Shuru
Apke Nagar Ki App…
দিলীপ ঘোষের “পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন” মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস বিধায়ক জুলফিকার তাকে সরাসরি পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। জুলফিকার দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, “পারলে পাঠিয়ে দেখান”।
Samaulllah Mallick
দিলীপ ঘোষের “পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন” মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস বিধায়ক জুলফিকার তাকে সরাসরি পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। জুলফিকার দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, “পারলে পাঠিয়ে দেখান”।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দিলীপ ঘোষের “পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন” মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস বিধায়ক জুলফিকার তাকে সরাসরি পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। জুলফিকার দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, “পারলে পাঠিয়ে দেখান”।1
- বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে একটি যোগাভ্যাস অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই, জেলা শাসক ডঃ পি দ্বীপাপ প্রিয়া, হাওড়া পুর কমিশনার তেজস্বী দানা, বিধায়ক রুদ্রনীল, ঘোষ সঞ্জয় সিং এবং বহু ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।1
- বৃহস্পতিবার কলকাতায় কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছিল কংগ্রেস সেবা দল। একটি প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপির তথাকথিত 'ওয়াশিং মেশিন রাজনীতি'র বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা জানানো হয়। কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।1
- বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় বিদ্যুৎ চমকের সঙ্গে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টিতে দিনের বেলায় অনুভূত অসহ্য গরম থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলেছে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। যাদবপুর ৮ বি বাসস্ট্যান্ডের বৃষ্টিস্নাত মুহূর্তের ভিডিও দেখা গেছে। তবে, এই বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও, এই আরাম আদৌ স্থায়ী হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- হাওড়ার বাগনান থানা এলাকায় এক বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত বিজেপি নেতার নাম প্রশান্ত দে, যাঁর বয়স ৫০ বছর ছিল। এই ঘটনায় বিজেপি-র আরও দুই কর্মী, অতনু বেরা ও অজয় মণ্ডল, গুরুতর আহতাবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে বাগনানের সন্তোষপুর পাইকপাড়ি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা ওই বিজেপি নেতাদের ওপর চড়াও হয় এবং তাঁদের মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে বাগনান হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে সেখানেই প্রশান্ত দে-এর মৃত্যু হয়। এই বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় জনগণ বাগনান-শ্যামপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এই ঘটনায় অভিযোগের তীর সরাসরি বিরোধী দলের অর্থাৎ স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের দলবলের দিকে। বাগনান থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় আটজনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে।4
- কংগ্রেস কলকাতায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই বিক্ষোভে কংগ্রেস কর্মীরা ওয়াশিং মেশিন হাতে নিয়ে পথে নেমেছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একটি কড়া মন্তব্য বর্তমানে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। নন্দীগ্রামে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে, সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা এখন থেকে আর সবাইকে দেওয়া উচিত নয়। বরং, এই সুবিধা কেবল সেইসব 'দায়িত্বশীল নাগরিক'-দেরই দেওয়া উচিত। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, যারা দেশের পরিচয় 'বন্দে মাতরম'-এর প্রতি সম্মান দেখান না এবং স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশ সত্ত্বেও টিকাকরণ করান না, তাদের কেন সরকারি সুবিধা দেওয়া হবে? শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্যের মাধ্যমে টিএমসি-র শাসনামলে চলমান দুর্নীতির প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন। তার এই বিবৃতিটি সরাসরি সেইসব মানুষকে সতর্ক করছে, যারা সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেন, কিন্তু যখন দেশপ্রেম বা মৌলিক নাগরিকত্বের নিয়ম পালনের প্রশ্ন আসে, তখন তারা পিছিয়ে যান। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এখন সরকারি প্রকল্পগুলিতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলার উপর জোর দিচ্ছেন। তার লক্ষ্য হল রাজ্যে সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা সঠিক ও যোগ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তিনি চান যে, বাংলায় ভর্তুকি ও প্রকল্পের বন্টন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হোক।1
- অধীর রঞ্জন চৌধুরী তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতাদের সরাসরি আক্রমণ করে প্রশ্ন তুলেছেন যে, তাঁরা আসলে বিদ্রোহী নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দয়ায় নির্বাচনে জিতেছেন। এই মন্তব্য তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভেদ এবং নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের প্রশ্নকে সামনে এনেছে। চৌধুরীর এই বিস্ফোরক প্রশ্ন তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা তৈরি করেছে এবং এটি এমন এক সময়ে এলো যখন তৃণমূলের বেশ কিছু নেতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ উঠছে।1