এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! , নদীয়া : কলকাতার এন্টালি থানার চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় অবশেষে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। খুনকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’ (৪৪)-কে শুক্রবার সকালে নদীয়ার নবদ্বীপ থানার অন্তর্গত রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে এন্টালি থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার পটারি রোড ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় দুষ্কৃতী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৫ মে গভীর রাতে কলকাতার এন্টালি থানার অন্তর্গত পটারি রোড এলাকায় আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালীন আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র এবং বোমা ব্যবহার করা হয় বলেও দাবি স্থানীয়দের। ঘটনায় গুরুতর জখম হন এক ব্যক্তি। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, নিহত ব্যক্তি অভিযুক্তদেরই গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং এলাকায় দখলদারি নিয়েই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনার পরই তদন্তে নামে এন্টালি থানার পুলিশ। প্রথম দফায় গ্রেফতার করা হয় পিঙ্কু দাস ওরফে ‘ডাকাত’ নামে এক দুষ্কৃতীকে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে আসে দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’-র নাম। এরপর থেকেই পলাতক ছিল সে। কলকাতার পটারি রোড এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করলেও পুলিশের দাবি, গ্রেফতার এড়াতে নদীয়ার নবদ্বীপে আত্মগোপন করেছিল অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে নবদ্বীপের রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরে সেখান থেকেই দীপক দাসকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এন্টালি থানার মামলা নম্বর ১০৪/২৬ অনুযায়ী ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১)/৩(৫) ধারার পাশাপাশি অস্ত্র আইনের ২৫/২৭ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এই গ্যাংয়ের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন সক্রিয় দুষ্কৃতীর যোগ থাকতে পারে। ধৃত দীপক দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের পরিচয়, অস্ত্র সরবরাহ চক্র এবং খুনের নেপথ্যের মূল কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে এন্টালি থানার পুলিশ।
এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! , নদীয়া : কলকাতার এন্টালি থানার চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় অবশেষে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। খুনকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’ (৪৪)-কে শুক্রবার সকালে নদীয়ার নবদ্বীপ থানার অন্তর্গত রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে এন্টালি থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার পটারি রোড ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় দুষ্কৃতী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৫ মে গভীর রাতে কলকাতার এন্টালি থানার অন্তর্গত পটারি রোড এলাকায় আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালীন আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র এবং বোমা ব্যবহার করা হয় বলেও দাবি স্থানীয়দের। ঘটনায় গুরুতর জখম হন এক ব্যক্তি। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, নিহত ব্যক্তি অভিযুক্তদেরই গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং এলাকায় দখলদারি নিয়েই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনার পরই তদন্তে নামে এন্টালি থানার পুলিশ। প্রথম দফায় গ্রেফতার করা হয় পিঙ্কু দাস ওরফে ‘ডাকাত’ নামে এক দুষ্কৃতীকে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে আসে দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’-র নাম। এরপর থেকেই পলাতক ছিল সে। কলকাতার পটারি রোড এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করলেও পুলিশের দাবি, গ্রেফতার এড়াতে নদীয়ার নবদ্বীপে আত্মগোপন করেছিল অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে নবদ্বীপের রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরে সেখান থেকেই দীপক দাসকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এন্টালি থানার মামলা নম্বর ১০৪/২৬ অনুযায়ী ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১)/৩(৫) ধারার পাশাপাশি অস্ত্র আইনের ২৫/২৭ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এই গ্যাংয়ের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন সক্রিয় দুষ্কৃতীর যোগ থাকতে পারে। ধৃত দীপক দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের পরিচয়, অস্ত্র সরবরাহ চক্র এবং খুনের নেপথ্যের মূল কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে এন্টালি থানার পুলিশ।
- এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! এন্টালি খুনকাণ্ডে নবদ্বীপ থেকে গ্রেফতার ‘এক' গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুনের সূত্র খুঁজছে পুলিশ! , নদীয়া : কলকাতার এন্টালি থানার চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় অবশেষে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। খুনকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’ (৪৪)-কে শুক্রবার সকালে নদীয়ার নবদ্বীপ থানার অন্তর্গত রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে এন্টালি থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার পটারি রোড ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় দুষ্কৃতী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৫ মে গভীর রাতে কলকাতার এন্টালি থানার অন্তর্গত পটারি রোড এলাকায় আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালীন আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র এবং বোমা ব্যবহার করা হয় বলেও দাবি স্থানীয়দের। ঘটনায় গুরুতর জখম হন এক ব্যক্তি। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, নিহত ব্যক্তি অভিযুক্তদেরই গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং এলাকায় দখলদারি নিয়েই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনার পরই তদন্তে নামে এন্টালি থানার পুলিশ। প্রথম দফায় গ্রেফতার করা হয় পিঙ্কু দাস ওরফে ‘ডাকাত’ নামে এক দুষ্কৃতীকে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে আসে দীপক দাস ওরফে ‘নেটো’-র নাম। এরপর থেকেই পলাতক ছিল সে। কলকাতার পটারি রোড এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করলেও পুলিশের দাবি, গ্রেফতার এড়াতে নদীয়ার নবদ্বীপে আত্মগোপন করেছিল অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে নবদ্বীপের রানীরচড়া মিস্ত্রি পাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরে সেখান থেকেই দীপক দাসকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এন্টালি থানার মামলা নম্বর ১০৪/২৬ অনুযায়ী ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১)/৩(৫) ধারার পাশাপাশি অস্ত্র আইনের ২৫/২৭ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এই গ্যাংয়ের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন সক্রিয় দুষ্কৃতীর যোগ থাকতে পারে। ধৃত দীপক দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের পরিচয়, অস্ত্র সরবরাহ চক্র এবং খুনের নেপথ্যের মূল কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে এন্টালি থানার পুলিশ।1
- 😄🤔🤔😄😄😄😄3
- নবদ্বীপের চৈতন্য বইমেলা এখানে সমস্ত রকমের বই পাওয়া যায় 🙏🙏🙏🙏1
- পশ্চিমবঙ্গের তাহেরপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে তীব্র বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যা এলাকায় উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।1
- কৃষ্ণনগর সরকারি কলেজে যাতায়াতের প্রধান রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। জেলার অন্যতম প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথ জলাশয়ের রূপ নেওয়ায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।1
- জগদানন্দ পুর নন্দপুর সাহাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্র1
- পূর্ব বর্ধমানের দোলগোবিন্দপুরে এক তৃণমূল কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, যদিও বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে।1
- 😄😄😄1