Shuru
Apke Nagar Ki App…
মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও সুমন ঘোষ, বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন-সহ ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। এদিন জনগণনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়। জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথক নিবন্ধন করা হবে এবং তার ভিত্তিতেই পরিবারের সদস্যদের তথ্য নথিভুক্ত করা হবে। দীর্ঘ বিরতির পর জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় আগামী কয়েক মাস ধরে এই কার্যক্রম চলবে।
Uttarbanganewslive Facebook
মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও সুমন ঘোষ, বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন-সহ ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। এদিন জনগণনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়। জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথক নিবন্ধন করা হবে এবং তার ভিত্তিতেই পরিবারের সদস্যদের তথ্য নথিভুক্ত করা হবে। দীর্ঘ বিরতির পর জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় আগামী কয়েক মাস ধরে এই কার্যক্রম চলবে।
More news from West Bengal and nearby areas
- মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে মালদার গাজোলে শুরু হলো জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। শনিবার গাজোল ব্লক প্রশাসনের চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও সুমন ঘোষ, বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন-সহ ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। এদিন জনগণনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধনের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়। জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথক নিবন্ধন করা হবে এবং তার ভিত্তিতেই পরিবারের সদস্যদের তথ্য নথিভুক্ত করা হবে। দীর্ঘ বিরতির পর জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় আগামী কয়েক মাস ধরে এই কার্যক্রম চলবে।1
- বাল্যবিবাহ, সাইবার নিরাপত্তা ও শিশু অধিকার নিয়ে গোপালগঞ্জে জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাল্যবিবাহ, সাইবার নিরাপত্তা ও শিশু অধিকার নিয়ে গোপালগঞ্জে জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক কর্মসূচি | Sabar Sangbad | Breaking News 2026 --- ⚠️ দর্শকের দৃষ্টিগোচর করা হচ্ছে যে, নিচের পোস্টে দুর্ঘটনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল বিষয়বস্তু থাকতে পারে। দয়া করে আপনার বিবেচনা অনুযায়ী দেখুন। Disclaimer: This channel does not promote any violent, harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.1
- দীর্ঘ আন্দোলনের পর হাসি ফিরল! বেতন বৃদ্ধির ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত আশা-অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা, কুশমণ্ডিতে মিষ্টিমুখ" *"দীর্ঘ আন্দোলনের পর মিলল স্বীকৃতি! বেতন বৃদ্ধির ঘোষণায় খুশির জোয়ার, কুশমণ্ডিতে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মিষ্টিমুখ"* দীর্ঘদিনের দাবি, আন্দোলন ও অপেক্ষার অবসান। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা/বেতন ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে কর্মীদের মধ্যে। সেই আনন্দ ভাগ করে নিতে শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি ব্লকের কুমারপাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হলো এক শুভেচ্ছা ও মিষ্টিমুখ কর্মসূচি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানানো হয়। উপস্থিত কর্মীদের মুখে ছিল দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর দাবি পূরণের আনন্দ। অনেকেই বলেন, এই ঘোষণা তাঁদের কাজের প্রতি নতুন উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস জোগাবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদিকা রিমা সরকার বলেন, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছেন। নতুন সরকারের ঘোষণার মাধ্যমে তাঁদের সেই দাবির বাস্তবায়ন হয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। এই সিদ্ধান্তে হাজার হাজার কর্মী উপকৃত হবেন বলেও তাঁর বক্তব্য। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী কবিতা গোস্বামী চৌধুরী, সুচিত্রা সেন সিকদার-সহ মহিলা মোর্চার অন্যান্য সদস্যরা। তাঁরা আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতেও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও বেতন বৃদ্ধির ঘোষণাকে স্বাগত জানান। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তবে কর্মপরিবেশ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নের দিকেও সরকার ভবিষ্যতে নজর দেবে বলে তাঁদের আশা। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। মিষ্টি বিতরণ, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং করতালির মধ্য দিয়ে কর্মীদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ধরা পড়ে। এলাকার বহু মানুষও এই কর্মসূচির সাক্ষী থাকেন। কুশমণ্ডি থেকে তৌফিক আনোয়ারের রিপোর্ট, TM 24News।1
- দীর্ঘদিনের দাবির সাফল্য, বেতন বৃদ্ধি উপলক্ষে আশা কর্মীদের মিষ্টিমুখ দীর্ঘদিনের দাবির সাফল্য, বেতন বৃদ্ধি উপলক্ষে আশা কর্মীদের মিষ্টিমুখ1
- শনিবার রায়গঞ্জের আকাশে মেঘের আনাগোনা, বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার রায়গঞ্জ-সহ উত্তর দিনাজপুর জেলায় আকাশ সাধারণত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। দিনের বিভিন্ন সময়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে। ভারী বর্ষণের আশঙ্কা কম হলেও বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া খোলা মাঠ বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদেরও আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে মাঠের কাজ পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে এবং আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।1
- রাজ্যজুড়ে শুরু জনগণনা: বহরমপুরে আত্মগণনার সূচনা করলেন মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ রাজ্যজুড়ে শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত জনগণনার কাজ। শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স হলে এক প্রশাসনিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ, মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক আর অর্জুন সহ প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। এদিনের কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ নিজে প্রথমে নিজের আত্মগণনার কাজ সম্পন্ন করে উপস্থিত সকলের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।1
- শ্রাবণ মাসে ফরাক্কার তালতলা গঙ্গা ঘাটে শিবভক্তদের ঢল, শুরু ঐতিহ্যবাহী শ্রাবণী উৎসব পবিত্র শ্রাবণ মাস উপলক্ষ্যে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কার তালতলা গঙ্গা ঘাটে পুণ্যার্থীদের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা গেল। দূরদূরান্ত থেকে আসা শিবভক্তরা গঙ্গাজল তুলে তা ঝাড়খণ্ড জেলার শিব গাদ্দির শিবলিঙ্গে জল ঢালার উদ্দেশ্যে ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অংশ নিচ্ছেন। গঙ্গাঘাট ও তার সংলগ্ন এলাকায় তিল ধারণের জায়গা নেই। হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে পুরো চত্বর মুখরিত। গেরুয়া ও লাল রঙের বিশেষ পোশাক পরা ভক্তরা দলবেঁধে "হর হর মহাদেব" ধ্বনি দিয়ে গঙ্গার জল সংগ্রহ করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘাটে বিশেষ নজরদারি ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁশের ব্যারিকেড ও জাল দিয়ে ঘেরা স্নানের জায়গা তৈরি করা হয়েছে।এলাকায় মেলা চত্বরে বসেছে বিভিন্ন পূজাসামগ্রী ও প্রসাদের দোকান।ভক্তদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে স্বেচ্ছাসেবক ও পুলিশ কর্মীরা অত্যন্ত তৎপর রয়েছেন।1