শালবাড়ি এলাকায় বয়স্কদের বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণ কে প্রভাবিত করার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে, অভিযোগ করল বিজেপি তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বয়স্ক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণকে ঘিরে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি ভোট গ্রহণের সময় শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, নির্দিষ্ট ভোটকর্মী, অনুমোদিত পোলিং এজেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিত থাকার কোনও অনুমতি নেই। অথচ সেই নিয়মকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিলন বর্মন ভোটকর্মীদের গাড়ির পিছন পিছন ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রতিটি এলাকায় তাদের অনুসরণ করেন তিনি। বিজেপির দাবি, এটি শুধু অনৈতিক নয়, সরাসরি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করার সামিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি শিবির। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “এভাবে যদি শাসকদলের নেতারা ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট জবাব না মিললেও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই ধরনের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে—এই স্পষ্ট বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন কতটা কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।
শালবাড়ি এলাকায় বয়স্কদের বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণ কে প্রভাবিত করার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে, অভিযোগ করল বিজেপি তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বয়স্ক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণকে ঘিরে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি ভোট গ্রহণের সময় শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, নির্দিষ্ট ভোটকর্মী, অনুমোদিত পোলিং এজেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিত থাকার কোনও অনুমতি নেই। অথচ সেই নিয়মকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিলন বর্মন ভোটকর্মীদের গাড়ির পিছন পিছন ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রতিটি এলাকায় তাদের অনুসরণ করেন তিনি। বিজেপির দাবি, এটি শুধু অনৈতিক নয়, সরাসরি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করার সামিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি শিবির। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “এভাবে যদি শাসকদলের নেতারা ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট জবাব না মিললেও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই ধরনের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে—এই স্পষ্ট বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন কতটা কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।
- এখন অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের লড়াইয়ে রীতিমতো সরগরম করে তুলেছে গোটা অঞ্চলকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এলাকায় ব্যাপকভাবে পতাকা লাগানো হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী পক্ষ আপত্তি তোলে এবং অভিযোগ করে, জোর করে ও পরিকল্পিতভাবে এলাকা দখলের চেষ্টা চলছে। পাল্টা শাসকদলের দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার মেনেই তাদের দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছে এবং বিরোধীরাই অযথা উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বচসা বাধে, এমনকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইছেন দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক। এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে, শামুকতলায় পতাকা বিতর্ক এখন রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশেও।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের ডিউটি না কাটলে ১৩ মাসের সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যেতে হবে1
- ভোটের ডিউটি বাতিল না হলে ১৩ মাসের শিশুসহ সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ভোটকর্মীর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এক ভোটকর্মীর বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়েও ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি পাননি তিনি। ওই কর্মীর দাবি, তাঁর ১৩ মাসের ছোট সন্তান রয়েছে, যাকে রেখে দীর্ঘ সময় ডিউটি করা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ডিউটি বাতিল না করা হলে শিশুসন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছেই রেখে দায়িত্ব পালন করতে যাবেন। ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাপে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- দিনহাটা কলেজে ট্রেনিং শেষে ভোট দিতে এসে কি বললেন ভোট কর্মীরা শুনুন। আমরা শুনবো তাদের বক্তব্য।1
- মাথাভাঙ্গায় নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহে বিজেপি প্রার্থী Nisith Pramanik বিভিন্ন ওয়ার্ডে জোরদার ভোট প্রচারে নামলেন। ঘরে ঘরে পৌঁছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি, তুলে ধরেন দলের উন্নয়নের বার্তা। প্রচারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, ফলে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। ভোটের আগে নিশিথের এই প্রচার ঘিরে মাথাভাঙ্গার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।1
- *কোচবিহার জেলার বিভিন্ন সংবেদনশীল ও অতীতে হিংসাপ্রবণ বুথ এলাকায় ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন।1
- অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বড় ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি সামনে এসেছে, যা ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ভোটকর্মীদের একাংশ জানান, উপস্থিতির তালিকায় তাঁদের নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট নট একসেপ্টেড ” বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে তাঁরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যান। এই ধরনের ভুল তথ্য কীভাবে তালিকায় এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাঁদের দাবি, আগে থেকে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ বা ব্যাখ্যা না থাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ এই বিষয়টি জানতে পেরে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এদিকে, এই সমস্যার জেরে বহু ভোটকর্মীকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং একাধিক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। অভিযোগ, নির্দিষ্ট কোনও হেল্পডেস্ক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের তরফে সঠিক দিশা না মেলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয় তাঁদের। ভোটকর্মীদের একাংশের কথায়, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল দায়িত্বের ক্ষেত্রে এ ধরনের অব্যবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্বেই যদি এই ধরনের গাফিলতি থাকে, তাহলে ভোটের দিন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান ও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ভোটকর্মীরা।1