ফুটব্রিজ নির্মাণ নিয়ে ছাওমনু-মনু সড়কে ১১ ঘণ্টা ধরে অবরোধ ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট ফুটব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাওমনু-মনু সড়কে প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে পথ অবরোধ চলছে। দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে ফুটব্রিজটি অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা সমাধানের জন্য ফুটব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে সেটি অন্য এলাকায় স্থানান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ছাওমনু-মনু সড়কে অবরোধ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। অবরোধের ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলায় সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানা গেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডি.এম. এবং ৪৯ নম্বর ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিধায়ক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত পথ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। প্রায় ১১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অবরোধ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফুটব্রিজটি কেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এখন প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
ফুটব্রিজ নির্মাণ নিয়ে ছাওমনু-মনু সড়কে ১১ ঘণ্টা ধরে অবরোধ ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট ফুটব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাওমনু-মনু সড়কে প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে পথ অবরোধ চলছে। দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে ফুটব্রিজটি অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা সমাধানের জন্য ফুটব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে সেটি অন্য এলাকায় স্থানান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ছাওমনু-মনু সড়কে অবরোধ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। অবরোধের ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলায় সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানা গেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডি.এম. এবং ৪৯ নম্বর ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিধায়ক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত পথ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। প্রায় ১১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অবরোধ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফুটব্রিজটি কেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এখন প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
- ফুটব্রিজ নির্মাণ নিয়ে ছাওমনু-মনু সড়কে ১১ ঘণ্টা ধরে অবরোধ ছাওমনু থেকে সুমন বড়ুয়ার রিপোর্ট ফুটব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাওমনু-মনু সড়কে প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে পথ অবরোধ চলছে। দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে ফুটব্রিজটি অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা সমাধানের জন্য ফুটব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে সেটি অন্য এলাকায় স্থানান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ছাওমনু-মনু সড়কে অবরোধ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। অবরোধের ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলায় সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানা গেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডি.এম. এবং ৪৯ নম্বর ছাওমনু বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিধায়ক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত পথ অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। প্রায় ১১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অবরোধ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফুটব্রিজটি কেন দেবেন্দ্র কারবাড়ি পাড়া থেকে অর্জনমণি কারবাড়ি পাড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এখন প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।1
- ভগবান টিলা–করবুক সড়ক মেরামতে অনিয়মের অভিযোগ, উঠছে একাধিক প্রশ্ন করবুক | ২৪ আগস্ট ২০২৬ করবুক পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মেরামতের কাজ চলছে। তবে মেরামতের কাজের ধরন নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান করবুক প্রেসক্লাবের সদস্যরা। ঘটনাস্থলে দেখা যায়, পুরনো পিচের রাস্তার ওপর মাটি ও অন্যান্য উপকরণ ছড়িয়ে রাস্তা সমতল করার কাজ চলছে। কোথাও আবার রাস্তার পুরনো অংশ পরিষ্কার করে তার ওপর বিটুমিনজাতীয় উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দেখা যায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, পুরনো পিচের রাস্তা কি এই পদ্ধতিতেই মেরামত করার কথা ছিল? রাস্তার কাজে নির্ধারিত সরকারি মান ও অনুমোদিত প্রাক্কলন অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, শ্রমিকদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষও রাস্তার ওপর মাটি ও উপকরণ ছড়িয়ে সমতল করার কাজে যুক্ত রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কাজের গুণমান নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, শ্রী সঞ্জীব প্রসাদ নামে এক ঠিকাদারের মাধ্যমে এই কাজ পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কিংবা সরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।প্রশ্ন উঠছে—সরকারি অর্থে চলা এই রাস্তা মেরামতের কাজ কি অনুমোদিত প্রাক্কলন ও নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান অনুযায়ী হচ্ছে? কাজের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কী ধরনের উপকরণ ব্যবহারের কথা রয়েছে এবং বাস্তবে কী ব্যবহার করা হচ্ছে—এসব বিষয় সরকারি নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। করবুক প্রেসক্লাবের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকৃত তথ্য সামনে আনার দাবি জানানো হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ এখনও প্রমাণিত নয়। প্রকৃত সত্য জানতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের নথি, প্রকল্পের প্রাক্কলন, কাজের পরিমাণ এবং ব্যবহৃত উপকরণের গুণমান পরীক্ষা করা জরুরি। এখন প্রশ্ন—রাস্তা মেরামতের নামে আসলে কী কাজ হচ্ছে? সরকারি নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে তো? আর যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে তার দায়ভার কার? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে সরকারি নথি যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের পরই।4
- সাবরুম দক্ষিন ত্রিপুরা পোয়াংবাড়ি আরডি ব্লক অন্তর্গত সমরেন্দ্র গঞ্জ রাজনগরের বাসিন্দা সুজিত দেবনাথ নামে ওই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ভাবে পরে আছে। ওই পরিবারের খোঁজ নিয়ে জানা যায় তাদের বাড়ির পার্শবর্তী এক মাতব্বর নাকি জোর জবরদস্তি করে তাদের আসা যাওয়ার রাস্তাটি দখল করে রেখেছে। এই ছাড়া ওই রাস্তার মধ্যে মাতব্বরের পরিবার বিভিন্ন নোংরা আবর্জনা ফেলতো। এই বেপারে সুজিত দেবনাথ মাতব্বরকে জিজ্ঞাসা করলে, ওই মাতব্বরের পরিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এই ঘটনার বেপারে সুজিত পঞ্চায়েত জানালে, ওই মাতব্বর পঞ্চায়েতে যেতে চাইনি। কারণ মাতব্বরের ছিল অর্থের জোর।1
- কুঞ্জবন এলাকায় জলের ট্যাংক থেকে পড়ে এক যুবতীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কুঞ্জবন এলাকায় জলের ট্যাংক থেকে পড়ে এক যুবতীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- এই মুহূর্তে বড় খবর #BreakingNews বড় ভাইয়ের রডের আঘাতে রক্তাক্ত ছোট ভাই! সাব্রুমে পারিবারিক বিবাদ, #sabroomexpress #সাব্রুম #বিলোনিয়া #শান্তিরবাজার এই মুহূর্তে বড় খবর #BreakingNews বড় ভাইয়ের রডের আঘাতে রক্তাক্ত ছোট ভাই! সাব্রুমে পারিবারিক বিবাদ, #sabroomexpress #সাব্রুম #বিলোনিয়া #শান্তিরবাজার1
- রাস্তা দখল করেছে মাতব্বর। হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতেও সমস্যা। সাব্রুম পোয়াংবাড়ি ব্লকের অন্তর্গত সমরেন্দ্রগঞ্জ রাজনগরের বাসিন্দা সুজিত দেবনাথ অভিযোগ করেছেন।1
- বক্সনগরে বিজেপিতে বড় ধাক্কা, তিপ্রা মথায় যোগ দিয়ে প্রচারে রতি রঞ্জন ত্রিপুরা।1
- জলেফা গ্রাম পঞ্চায়েতের লালচাঁদ পাড়ায় পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে বড়ভাইয়ের রডের আঘাতে গুরুতর আহত ছোটভাই দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সাব্রুম মহকুমার পূর্ব জলেফা গ্রাম পঞ্চায়েতের লালচাঁদ পাড়ায় পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে বড়ভাইয়ের রডের আঘাতে গুরুতর আহত ছোটভাই। আহতের নাম লিটন দেবনাথ, বয়স ৩৫ বছর। জানা গেছে, কোনো এক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় লোহার রড দিয়ে লিটন দেবনাথের মাথায় আঘাত করা হয়। ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত লিটনকে উদ্ধার করে দ্রুত সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসক শুভ্রদীপ দাস জানান, আহতের মাথায় আঘাতের মাত্রা বেশি হওয়ায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অন্যদিকে, আহত লিটন দেবনাথের অভিযোগ, তাঁর বড়ভাই ও বৌদি দু’জনে মিলে লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করেছেন।1