত আম্বেদকরবাদী - দেশের বাকি সব প্রদেশের থেকে অনেক অনেক বেশি বাবা সাহেবের ব্যাপারে জানে - কিন্তু এখনও বাবা সাহেবের নামে সেইরকম কোন ভোট-ব্যাংক নেই, কারণ তারা কাঁশীরামজীর কথা শোনেনি। এর বিপরীতে, উত্তর প্রদেশের চামাররা কাঁশীরামজীর কথা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করে, তাদের মধ্যে থেকে ইতিমধ্যেই চার-বার মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে ফেলেছে। এই হলো "কাঁশীরামজী ম্যাজিক"। আজকের বা অনেক বছর ধরে, ভারতের বহুজন সমাজ যে জ্যোতিরাও ফুলে, শাহু মহারাজ, বাবা সাহেবকে চিনতে পেরেছে - বা "বহুজন", "বহুজন রাজ", "মুলনিবাসী", "সমতামূলক সমাজ" ইত্যাদি শব্দগুলি জানতে ও বলতে পারছে - তার একমাত্র কারণ হলেন কাঁশীরামজী। প্রশ্ন হলো, কাঁশীরামজী "বহুজন সমাজ পার্টি" কেনো বানিয়েছিলেন, "মূলনিবাসী সমাজ পার্টি" কেনো বানান নি ?? এর কারণ হলো কাঁশীরামজী বৈজ্ঞানিক ছিলেন, এবং তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি সিদ্ধান্ত বিজ্ঞান-সম্মত। তার সাথে সাথে, বাবা সাহেবের পরে, স্বাধীন ভারতে কাঁশীরামজীর থেকে ভালো কেউ ভারতের আর্থ-সামাজিক অবস্থা জানতো না বা বুঝতো না। আজকের ভারতে কোটি কোটি লোকে যে "মূলনিবাসী" শব্দ ব্যবহার করে - যাদের সবাই প্রায় বিএসপি'র বাইরে - তাদের যদি জিজ্ঞেস করা হয়, "আচ্ছা দাদা, এই মূলনিবাসী শব্দের মানে কি ??" - পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে বোঝাতে পারবে 'DNA' শব্দ ব্যবহার না করে। এর জন্য 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে জিজ্ঞেস করলে, আরো দুটি শব্দ বেরিয়ে আসবে - 'DNA' আর 'ইউরেশিয়া'। DNA'র আবিষ্কার হয় ১৯৫৩ সালে। ৭০ এর দশকের শুরুতেও পশ্চিমি বিশ্বে বলা হতো যে "সারা পৃথিবীতে DNA'র ব্যাপারে ১০০ জনেরও কম লোক ঠিক ভাবে বোঝে"। DNA'র ব্যাপারে সবকিছু বুঝিয়ে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে বোঝানো - বর্তমানে ভারতের ৮৫ থেকে ৯০% ডাক্তারেরও ঠিকভাবে সেই ক্ষমতা নেই। যে ১০-১৫% ডাক্তার ক্লিনিকাল রিসার্চ এ লিপ্ত, বা গাইনোকলজি নিয়ে MD করেছে, বা এইরকম কিছু কিছু বিষয়ে পারদর্শী ডাক্তাররাই 'DNA' বুঝিয়ে 'মূলনিবাসী' শব্দের মানে ঠিকভাবে বোঝাতে পারবে। এর সাথে সাথে আমাদের বহুজন সমাজের বেশিরভাগ সাধারণ মানুষকে 'ইউরেশিয়া' বোঝানো আর চাঁদে জমি বিক্রি করা এক জিনিস। এর বিপরীতে, যে জীবনে স্কুলে যায়নি, জীবনে খাতা-পেন হাতে নেয়নি - তাকেও 'বহুজন' শব্দের মানে বোঝাতে ১৫ সেকেন্ডের বেশি লাগে না। এই হলো 'কাঁশীরামজী ম্যাজিক'। জটিল থেকে জটিল বিষয়ও এমন ভাবে উপস্থাপন করতেন, যাতে যে কেউ বুঝে যাবে। তার জন্য বিএসপি'র রাজনীতি দাঁড়িয়েছে - কিন্তু বামন মেশ্রামের মতো 'মূলনিবাসী' বলে বেড়ানো বিশ্বাসঘাতকদের কোনও রাজনীতি দাঁড়ায়নি, আর কোনদিনও দাঁড়াবেও না। যারা দশকের পর দশক বাবা সাহেব আর কাঁশীরামজীর রাজনীতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ও করে যাচ্ছে - তাদের রাজনীতি আমাদের বহুজন সমাজ কখনও মেনে নেবেনা। BSP করার মত সাহস, সততা আর মেরুদণ্ড নেই - এই রকম কিছু সরকারি কর্মীদের নিয়ে এরা এখানে-ওখানে লোক দেখানো/শোনানো কার্যক্রম করতে পারে - কিন্তু তাই দিয়ে সমাজের রাজনীতি হয়না। প্রশ্ন হল, এই 'মূলনিবাসী' শব্দের উপর দাঁড়িয়ে বেশি-বেশি করে বিএসপি বিরোধী লাফালাফি কবে থেকে শুরু হলো ?? বহিনজী'র নেতৃত্বে বিএসপি ২০০৭ সালে উত্তরপ্রদেশে একক-সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরে থেকে। তখন আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদী রাজনৈতিক দলগুলির এবং সংগঠনগুলির বিএসপি এবং বহিনজী'কে আটকানোর জন্য 'বহুজন' ছাড়া অন্য একটি শব্দ ব্যবহার করে আমাদের সমাজের স্বাধীন রাজনীতির ক্ষতি করার দরকার পড়লো - এমন একটি শব্দ যা সাধারণ মানুষকে ঠিক ভাবে বোঝানোই যাবেনা, অর্থাৎ তার ভিত্তিতে সমাজের রাজনীতি দাঁড়াবেও না। আর তখন থেকে এই 'মূলনিবাসী' সার্কাসের পিছনে অর্থ/রসদ ঢালা শুরু হলো বেশি-বেশি করে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে 'down the rabbit hole' - যার মানে দাঁড়ায়, এমন এক জিনিসের পিছনে কাউকে দৌড় করানো, যা তার প্রচুর সময় এবং অর্থ চুষে নেবে। আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের বহুজন সমাজের তথাকথিত শিক্ষিত এবং চাকুরীজীবীদের ব্যাপারে একেবারে সঠিক বিশ্লেষণ করে তিনটি জিনিস বের করে : 1. কিছু ব্যতিক্রমীরা ছাড়া এদের কারো সততা, মেরুদণ্ড বা চারিত্রিক শক্তি নেই কাঁশীরামজীর দেখানো পথে বিএসপি করার। 2. কাঁশীরামজী, বহিনজী, বিএসপি'র কারণে মোটামুটি এরা সবাই লোক দেখানো/শোনানো 'বাবা, বাবা' করার একটা চাপ অনুভব করে। 3. এদের কিছুদিন ভুল রাস্তায় দৌড় করাতে পারলে - তারপরে এরা যদি বুঝতেও পারে যে এরা ভুল রাস্তাতে আছে, তবুও এরা ঠিক রাস্তাতে আসবে না, কারণ ঠিক রাস্তাতে আসতে গেলে এদের আগে সততার সাথে স্বীকার করতে হবে যে এরা আগে ভুল রাস্তায় ছিল - যা এরা কখনো করবে না, তাহলে এদের সমাজের সামনে 'নকল হিরো / আইকন' সাজা বন্ধ হয়ে যাবে। এই একেবারে সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আরএসএস এর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা অর্থ/রসদ দিয়ে 'মূলনিবাসী' সার্কাসের বাড়-বাড়ন্ত শুরু করিয়ে দেয়। প্রশ্ন হলো, কে বেশি মূর্খ ?? বামন মেশ্রামের মতো বিশ্বাসঘাতকরা তাদের বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে তাদের দোকানদারী করতে এসেছে। কিন্তু বাকিদের মধ্যে কে বেশি মূর্খ - যে গেজেটেড অফিসাররা বামন মেশ্রামদের পিছনে দৌড়ায়, না কি বাকি কর্মচারীরা - যারা এই গেজেটেড অফিসারদের দেখে চোঁখ বুজে ভাবে যে এদের পিছনেই দৌড়াতে হবে ! সবাইকে শুনিয়ে/দেখিয়ে, এদের মুখের উপর আমাদের বৃহত্তর বহুজন সমাজকে জিজ্ঞেস করা শুরু করতে হবে যে এদের মধ্যে কে বেশি মূর্খ ! সমাজে এই সচেতনতা আসলে,
তবে গিয়ে বিএসপি'র মাধ্যমে আমাদের স্বাধীন রাজনীতি শক্তভাবে দাঁড়াবে। জয় ভীম, জয় ভারত BSP জিন্দাবাদ 🐘🐘🐘🐘🐘🐘"ভাড়াটে বন্দুক" চন্দ্রশেখর রাবণ, এবং কারা তার পিছনে দৌড়ায় ! =============================== যেকোনো SC/ST/OBC যে ২০২৪ সালে বিজেপি'কে ভোট দিয়েছে, তাঁকে যদি বলা হয় - "মোদীর সময় শেষ, আর মোদী এবং তার গুজরাটী বানিয়াদের টাকা সরে গেলে বিজেপি ও শেষ" - তাহলে সবাই মেনে নিচ্ছে, কেউ অহেতুক বিতর্কে যাচ্ছে না এই নিয়ে। অর্থাৎ, এটাকে সবাই একটা "ধ্রুব সত্য" হিশেবে মেনে নিয়েছে। বিগত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে BSP'কে বিজেপি'র "বি-টিম" মিথ্যে বলে বলে কাঁশীরামজীর আন্দোলনের বিরাট ক্ষতি করা হয়েছে। বর্নহিন্দু সমাজ ও তাদের মিডিয়া যা বলে, যেহেতু তাই নিয়েই BSPর বাইরে থাকা ছোটো জাতরা নাচানাচি করে - এই কারণে BSPর আন্দোলনের আরো বেশি ক্ষতি হয়েছে। বিষয় হলো, মোদী সরে গেলে বিজেপি'ই যখন থাকবে না, তখন আর BSP'কে বিজেপি'র "বি-টিম" বলে মিথ্যে বদনাম করবে কিভাবে ?? এখানে উল্লেখযোগ্য, যারাই BSP কে বিজেপি'র "বি-টিম" বলে বেরিয়েছে বিগত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে, তাদের মধ্য থেকে আমরা BSPর কর্মীরা একজনকে ও খুঁজে পেলাম না যে আমাদের তথা ও যুক্তি সহকারে বোঝাতে পারে BSP কিভাবে বিজেপি'র "বি-টিম" ! অর্থাৎ, যারাই এই বলে বেরিয়েছে, তাঁরা হয় ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে "বিক্রিত জালিয়াত দালাল" অথবা সমাজ ও রাজনীতির বিষয়ে এদের মাথায় "গোবর"। মোদী ও বিজেপি'র যেহেতু অস্ত যাবে, সেহেতু বর্তমানে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা বিরাটভাবে কংগ্রেসকে এগিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কিন্তু যেহেতু গনতন্ত্রতে বিরোধী আসন কখনও শূন্য থাকেনা, সেহেতু ব্রাহ্মণ্যবাদীদের মনে বিরাট ভয় যে, সারা দেশে BSPর নেতৃত্বে কংগ্রেস ও বিজেপি-বিরোধী এবং বাবা সাহেবের সমতামূলক বিচারধারা মানা দলগুলি দ্রুত এগিয়ে আসবে - যেটা আটকানোর বর্তমানে এবং আগামী দিনে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে একমাত্র উপায় হলো BSPর বিরোধ করার জন্য আমাদের সমাজের মধ্য থেকেই বিভিন্ন রাবণ ও বিভীষন তৈরী করা। এখানেই হলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছে চন্দ্রশেখর রাবণের গুরুত্ব। চন্দ্রশেখর রাবণ (এবং তার "ভীম আর্মি" ও তার রাজনৈতিক দল "আজাদ সমাজ পার্টি") যে "ভাড়াটে বন্দুক", সেই নিয়ে আমাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বোঝার আছে : 1. প্রায় হাজার বছর ধরে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের ৬৭৪৩ টি জাতিতে ভাগ করে আমাদের সব দিক দিয়ে কমজোর বানায়। বাবা সাহেব তার রাজনীতির মাধ্যমে, ইংরেজদের সহায়তায় এই ৬৭৪৩ টি জাতিকে তিনটি ভাগে নিয়ে আসেন - SC/ST/OBC। কাঁশীরামজী আমাদের রাজ-ক্ষমতা অর্জনের জন্য SC/ST/OBC'দের ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের এক করে "বহুজন" বানান, কারণ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ৯৫% ভাগের বেশি হলো সেই SC/ST/OBC'রা যারা ব্রাহ্মণ্যবাদের অত্যাচারে ধর্ম পরিবর্তন করেছে। আমরা যদি রাবণের প্রথম দিকের কথা মনে করি, আমরা পাবো, ব্রাহ্মণ্যবাদীরা রাবণকে তৈরী করে তাঁকে দিয়ে "গ্রেট চামার" আন্দোলন শুরু করে। মানে মূল লক্ষ ছিলো, সমাজকে কাঁশীরামজী ও বাবা সাহেবের কাজের থেকে পিছনে নিয়ে গিয়ে জাতের ভিত্তিতে সমাজকে আবার ভাগ করা। ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আমাদের রাজনৈতিকভাবে "বহুজন" হতে দিতে চায়না - তাঁরা চায় আমরা বিভিন্ন জাতের দল বানাই আর ভোটের সময় তাদের কাছে বিক্রি হয়ে যাই। 2. ২০২৩ মধ্যেপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ভীম আর্মি (এবং তার রাজনৈতিক দল "আজাদ সমাজ পার্টী") - এরা BJPর নেতাদের গাড়িতে ঘুরে বেড়ায় এবং কোটি কোটি টাকা নেয় BSPর ভোট কাটার জন্য। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে বহু ভিডিও প্রমাণ সারা দেশ দেখেছে। 3. কাঁশীরামজীর ২৬ বছর লেগেছিলো হেলিকপ্টারে চড়তে। কোন পরশ পাথরের বলে রাবণ রাতারাতি হেলিকপ্টারে চড়া শুরু করলো - আজ পর্যন্ত তাঁরা তাদের অর্থের স্রোত নিজেরাই বলতে পারলো না। 4. চন্দ্রশেখর রাবনকে প্রচারের আলোয় আনার জন্য বিভিন্ন সময় জেলে ভরা হয়েছে - বেশি বেশি ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য। 5. ইংরেজিতে একটা কথা আছে - "a man is known by the company he keeps" - অর্থাৎ, একটা মানুষকে চেনা যায় তার আশেপাশের লোকজন দেখে......চন্দ্রশেখর এর আশেপাশে সব RSS এর দাগীরা। এটা ও একটা বড় প্রমাণ যে বর্তমানে রাবনকে RSS ও কংগ্রেস, দুজনে মিলে একসাথে চালাচ্ছে BSPর বিরোধ ও ক্ষতি করার জন্য। 6. যাদের কিছুদিন আগে পর্যন্ত হাওয়াই চটি কিনে পড়ার ক্ষমতা ছিলোনা - তাঁরা ৪৫ লাখ টাকার টয়োটা ফরচুনার গাড়ির লাইন লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায় কিভাবে ! 7. আমাদের সমাজের লোকেরা সহজ-সরল - এর জন্য তাদের জানা উচিত, রাজনীতির নেপথ্যে কাহিনী বোঝার প্রথম উপায় হলো অর্থের স্রোত খোঁজা, যেটা ইংরেজিতে বলা হয় - "show me the money" - অর্থাৎ, টাকার খবর দেখাও। রাবণ & কোং আজ পর্যন্ত তাদের টাকার স্রোতের খবর দেখাতে বা বোঝাতে পারেনা। 8. ২০২৩ তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনের আগে TRS (বর্তমানে BRS) এর KC Rao এর আবেদনে BSPর বিরুদ্ধে প্রচার করার জন্য হায়দরাবাদ যায়। বার বার রাবণ প্রমাণ করেছে যে, তাঁকে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা তৈরী করেছে আমাদের বহুজন সমাজের একমাত্র রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক দল BSPর বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য। প্রশ্ন হলো, রাবনের পিছনে কারা দৌড়ায় বা কারা তার সমর্থন করে ! নিম্নলিখিত তিন রকমের ছোটো জাতরা : 1. BSPর ভিতরে এসে কাঁশীরামজীর দেওয়া শিক্ষা মাথা পেতে না নেওয়ার কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিক নির্বোধ :: যে BSPর ভিতরে এসে মন দিয়ে কাঁশীরামজীর শিক্ষা নেবে, বা নিজেকে "কেডারাইজ" করবে, তাঁকে ব্রাহ্মণ্যবাদীরা মিডিয়া দিয়ে কখনও প্রতারিত করতে পারবে না, কারণ তার মাথায় সব সময় কাঁশীরামজীর কথা বাজবে - "ব্রাহ্মণ্যবাদী মিডিয়া যখন আমাকে বেশি বেশি প্রচার ও প্রশংসা করবে, তখন বুঝবে কাঁশীরাম বিক্রি হয়ে গেছে"। ঠিক এই সূত্রে, বহিনজী ও আমাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য বলেছেন - "ব্রাহ্মণ্যবাদী মিডিয়া যতক্ষণ আমাকে/পার্টিকে বেশি বেশি বদনাম করবে, ততক্ষণ বুঝবে মায়াবতী/পার্টি সঠিক পথে চলছে"। 2. যাদের কাঁশীরামজীর দেখানো পথে চলার মেরুদণ্ড বা চারিত্রিক শক্তি নেই, কিন্তু আবার সমাজের সামনে কাঁশীরামজীর বড় ভক্ত সাজতে এসে BSP/বহিনজী'র ব্যাপারে মিথ্যে বদনাম করে :: সামাজিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়ে এরা এতটাই নির্বোধ ও মেরুদণ্ডহীন যে, BSPর কর্মীরা যেই এদের বিরোধ করে বলে এদের করা মিথ্যে বদনাম প্রমাণ করতে - অমনি সঙ্গে সঙ্গে এরা উল্টে পালিয়ে যায়। 3. যাদের টাকার লোভ বা যারা ব্রাহ্মণ্যবাদীদের টাকায় যৌবনের ফুর্তি মারতে চায় :: এরা শুধুমাত্র ব্যাক্তিগত তাৎক্ষণিক স্বার্থের চিন্তা করে। এদের কাজে যে এদের নিজেদের, এদের পরবর্তী প্রজন্মের ও সমাজের দীর্ঘকালীন চরম ক্ষতি হচ্ছে - সেটা তাদের মাথায় ঢোকেনা। এর জন্যই তাঁরা নিজেদের "সমাজ-বিরোধী ছোটো জাত" এ পরিনত করে, জেনেশুনে বা অজান্তে। জয় ভীম, জয় ভারত BSP জিন্দাবাদ 🐘🐘🐘🐘🐘🐘
- জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে দীর্ঘদিনের ড্রেন ও জল জমার সমস্যা খতিয়ে দেখতে হঠাৎ পরিদর্শনে বিধায়ক। সঙ্গে ছিলেন জঙ্গিপুরের এসডিও, পিডব্লিউডি ও পৌরসভার ইঞ্জিনিয়াররা।1
- বর্তমানে এলাকার রাস্তাঘাট উদ্বোধন প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক : বড়ঞার BJP নেতা মহঃ জালাল উদ্দিন (আফাজ)-র1
- ✨ বীরভূম তথা রামপুরহাটে প্রথম আধুনিক এপক্সিড ফ্লোর সলিউশন ✨ আপনাদের শহর রামপুরহাটে (বীরভূম) প্রথমবারের মতো শুরু হলো উন্নত মানের এপক্সিড ফ্লোরিং পরিষেবা। টাইলস বা মার্বেলের তুলনায় অনেক বেশি টেকসই, আকর্ষণীয় ও দীর্ঘস্থায়ী এই ফ্লোরিং আপনার বাড়ি, দোকান, অফিস কিংবা শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য একেবারে উপযুক্ত। 🔹 আমাদের বিশেষত্ব ✔ জয়েনবিহীন ও ঝকঝকে ফিনিশ ✔ সম্পূর্ণ ওয়াটারপ্রুফ ✔ ভারী চাপ সহনশীল ও দীর্ঘস্থায়ী ✔ আধুনিক ডিজাইন ও উন্নত মানের উপকরণ 📍 ঠিকানা: রামপুরহাট, বীরভূম 📞 যোগাযোগ করুন: +91 7001508343 আজই যোগাযোগ করুন এবং আপনার মেঝেকে দিন আধুনিকতার নতুন রূপ। #রামপুরহাট #বীরভূম #এপক্সিডফ্লোর #EpoxyFloor #ModernFlooring #WaterproofFloor #JointlessFloor #DurableFloor #HomeAndOffice #Rampurhat1
- আগ্নেয়াস্ত্র-সহ হোটেল মালিক গ্রেফতার, উদ্ধার ৭ এমএম পিস্তল1
- নাকাশীপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিল্লগ্রাম অঞ্চলে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড়সড় রদবদলের ঘটনা সামনে এল। বিল্লগ্রাম অঞ্চলের ৭১ নম্বর বুথ, চন্দনপুর গ্রাম থেকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করলেন।1
- বীরভূমের রামপুরহাটের ভাঁড়সালা পাড়ায় সন্দেহভাজন ঘোরাফেরা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার1
- নলহাটি বিধানসভায় সমাজবাদী পার্টির কর্মী সম্মেলন, জোর প্রস্তুতিতে সংগঠন1
- ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের পাশে ভরতপুর পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী ও পঞ্চায়েত সদস্যরা1