শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্যাপন, গবেষণাগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও কৃতি ব্যক্তিদের সংবর্ধনা নিজস্ব প্রতিনিধি: ঐতিহ্য ও গৌরবের আবহে শনিবার দুই পর্বে পালিত হলো শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, অশিক্ষক কর্মচারী, প্রাক্তনী এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় প্রভাত ফেরির মাধ্যমে। এরপর কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, প্রাক্তনী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রীপৎ সিং দুগরজীর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন শ্রী ছোটন গোস্বামী। দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় কলেজের ৫ নম্বর রবীন্দ্র সভাকক্ষে। মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলন ও কল্যাণকর মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাতা শ্রীপৎ সিং দুগরজীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং উপস্থিত সকলের কণ্ঠে ‘বন্দেমাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষক ড. শক্তিনাথ ঝা, অবিনাশ ভবনের জমিদাতা শ্রীমতি মুক্তি দেবী, কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রাক্তন অধ্যাপক ড. প্রীতিকুমার রায়চৌধুরী-সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। স্বাগত ভাষণে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার কলেজের ঐতিহ্য, শিক্ষা ও গবেষণার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিন কলেজ থেকে প্রকাশিত ISBN-সংযুক্ত গবেষণাগ্রন্থ ‘একশো পঁচিশে শরদিন্দু এবং বনফুল: বহুমাত্রিক দৃষ্টিতে’-এর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, ড. শক্তিনাথ ঝা এবং মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা যৌথভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে ছাত্র-ছাত্রীরা সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষক সংসদের সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাস ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সম্মিলিত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন শ্রী সোমনাথ ভট্টাচার্য। ঐতিহ্য, শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চেতনায় ভরপুর এই ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় ও আবেগঘন দিন হয়ে থাকবে।
শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্যাপন, গবেষণাগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও কৃতি ব্যক্তিদের সংবর্ধনা নিজস্ব প্রতিনিধি: ঐতিহ্য ও গৌরবের আবহে শনিবার দুই পর্বে পালিত হলো শ্রীপৎ সিং কলেজের ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, অশিক্ষক কর্মচারী, প্রাক্তনী এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় প্রভাত ফেরির মাধ্যমে। এরপর কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, প্রাক্তনী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রীপৎ সিং দুগরজীর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন শ্রী ছোটন গোস্বামী। দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় কলেজের ৫ নম্বর রবীন্দ্র সভাকক্ষে। মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলন ও কল্যাণকর মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাতা শ্রীপৎ সিং দুগরজীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং উপস্থিত সকলের কণ্ঠে ‘বন্দেমাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষক ড. শক্তিনাথ ঝা, অবিনাশ ভবনের জমিদাতা শ্রীমতি মুক্তি দেবী, কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রাক্তন অধ্যাপক ড. প্রীতিকুমার রায়চৌধুরী-সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। স্বাগত ভাষণে অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার কলেজের ঐতিহ্য, শিক্ষা ও গবেষণার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিন কলেজ থেকে প্রকাশিত ISBN-সংযুক্ত গবেষণাগ্রন্থ ‘একশো পঁচিশে শরদিন্দু এবং বনফুল: বহুমাত্রিক দৃষ্টিতে’-এর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অধ্যক্ষ ড. কমল কৃষ্ণ সরকার, ড. শক্তিনাথ ঝা এবং মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা যৌথভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে ছাত্র-ছাত্রীরা সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষক সংসদের সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাস ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সম্মিলিত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন শ্রী সোমনাথ ভট্টাচার্য। ঐতিহ্য, শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চেতনায় ভরপুর এই ৭৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় ও আবেগঘন দিন হয়ে থাকবে।
- মারগ্রাম পঞ্চায়েত উপ-প্রধানের স্বামী আলমগীর শেখ জামিনে মুক্ত কি বললেন আইনজীবী মারগ্রাম পঞ্চায়েত উপ-প্রধানের স্বামী আলমগীর শেখ জামিনে মুক্ত কি বললেন আইনজীবী।1
- মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও সুমন ঘোষ, বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন-সহ ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। এদিন জনগণনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়। জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথক নিবন্ধন করা হবে এবং তার ভিত্তিতেই পরিবারের সদস্যদের তথ্য নথিভুক্ত করা হবে। দীর্ঘ বিরতির পর জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় আগামী কয়েক মাস ধরে এই কার্যক্রম চলবে।1
- ১ আগষ্ট থেকে শুরু জনগননা, সহযোগিতার আহ্বান জেলাশাসকেরঃ সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ৩১ আগষ্টঃ ১ আগষ্ট অর্থাৎ শনিবার থেকে এই রাজ্যে শুরু হচ্ছে জনগননা। শনিবার টাউন হলে এই জনগননা কর্মসূচির সূচনা হবে। দুপুর ১২ টা নাগাদ হবে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল (আই এ এস) সকলকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।1
- খারাপ রাস্তা আমি বর্ধমান জেলার ভাতার থানার পানোয়া গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের বাড়ির পাশেই একটি প্রাইমারি স্কুল আছে। বাচ্চারা প্রত্যেকদিন এই বাজে রাস্তা দিয়ে স্কুল যায়। এত আনুমানিক 200 থেকে 250 মিটার রাস্তা হবে। এই রাস্তাটি ঢালাই করে দিলে গ্রামের বাচ্চাদের খুব সুবিধা হয়।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, গতকাল 31/07/26 অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান ও মাতৃ সম্মেলন। নদীয়ার কৃষ্ণনগর সৎসঙ্গ স্বস্তি শিবিরে, গতকাল 31/07/26 অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সৎসঙ্গ অনুষ্ঠান ও মাতৃ সম্মেলন। প্রচুর মানুষ সন্ধ্যার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রসাদ বিতরণও করা হয়। রইল অনুষ্ঠানের ভিডিও। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- রাজ্যজুড়ে শুরু জনগণনা: বহরমপুরে আত্মগণনার সূচনা করলেন মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ রাজ্যজুড়ে শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত জনগণনার কাজ। শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স হলে এক প্রশাসনিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ, মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক আর অর্জুন সহ প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। এদিনের কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ নিজে প্রথমে নিজের আত্মগণনার কাজ সম্পন্ন করে উপস্থিত সকলের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।1
- শ্রাবণ মাসে ফরাক্কার তালতলা গঙ্গা ঘাটে শিবভক্তদের ঢল, শুরু ঐতিহ্যবাহী শ্রাবণী উৎসব পবিত্র শ্রাবণ মাস উপলক্ষ্যে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কার তালতলা গঙ্গা ঘাটে পুণ্যার্থীদের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা গেল। দূরদূরান্ত থেকে আসা শিবভক্তরা গঙ্গাজল তুলে তা ঝাড়খণ্ড জেলার শিব গাদ্দির শিবলিঙ্গে জল ঢালার উদ্দেশ্যে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন। গঙ্গাঘাট ও তার সংলগ্ন এলাকায় তিল ধারণের জায়গা নেই। হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে পুরো চত্বর মুখরিত। গেরুয়া ও লাল রঙের বিশেষ পোশাক পরা ভক্তরা দলবেঁধে "হর হর মহাদেব" ধ্বনি দিয়ে গঙ্গার জল সংগ্রহ করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘাটে বিশেষ নজরদারি ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁশের ব্যারিকেড ও জাল দিয়ে ঘেরা স্নানের জায়গা তৈরি করা হয়েছে।এলাকায় মেলা চত্বরে বসেছে বিভিন্ন পূজাসামগ্রী ও প্রসাদের দোকান।ভক্তদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক ও পুলিশ কর্মীরা অত্যন্ত তৎপর রয়েছেন।1