Shuru
Apke Nagar Ki App…
পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ,প্রার্থী সুকমল বর্মন শুক্রবার পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ—এই বিশ্বাস বুকে নিয়েই শীতলকুচি বিধানসভা জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী সুকমল বর্মন বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরনো নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসন্ন নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেও যেন এক অন্যরকম আবেগের ছবি ধরা পড়ল শীতলকুচিতে। রাজনীতির কঠিন লড়াইয়ের ভিড়েও পুরনো সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আশীর্বাদের টানেই পথে নামলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন।
SLK News সংবাদ মাধ্যম
পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ,প্রার্থী সুকমল বর্মন শুক্রবার পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ—এই বিশ্বাস বুকে নিয়েই শীতলকুচি বিধানসভা জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী সুকমল বর্মন বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরনো নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসন্ন নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেও যেন এক অন্যরকম আবেগের ছবি ধরা পড়ল শীতলকুচিতে। রাজনীতির কঠিন লড়াইয়ের ভিড়েও পুরনো সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আশীর্বাদের টানেই পথে নামলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের মুখে বিজেপিতে ভাঙন! শুকারুরকুটিতে ১০ পরিবার তৃণমূলে।1
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জের বোর্ডিং মাঠে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারী-র সমর্থনে বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রধান বক্তা ছিলেন উদয়ন গুহ। কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দেগে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের দিন গোলমালের আশঙ্কায় কিছু তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। তাঁর দাবি, একটি ইংরেজি পত্রিকায় তাঁর ও পরেশ অধিকারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন তাঁদের আটকে রাখতে পারে। তিনি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাঁদের চিন্তা না করে বিজেপির চক্রান্ত রুখতে তৃণমূলকে ভোট দিতে হবে। এদিকে পরেশ অধিকারী বলেন, ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু তৃণমূল ভয় পায় না। জনসভায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- গত সাত আট বছরে প্রায় সব নির্বাচনের ঠিক মুখে কিছু মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার পোষাক পড়ে বিষ ছড়াতে শুরু করে। এরা দিনে পোষ্টার মেরে, লিফলেট ছড়িয়ে রাতে তৃনমূলের প্রার্থীর বাড়ি পৌঁছে পরবর্তী পরিকল্পনা করতে যান, এই কথা এখন বাজারে ঘাটে শোনা যাচ্ছে । একজন নাট্য দলের সঙ্গে যুক্ত এবং একজন কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন । এরা হরগোবিন্দ দাস , চন্দন দাসকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের সমর্থনকারীদের কে সাথে নিয়ে , সংখ্যাগুরু মৌলবাদের বিপদের গল্প শোনায়। কিন্তু বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারে, এরা বৈদেশিক ব্যাপার বলে চুপ করে থাকে।ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত এবং কর্মক্ষেত্রে নিজ গুনে পরিচিত এই সমস্ত মানুষের দ্বিচারিতা বেদনাদায়ক। সম্মানীয় এই ব্যক্তিদের মধ্যস্বত্ব ভোগী বলবার ধৃষ্টতা আমার নেই । তৃণমূল কংগ্রেসের নরকের রাজত্বকে* টিকিয়ে রাখবার জন্য ,এই বাম নেতাদের প্রচেষ্টা আলোচনার দাবি রাখে বিশেষত এখনও যারা বামেদেরকে সমর্থন করেন তাদের কাছেও। সাধারন মানুষ এদের পরিচয় জেনে গেছে। সাধারন মানুষ এর আলোচনা পথ তৈরি করতে এই কথা বলা। প্রাক্তন বাম আন্দোলনের কর্মী হিসেবে এই কথাগুলো তুলে ধরলাম এই কারণে, বামেদের নেতৃত্বের একাংশ তৃণমূলের পক্ষ নিয়ে এই রাজ্যে তারা কাজ করছেন এবং এই রাজ্যকে রসাতলে পাঠানোর পেছনে তৃণমূলের সঙ্গী বামনেতারাও সমানভাবে দায়ী।1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়-এর সমর্থনে সোমবার হলদিবাড়ি শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দলীয় পতাকা, স্লোগান ও প্রচারে মুখরিত হয়ে ওঠে শহর। ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলবে এবং মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের পথ আরও সুগম করবে।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1