Shuru
Apke Nagar Ki App…
এনএইচ-১০-এর সেভক কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সড়কের ওপর বড় বড় পাথর ও মাটি পড়ে যান চলাচলে গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ থাকায়, যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহার করার এবং অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাতায়াত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
RKD Siliguri
এনএইচ-১০-এর সেভক কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সড়কের ওপর বড় বড় পাথর ও মাটি পড়ে যান চলাচলে গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ থাকায়, যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহার করার এবং অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাতায়াত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সম্প্রতি সঞ্জিত মাহাতো প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তিনি তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বিজেপির সমর্থন পেয়েছেন।1
- বর্তমানে সেন্টারে পরিবেশিত মিড ডে মিলে খাবার চুরি করার প্রবণতা থেকে বিরত থাকার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি জারি করা হয়েছে। স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, যদি এই খাবার চুরি বন্ধ না করা হয়, তাহলে জড়িতদের বড়সড় জেলের সম্মুখীন হতে হতে পারে।1
- জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের রামসাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোহাতী সংলগ্ন এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে জলঢাকা নদীতে স্নান করতে নেমে নিখোঁজ হয়ে গেছে ১২ বছর বয়সী এক কিশোর। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় দুটো নাগাদ এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। নিখোঁজ কিশোরের নাম রিক দেবনাথ বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেদিন দুপুরে চারজন মিলে জলঢাকা নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল। আচমকা নদীর মাঝখানে তারা সবাই হাবুডুবু খেতে শুরু করে। আশেপাশে থাকা লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। প্রাথমিকভাবে তিনজনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, রিক দেবনাথ নামে ওই কিশোরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং সে নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। ময়নাগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সহ সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও এসে নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে জলঢাকা নদীতে লাগাতার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন। তবে এই খবর লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ কিশোরের কোনো সন্ধান মেলেনি।1
- ২৬ জুন, মেখলিগঞ্জ ব্লকে তিনবিঘা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।4
- ধুপগুড়ি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুমলাই নদীর পাড় সংলগ্ন জলাভূমি ও নদীর অংশ দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে নদীর চরিত্র ও জলাভূমি পরিবর্তন করে প্লট কেটে বিক্রি করা হয়েছে এবং একের পর এক পাকা বাড়ি তৈরি হয়েছে ওই স্থানে। এলাকাবাসীরা বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন, যার মধ্যে প্রধান হলো— নদী ও জলাভূমি হিসেবে চিহ্নিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত মালিকানায় হস্তান্তরিত হলো এবং কোন প্রক্রিয়ায় সেই জমিতে নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, পরিবেশ আইন ও জলাভূমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধকে কার্যত উপেক্ষা করেই এই নির্মাণকাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই জমিগুলির বিক্রি এবং সেখানে ধাপে ধাপে পাকা নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে তৃণমূল পরিচালিত প্রশাসনের আমলেই। বিষয়টি নিয়ে ধুপগুড়ির বিজেপি বিধায়ক নরেশ রায় বলেন, এই অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর এবং বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও জানান, যদি সত্যিই নদী বা জলাভূমি দখল করে নির্মাণ হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হবে।1
- বৃহস্পতিবার দেওয়ানগঞ্জে জরুরি অবস্থার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কালো দিবস পালন করেছে। দলের কর্মী-সমর্থকেরা কালো ব্যাজ পরে এই দিনটি স্মরণ করেন এবং জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। বিজেপির দাবি অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করেছিল। এছাড়াও বিরোধী নেতাদের বিনা বিচারে কারাবন্দি করা হয়েছিল। ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই ঘটনাকে 'কালো অধ্যায়' হিসেবে উল্লেখ করে এদিন কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডলের সহ-সভাপতি মলয় ক্রান্তি ঘোষ এবং অলোক কুমার দাস-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।1
- অসামাজিক কার্যকলাপের অন্ধকার প্রতিরোধ করতে নকশালবাড়ির বাবুপাড়া এলাকার নাগরিকরা একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা বাবুপাড়ায় আলোর ব্যবস্থা করছেন।1
- খড়িবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দ্রুত একটি নতুন সভাপতি নির্বাচন করার দাবি উঠেছে।1
- মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ সীমান্ত এলাকায় পাচারকারীদের ছক বানচাল করতে ফের এক বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে। বুধবার একটি বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশে পাচারের আগেই ২২টি গোরু উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মেখলিগঞ্জ ব্লকের নিজতরফ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তিস্তা চর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মহম্মদ শাহবাজের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোরুগুলি উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নদী পথে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে গোরুগুলিকে চর এলাকায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে মেখলিগঞ্জ থানার তৎপর পুলিশ পাচারকারীদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে। পুলিশের এই অতন্দ্র প্রহরা ও সাফল্যে মেখলিগঞ্জের সাধারণ মানুষ স্বভাবতই খুশি। এলাকার সুরক্ষায় মেখলিগঞ্জ থানার এই সক্রিয়তা সত্যিই প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।1