উত্তর প্রদেশের চান্দৌলি থেকে একটি ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। এই ভাইরাল ভিডিওতে একজন মহিলা সাপ্লাই ইন্সপেক্টর এবং একজন সাংবাদিকের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে, ওই মহিলা কর্মকর্তাকে কথিতভাবে সাংবাদিককে ‘দালাল’ বলতে শোনা যাচ্ছে, যার পর সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করে এই অভিযোগের প্রমাণ দাবি করেন। পুরো ঘটনাটি এসডিএম-এর উপস্থিতিতে ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও, ঘটনার সমস্ত তথ্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাইকরণ এখনও হয়নি। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ সাংবাদিকের সম্মান নিয়ে কথা বলছেন তো কেউ সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পাশাপাশি, কিছু মানুষ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন যাতে সত্য সামনে আসে। ‘আপকি জং’-এর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে যে, ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সরকারি তদন্ত এবং সকল পক্ষের বক্তব্য শোনার অপেক্ষা করা উচিত। সাংবাদিকতা এবং প্রশাসন – উভয়ই গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, তাই সত্য ও মর্যাদা উভয়েরই সম্মান করা উচিত।
উত্তর প্রদেশের চান্দৌলি থেকে একটি ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। এই ভাইরাল ভিডিওতে একজন মহিলা সাপ্লাই ইন্সপেক্টর এবং একজন সাংবাদিকের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে, ওই মহিলা কর্মকর্তাকে কথিতভাবে সাংবাদিককে ‘দালাল’ বলতে শোনা যাচ্ছে, যার পর সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করে এই অভিযোগের প্রমাণ দাবি করেন। পুরো ঘটনাটি এসডিএম-এর উপস্থিতিতে ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও, ঘটনার সমস্ত তথ্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাইকরণ এখনও হয়নি। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ সাংবাদিকের সম্মান নিয়ে কথা বলছেন তো কেউ সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পাশাপাশি, কিছু মানুষ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন যাতে সত্য সামনে আসে। ‘আপকি জং’-এর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে যে, ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সরকারি তদন্ত এবং সকল পক্ষের বক্তব্য শোনার অপেক্ষা করা উচিত। সাংবাদিকতা এবং প্রশাসন – উভয়ই গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, তাই সত্য ও মর্যাদা উভয়েরই সম্মান করা উচিত।
- বিহারের সরকারি বাংলো নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে পৌঁছেছে। সরকার কর্তৃক বাংলো খালি করার নোটিশ জারির পরেও এই বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং শাসক দল ও বিরোধী দল এই ইস্যুতে সরাসরি মুখোমুখি হয়েছে। একদিকে সরকার যুক্তি দিচ্ছে যে সরকারি আবাসন কোনো ব্যক্তির স্থায়ী সম্পত্তি হতে পারে না, অন্যদিকে বিরোধী দল এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রকাশ হিসাবে দেখছে। এই রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে সরকারি বাংলোগুলি কারও "বাপের সম্পত্তি" নয় এবং প্রতিটি ব্যক্তিকেই নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। এর বিপরীতে, আরজেডি-র নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের অভিযোগ এনেছেন। সরকারি বাংলো নিয়ে এই বিতর্ক এখন আর কেবল একটি আবাসন সংক্রান্ত বিষয় নেই, এটি বিহারের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এখন সব পক্ষ এবং জনগণের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে যে আগামী দিনগুলিতে সরকার ও লালু পরিবারের মধ্যে এই তীব্র সংঘাত কোন পথে এগোয়। 'আপ কি জং' (আপনার যুদ্ধ) এই ইস্যুতে আবেদন জানিয়েছে যে, সরকারি সম্পত্তির উপর রাজনীতি না করে আইন ও নিয়মের প্রতি সম্মান জানানোই গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়।1
- পুলিশের তৎপরতায় অবৈধ মহিষ পাচারের একটি প্রচেষ্টা রুখে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত এবং বিচক্ষণ পদক্ষেপের মাধ্যমে এই পাচার আটকাতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।1
- অমিত শাহ মাদক চক্রের বিরুদ্ধে একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িতদের প্রতি কোনো ধরনের রেয়াত করা হবে না।1
- ফেসবুকের একটি ভাইরাল গানের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে শঙ্কর ঘোষ নরেশ মোড়ের বেহাল রাস্তা পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের খবরটি `#khabarsiliguri` হ্যাশট্যাগের সাথে প্রকাশ করা হয়েছে।1
- আজ শিলিগুড়ি থানামোড় এলাকায় মহরম পালিত হচ্ছে।1
- ভিডিও ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করবেন। পেজটি ফলো করে পাশে থাকবেন1
- ময়নাগুড়িতে পুলিশের ভোট পট্টি ফাঁড়ি একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিশাল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচারের একটি বড়সড় ছক বানচাল করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক কাফ সিরাপ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ জলপাইগুড়ির দিক থেকে একটি পিক আপ গাড়িতে করে মেখলিগঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশের একটি বিশেষ দল গাড়িটিকে ধাওয়া করলে, ভোটপট্টি সংলগ্ন শনি মন্দির ও লাল স্কুল এলাকার কাছে চালক পুলিশের উপস্থিতি টের পায়। পরিস্থিতি প্রতিকূল বুঝে পাচারকারীরা রাস্তার মাঝখানেই গাড়িটি ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ পরবর্তীতে গাড়িটি তল্লাশি করে মোট ১৬ হাজার ৭৫টি নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের বোতল উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরবর্তীতে, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই নিষিদ্ধ সিরাপগুলি মেখলিগঞ্জ ও সংলগ্ন এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তদন্তকারীরা বর্তমানে খতিয়ে দেখছেন যে এই পাচারের ঘটনায় কোনো বড়সড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কিনা। বাজেয়াপ্ত করা গাড়িটিকে বর্তমানে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মায়ানগুড়ি পুলিশ পলাতক চালকের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে।1
- উত্তর প্রদেশের চান্দৌলি থেকে একটি ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। এই ভাইরাল ভিডিওতে একজন মহিলা সাপ্লাই ইন্সপেক্টর এবং একজন সাংবাদিকের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে, ওই মহিলা কর্মকর্তাকে কথিতভাবে সাংবাদিককে ‘দালাল’ বলতে শোনা যাচ্ছে, যার পর সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করে এই অভিযোগের প্রমাণ দাবি করেন। পুরো ঘটনাটি এসডিএম-এর উপস্থিতিতে ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও, ঘটনার সমস্ত তথ্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাইকরণ এখনও হয়নি। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ সাংবাদিকের সম্মান নিয়ে কথা বলছেন তো কেউ সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পাশাপাশি, কিছু মানুষ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন যাতে সত্য সামনে আসে। ‘আপকি জং’-এর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে যে, ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সরকারি তদন্ত এবং সকল পক্ষের বক্তব্য শোনার অপেক্ষা করা উচিত। সাংবাদিকতা এবং প্রশাসন – উভয়ই গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, তাই সত্য ও মর্যাদা উভয়েরই সম্মান করা উচিত।1