আলিপুরদুয়ার জেলার ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় গভীর রাতে একটি পূর্ণবয়স্ক বুনো হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাবারের সন্ধানে হাতিটি চা-বাগান সংলগ্ন একটি রেশন গোডাউনে ঢুকে পড়ে। গোডাউনের সামনে এসে হাতিটি শাটারে জোরে ধাক্কা মারতে শুরু করে এবং একসময় শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। স্থানীয়দের অনুমান, গোডাউনের ভেতরে থাকা খাদ্যসামগ্রীর গন্ধে আকৃষ্ট হয়েই হাতিটি সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছিল। রাতের নিস্তব্ধতায় বিকট শব্দ শুনে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও বুনো হাতির উপস্থিতির কারণে কেউ কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। এই ঘটনায় গোডাউনের শাটারসহ বেশ কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর হাতিটিকে নিরাপদে জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়শই হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। খাদ্যের সন্ধানে চা-বাগান ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাতির আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী বনদপ্তরের কাছে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এই বুনো হাতির তাণ্ডবে ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় এখনও আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে। বনদপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
আলিপুরদুয়ার জেলার ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় গভীর রাতে একটি পূর্ণবয়স্ক বুনো হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাবারের সন্ধানে হাতিটি চা-বাগান সংলগ্ন একটি রেশন গোডাউনে ঢুকে পড়ে। গোডাউনের সামনে এসে হাতিটি শাটারে জোরে ধাক্কা মারতে শুরু করে এবং একসময় শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। স্থানীয়দের অনুমান, গোডাউনের ভেতরে থাকা খাদ্যসামগ্রীর গন্ধে আকৃষ্ট হয়েই হাতিটি সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছিল। রাতের নিস্তব্ধতায় বিকট শব্দ শুনে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও বুনো হাতির উপস্থিতির কারণে কেউ কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। এই ঘটনায় গোডাউনের শাটারসহ বেশ কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর হাতিটিকে নিরাপদে জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়শই হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। খাদ্যের সন্ধানে চা-বাগান ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাতির আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী বনদপ্তরের কাছে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এই বুনো হাতির তাণ্ডবে ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় এখনও আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে। বনদপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
- মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শের পর মাথাভাঙ্গা থানায় পুলিশকর্মীরা শরীরচর্চা শুরু করেছেন।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় গভীর রাতে একটি পূর্ণবয়স্ক বুনো হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাবারের সন্ধানে হাতিটি চা-বাগান সংলগ্ন একটি রেশন গোডাউনে ঢুকে পড়ে। গোডাউনের সামনে এসে হাতিটি শাটারে জোরে ধাক্কা মারতে শুরু করে এবং একসময় শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। স্থানীয়দের অনুমান, গোডাউনের ভেতরে থাকা খাদ্যসামগ্রীর গন্ধে আকৃষ্ট হয়েই হাতিটি সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছিল। রাতের নিস্তব্ধতায় বিকট শব্দ শুনে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও বুনো হাতির উপস্থিতির কারণে কেউ কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। এই ঘটনায় গোডাউনের শাটারসহ বেশ কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর হাতিটিকে নিরাপদে জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়শই হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। খাদ্যের সন্ধানে চা-বাগান ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাতির আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী বনদপ্তরের কাছে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এই বুনো হাতির তাণ্ডবে ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় এখনও আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে। বনদপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।1
- সিপিআই(এম)-এর শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ দিনহাটা শহরে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করে। শনিবার দুপুরে সংগঠনের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনের নেতৃত্বের মূল দাবি হলো, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে কোনওভাবেই হকার উচ্ছেদ করা চলবে না এবং অবিলম্বে হকারদের জন্য উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এই দাবিকে সামনে রেখেই এদিন কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। প্রতিবাদ মিছিলটি শহরের স্টেশন চৌপতি সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু হয়ে দিনহাটার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। মিছিল থেকে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে জোরালো স্লোগান তোলা হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা পুনর্বাসনের দাবিতে সোচ্চার হন। সি আই টি ইউ নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বুলডোজার দিয়ে হকার উচ্ছেদের ঘটনা সামনে এসেছে। তাদের মতে, এর ফলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে এবং হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতেই দিনহাটা শহরে এই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়।1
- গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ বিপুল পরিমাণ কফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাহেবগঞ্জ থানার অন্তর্গত চান্দেরকুঠি এলাকার নগরেরবাড়ি-৩ গ্রামের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী মননাফ শেখের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানকালে তাঁর বাড়ি থেকে দুটি নাইলনের বস্তায় রাখা মোট ৩০০ বোতল কফ সিরাপ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এনডিপিএস আইনের বিধি মেনেই এই তল্লাশি ও বাজেয়াপ্তকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অভিযানের সময় দিনহাটা-২ ব্লকের বিডিও উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার হওয়া কফ সিরাপগুলি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত মননাফ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হচ্ছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- দিনহাটা শহরে হকার উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিপিআইএমের শ্রমিক সংগঠন একটি মিছিলের আয়োজন করে। এই মিছিলের মাধ্যমে তারা হকারদের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তাদের জোরালো অবস্থান তুলে ধরে।1
- শীতলকুচিতে এক বিজেপি কর্মীকে দুষ্কৃতীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাতে বিজেপি কর্মী দীপক বর্মন প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মনের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে নগর শোভাগঞ্জ এলাকায় দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন। আচমকা লাঠি নিয়ে তাঁর উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন এবং পরিবারের সদস্যরা দীপক বর্মনকে উদ্ধার করেন। তাঁকে প্রথমে শীতলকুচি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে তিনি মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।1
- অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সংগ্রহের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে উপভোক্তাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।1
- সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ তিনশো বোতল কফ সিরাপ সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের নাগরেরবাড়ি এলাকায় একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ এই অবৈধ কফ সিরাপ উদ্ধার করে।1