Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে কালবৈশাখী তান্ডবে দুটি পৃথক পৃথক ঘটনা বিস্তারিত দেখুন
Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে কালবৈশাখী তান্ডবে দুটি পৃথক পৃথক ঘটনা বিস্তারিত দেখুন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে কালবৈশাখী তান্ডবে দুটি পৃথক পৃথক ঘটনা বিস্তারিত দেখুন1
- Post by NEWS 24 BANGLA2
- ফেরি করতে ভিন রাজ্যে গিয়েছিলেন তারপর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না দুই ফেরিওয়ালার। নিখোঁজ দুজনেরই বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের চড়কায়। উদ্বিগ্ন তাদের পরিবার বিষয়টি পুলিশকেও জানিয়েছেন। এরই মধ্যে ফেসবুক থেকে একটি পাওয়া ছবি এবং মিজোরামের একটি ইউটিউবার এর ভিডিও দেখার পর পরিবারের বিশ্বাস দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে। এরপরেই দুটি বাড়িতেই কান্নার রোল উঠেছে। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন যে ছবি পোস্ট করা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে তিন জন কে মেরে ফেলা হয়েছে। তার মধ্যে এই নিখোঁজ দুজন রয়েছে। পরিবারের দাবি এই দুজন ছাড়া আরো একজন রয়েছে যার বাড়ি অসমে যে গাড়ির ড্রাইভার ছিল।ভিন দেশের জঙ্গি গোষ্ঠীরাই মেরেছে বলেও পরিবারের দাবি। পরিবার চাইছে দেহ গুলি যেন ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে সরকার। যদিও পুলিশ জানিয়েছে এধরনের কোন স্পষ্ট খবর তাদের কাছে নেই। পরিবার সূত্রে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে শুরুতে ওই দুজন গিয়েছিলেন আসামে সেখান থেকে মিজোরামে, মিজোরাম থেকে কোন দিকে গিয়েছিলেন কিনা বিশেষ করে মায়নামারের দিকে গিয়েছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর ওই দুজন নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানতে পেরে মিজোরামের চমকাই জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। অবশ্য সোমবার পর্যন্ত চমপাই জেলা পুলিশ ওই বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে কিছু জানাতে পারেনি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশকে। শুধু জানিয়েছে তারাও খোঁজখবর চালাচ্ছে। নিখোঁজ দুই ফেরিওয়ালার নাম আরফিক খান এবং জাহাঙ্গীর মির্জা দুজনেই কেশপুরের চরকার বাসিন্দা। আরফিক এর বয়স বছর ২৪, জাহাঙ্গীরের বয়স বছর ২৬। নিখোঁজ দুই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তে ওই এলাকার ৫জন ফেরি করতে গিয়েছিলেন ভিন রাজ্যে। নিখোঁজ দুজনই মূলত তোষক ফেরি করতেন। একইসঙ্গে তারা তোষক তৈরীর কারিগর ছিল। শুরুতে গিয়েছিলেন অসমে সেখান থেকে মিজোরামে।গত ১৬ই মার্চ শেষ তাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হয়।তারপর থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না আত্মীয় পরিজনরা।জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চরকার দুজন নিখোঁজ রয়েছে ওদের বিষয়ে খোঁজখবর পাওয়া সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যেখানে যেখানে কথা বলার পুলিশের তরফে বলা হচ্ছে ওদের অবস্থান এর বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে বলা যেতে পারে এরকম কোন তথ্য এখনো পর্যন্ত মেলেনি। নানাভাবে খোঁজখবর করা হচ্ছে। তার মধ্যে একটি ইউটিউব ভিডিও রয়েছে। নিখোঁজের পর নিশংস খুন, বিচার চাই এই দাবি নিয়ে নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসকের দ্বারস্থ হল গ্রামবাসীরা। এদিন জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে ব্যানার নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের কার্যালয়ে এসে পৌঁছায় তারা। তাদের আরও দাবি খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে, খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং নিরপেক্ষ সঠিক তদন্ত করতে হবে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর:- আজ বিকেলের কয়েক মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ভেঙে পড়লো গাড়ির ওপর দুমড়ে মুচড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত দুটি গাড়ি।ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চাইপাটের হাট তলায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ঘটনা চাইপাট হাটতলা সংলগ্ন এলাকায়।এদিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ হঠাৎ করেই প্রবল বৃষ্টি সাথে ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। আর সেই ঘূর্ণি ঝড়ের জেরেই দাসপুরের বিভিন্ন প্রান্তেই প্রচুর পরিমাণে গাছের ডাল, গাছ ভেঙে পড়ে যায় এবং ভেঙে পড়েছে কিছু বৈদ্যুতিক খুঁটি।এখনো পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, চাইপাট হাটতলা সংলগ্ন এলাকায় দুটি চার চাকা গাড়ি ওপর গাছ পড়ে যায়। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি গাড়ি। গাড়ির মালিকের নাম সীমন্ত জানা । গাছের ডালের ভেতরে আটকে রয়েছে আরও একটি সাদা হিউন্দাই কোম্পানির ইয়ন গাড়ি। বৃষ্টি থামতেই এলাকার মানুষজন ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই দুর্ঘটনাগ্রস্থ গাড়ি থেকে উদ্ধারের জন্য।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের অন্তর্গত অজবনগর ১ নম্বর অঞ্চলের হরিদাসপুর গ্রামের এই রাস্তাটি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। যাতায়াতের নূন্যতম পরিবেশ নেই, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি মরণফাঁদে পরিণত হয়। এলাকাবাসীর নিত্যদিনের যাতায়াতে চরম অসুবিধা হলেও প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই। আমরা কি তবে উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিতই থাকব? প্রশাসনের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, দ্রুত এই রাস্তার সংস্কার করা হোক।5
- দীর্ঘ ১৫ বছর কোনরকম রাস্তার কাজ হয়নি চন্দ্রকোনা ২ বসন ছড়া তিন নম্বর অঞ্চলের বড় মুইদা গ্রামে রাস্তার বেহাল দশা। প্রথম এই রাস্তার কাজ হয় বামফ্রন্ট আমলে। তার প্রত্যেকে বর্তমান সরকার কোন রকম ভাবেই এই রাস্তার কাজে হাত দেয় না। বছরের পর বছর গ্রাম বাসীরা ঘুরে চলেছে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে।1
- রাস্তা নাকি মরণফাঁদ? ২০২৬-এর আগে রাস্তা না হলে ভোট বয়কটের ডাক চন্দ্রকোনায়)1
- কেশপুরের কোয়াই গ্রামে রাম মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসংযোগ শিউলি সাহার1