সামশেরগঞ্জে জনস্রোতের অপেক্ষা! আজ কাঁপবে কৃষি মান্ডি ময়দান—আসছেন Rahul Gandhi!” মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে আজ নজিরবিহীন সামশেরগঞ্জে জনস্রোতের অপেক্ষা! আজ কাঁপবে কৃষি মান্ডি ময়দান—আসছেন Rahul Gandhi!” মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে আজ নজিরবিহীন ভিড়ের সম্ভাবনা। কৃষি মান্ডি ময়দান ঘিরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে জোরকদমে প্রস্তুতি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা Rahul Gandhi-র জনসভাকে কেন্দ্র করে কার্যত সরগরম পুরো এলাকা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গীপুর ও রঘুনাথগঞ্জের প্রার্থীদের সমর্থনে এই মঞ্চ থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন তিনি। ফলে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল। সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই উপস্থিত সামশেরগঞ্জ ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তাসিরুদ্দিন আহমেদ। মাঠজুড়ে কর্মীদের ব্যস্ততা, সাজসজ্জা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
সামশেরগঞ্জে জনস্রোতের অপেক্ষা! আজ কাঁপবে কৃষি মান্ডি ময়দান—আসছেন Rahul Gandhi!” মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে আজ নজিরবিহীন সামশেরগঞ্জে জনস্রোতের অপেক্ষা! আজ কাঁপবে কৃষি মান্ডি ময়দান—আসছেন Rahul Gandhi!” মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে আজ নজিরবিহীন ভিড়ের সম্ভাবনা। কৃষি মান্ডি ময়দান ঘিরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে জোরকদমে প্রস্তুতি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা Rahul Gandhi-র জনসভাকে কেন্দ্র করে কার্যত সরগরম পুরো এলাকা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গীপুর ও রঘুনাথগঞ্জের প্রার্থীদের সমর্থনে এই মঞ্চ থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন তিনি। ফলে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল। সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই উপস্থিত সামশেরগঞ্জ ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তাসিরুদ্দিন আহমেদ। মাঠজুড়ে কর্মীদের ব্যস্ততা, সাজসজ্জা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।
- মঙ্গলবার মালদার চাঁচলে হয়ে গেল হাই ভোল্টেজ নির্বাচনী সভা। উত্তর মালদার চার-চারজন কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা করলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সভামঞ্চ থেকে তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের যেমন সমালোচনা করেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে।আগামী ২৩শে এপ্রিল মালদায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তাই আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মালদায় কংগ্রেসের পুরনো ঘাঁটি পুনরুদ্ধারে মঙ্গলবার মালদায় নির্বাচনী প্রচারে আসেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি চাঁচলের কলমবাগান মাঠে সভা করেন। চাঁচলের কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব, মালতীপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম নূর, রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিন আলম এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মোস্তাক আলমের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় কংগ্রেস নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। রাহুল গান্ধী বেলা ১টা নাগাদ হেলিকপ্টারে চেপে সভাস্থলে পৌঁছান। তিনি হেলিকপ্টার থেকে নেমে সভামঞ্চে পৌঁছানো মাত্রই কংগ্রেস, নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উন্মাদনার ছবি নজরে আসে। ভিড়ে ঠাসা সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রথমেই বিজেপির বিরুদ্ধে জোরদার আক্রমণ শানান। একহাত নেন তৃণমূলকেও। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের পাঁচ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে কংগ্রেস প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করা সহ রাজ্যে কংগ্রেস সরকার গঠনের আবেদন জানান।1
- সোমবার, উত্তর দিনাজপুরে টলিউড অভিনেতা দেব তৃণমূলের রোড শো-তে অংশ নেন। গোয়ালপোখর, কালিয়াগঞ্জ ও ইটাহারে তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে দেবের রোড শো হয়। জনতার ঢল, নিরাপত্তার ব্যবস্থা, এবং রোড শো বন্ধের ঘটনাও ঘটেছে। তৃণমূল আশা করছে, এই প্রচার দলের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।1
- প্রতি বছরের মতো এবছরও হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডীর ডুবাপাড়ায় চৈত্র পূজা উপলক্ষে জমে উঠল ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান। ডুবাপাড়া চড়ক ময়দানে মঙ্গলবার ভোর তিনটা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত চৈত্র পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হয় এক বর্ণাঢ্য রঙ্গিল হাজরা নাচ প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দেবদেবীর রূপে সেজে নিজেদের নৃত্য ও অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেন। ভোররাত থেকেই ময়দানে ভিড় জমায় এলাকার অসংখ্য মানুষ। ঢাক-ঢোলের তালে তালে রঙিন পরিবেশে জমে ওঠে গোটা অনুষ্ঠান। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী জয়েল মুর্মু। তিনি ময়দানে এসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও জনসংযোগ করেন এবং সকলকে শুভেচ্ছা জানান।1
- Post by Safikul islam1
- Post by Tafik1
- আজকে রঘুনাথগঞ্জে সভা শেষ করে যাওয়ার সময় আসাদউদ্দিন ওয়াসি সাহেব 👍 #assaduddinowaisi #ImranSolanki Imran Solanki-AIMIM1
- নলহাটিতে দেরিতে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির সভা, কম ভিড় নিয়ে প্রশ্ন—মঞ্চ থেকে মমতা ও মোদীকে একসাথে আক্রমণ। বীরভূমের নলহাটিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নির্ধারিত জনসভা ঘিরে দিনভর অনিশ্চয়তার পর শেষমেশ বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ তাঁর আগমন ঘটে। যদিও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফলে সভাস্থলে উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে ফিরে যেতে শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছুটা উৎসাহ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ভিড় কমতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে অনুমান, সভায় উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০-এর মধ্যে ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশিত জনসমাগম না হওয়ায় সভার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, উপস্থিত অনেকেই মূলত হেলিকপ্টার দেখতে বা কৌতূহলবশত সভাস্থলে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, এত বড় নেতার উপস্থিতিতেও যদি মাঠ পূর্ণ না হয়, তবে তা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের নলহাটি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি অশোক ঘোষ বলেন, “নলহাটিতে এআইএমআইএম-এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। এত বড় নেতা আসার পরও যদি জনসমাগম সীমিত থাকে, তাহলে তা স্পষ্ট বার্তা দেয়। এখানে মানুষ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস-কেই ভরসা করে।” তিনি আরও দাবি করেন, “অনেকেই শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দেখতে এসেছিলেন, রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য নয়।” পাশাপাশি এআইএমআইএম-কে কটাক্ষ করে তিনি একে “বিজেপির বি-টিম” বলেও অভিযোগ তোলেন। এদিকে সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সরাসরি আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। ওয়াইসি অভিযোগ করেন, “মোদী বলছেন মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেও বাস্তবে তাদেরই শক্তিশালী করেছেন।” তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই—দুজনেই এক।” পাশাপাশি অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বহু বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সময়ের সিদ্ধান্তগুলিও প্রশ্নের মুখে তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাপকে ভরসা করা যায়, কিন্তু বিজেপিকে নয়” মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ওয়াইসি বলেন, “বিজেপিকে যদি দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা আপনার হাতেই হয়েছে।” তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে এআইএমআইএম-এর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দেরিতে আগমন ও তুলনামূলক কম ভিড়—এই দুই বিষয়কে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সব মিলিয়ে, নলহাটির এই সভা ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আগামী দিনে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।1
- মঙ্গলবার মালদার চাঁচলে হয়ে গেল হাই ভোল্টেজ নির্বাচনী সভা। উত্তর মালদার চার-চারজন কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা করলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সভামঞ্চ থেকে তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের যেমন সমালোচনা করেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে।আগামী ২৩শে এপ্রিল মালদায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তাই আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মালদায় কংগ্রেসের পুরনো ঘাঁটি পুনরুদ্ধারে মঙ্গলবার মালদায় নির্বাচনী প্রচারে আসেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি চাঁচলের কলমবাগান মাঠে সভা করেন। চাঁচলের কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব, মালতীপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম নূর, রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী মোত্তাকিন আলম এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মোস্তাক আলমের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় কংগ্রেস নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। রাহুল গান্ধী বেলা ১টা নাগাদ হেলিকপ্টারে চেপে সভাস্থলে পৌঁছান। তিনি হেলিকপ্টার থেকে নেমে সভামঞ্চে পৌঁছানো মাত্রই কংগ্রেস, নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উন্মাদনার ছবি নজরে আসে। ভিড়ে ঠাসা সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রথমেই বিজেপির বিরুদ্ধে জোরদার আক্রমণ শানান। একহাত নেন তৃণমূলকেও। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের পাঁচ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে কংগ্রেস প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করা সহ রাজ্যে কংগ্রেস সরকার গঠনের আবেদন জানান।1