৩০ মে, মেখলিগঞ্জে জামালদহ স্বনির্ভর গোষ্ঠী সংঘের একাংশ সদস্য তাদের সংঘের কিছু পদাধিকারী ও কর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে থানায় গণ-অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগগুলির মধ্যে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায়, মোটেল প্রকল্পে বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাৎ এবং শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বকেয়া রাখার মতো বিষয়গুলি রয়েছে। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে যে, সংঘের কয়েকজন পদাধিকারী ও কর্মী দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। সদস্যদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও ঋণের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৬ সালে মোটেল ব্যবসার নামে সদস্যদের কাছ থেকে শেয়ার বাবদ অর্থ সংগ্রহ করা হলেও আজ পর্যন্ত তাদের কোনও লাভের অংশ দেওয়া হয়নি। এছাড়া, অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, সংঘের মহিলা শ্রমিকদের কাজ করিয়েও নির্ধারিত পারিশ্রমিক দেওয়া হয়নি। একইসাথে, সংগঠনের একটি গাড়ি সদস্যদের অজান্তে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। সরকারি ‘প্রগতি’ প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া এবং আইসিডিএস টেন্ডারের লাভের অংশ গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীরা বিষয়গুলির নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং আত্মসাৎ হওয়া অর্থের হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। মেখলিগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হলেও, অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
৩০ মে, মেখলিগঞ্জে জামালদহ স্বনির্ভর গোষ্ঠী সংঘের একাংশ সদস্য তাদের সংঘের কিছু পদাধিকারী ও কর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে থানায় গণ-অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগগুলির মধ্যে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায়, মোটেল প্রকল্পে বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাৎ এবং শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বকেয়া রাখার মতো বিষয়গুলি রয়েছে। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে যে, সংঘের কয়েকজন পদাধিকারী ও কর্মী দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। সদস্যদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও ঋণের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৬ সালে মোটেল ব্যবসার নামে সদস্যদের কাছ থেকে শেয়ার বাবদ অর্থ সংগ্রহ করা হলেও আজ পর্যন্ত তাদের কোনও লাভের অংশ দেওয়া হয়নি। এছাড়া, অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, সংঘের মহিলা শ্রমিকদের কাজ করিয়েও নির্ধারিত পারিশ্রমিক দেওয়া হয়নি। একইসাথে, সংগঠনের একটি গাড়ি সদস্যদের অজান্তে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। সরকারি ‘প্রগতি’ প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া এবং আইসিডিএস টেন্ডারের লাভের অংশ গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীরা বিষয়গুলির নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং আত্মসাৎ হওয়া অর্থের হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। মেখলিগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হলেও, অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
- মাথাভাঙা SD হাসপাতালের সুপারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বিজেপি।1
- দিনহাটা শহরে হকার উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিপিআইএমের শ্রমিক সংগঠন একটি মিছিলের আয়োজন করে। এই মিছিলের মাধ্যমে তারা হকারদের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তাদের জোরালো অবস্থান তুলে ধরে।1
- শীতলকুচিতে এক বিজেপি কর্মীকে দুষ্কৃতীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাতে বিজেপি কর্মী দীপক বর্মন প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি পবিত্র বর্মনের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে নগর শোভাগঞ্জ এলাকায় দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন। আচমকা লাঠি নিয়ে তাঁর উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন এবং পরিবারের সদস্যরা দীপক বর্মনকে উদ্ধার করেন। তাঁকে প্রথমে শীতলকুচি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে তিনি মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।1
- দেশের সুরক্ষা সবার আগে, এই মূলমন্ত্র নিয়ে উন্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা, যাঁরা এই কাজ শুরু হওয়ায় ব্যাপক আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নেওয়া এই পদক্ষেপ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলির সমর্থন এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, যা একটি শক্তিশালী ভারত নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।1
- আলিপুরদুয়ার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তার নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, রাস্তার কাজের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেলেও দীর্ঘদিন ধরে কাজটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যার ফলে এলাকার মানুষকে প্রতিদিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা শনিবার সকাল থেকে রাস্তার উপর অবস্থান নিয়ে পথ অবরোধ শুরু করেন। তাদের প্রধান দাবি ছিল, দ্রুত রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হোক, কারণ একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বর্ষা আসন্ন হওয়ায় অসমাপ্ত রাস্তার কারণে জল জমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা এই অবস্থাকে সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও কাজ শেষ না হওয়া প্রশাসনিক গাফিলতি এবং নির্মাণ সংস্থার দায়িত্বহীনতার চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে কাজ শেষ করার পাশাপাশি এই অনিয়মের তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। পথ অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে। দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ করার আশ্বাস পাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এলাকাবাসীরা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত কাজ শুরু না হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন।1
- সিতাই ব্লকের আদাবাড়ি অঞ্চলের ৬/১০ নং বুথের পেটলা আদাবারী গ্রামে আবাস যোজনার কাটমানির টাকা দাবিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা পঞ্চায়েত সদস্য অধীর চন্দ্র দাসের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মূল দাবি, গরিব মানুষের জন্য সরকারের দেওয়া আবাস যোজনার অর্থ থেকে যে কাটমানি নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একই দিনে, স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার প্রাক্তন বুথ সভাপতির বাড়িতেও আবাস যোজনার কাটমানির একই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তুলেছেন। জানা গেছে, এই ঘটনার খবর স্থানীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।1
- সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ তিনশো বোতল কফ সিরাপ সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের নাগরেরবাড়ি এলাকায় একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ এই অবৈধ কফ সিরাপ উদ্ধার করে।1
- বলিউড অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ারকে উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উপর জোর দিয়েছেন। শনিবার জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি জানান যে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অরণ্য, বন্যপ্রাণ এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য আলিপুরদুয়ারের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর মতে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জেলাটিকে দেশের পর্যটন মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল জায়গায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। মিঠুন চক্রবর্তী উল্লেখ করেন, ডুয়ার্সের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত আলিপুরদুয়ার শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা দেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। তিনি মনে করেন যে, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের জন্য আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। এদিন তিনি জেলার বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা করেন। টাইগার প্রজেক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে পুরুষ বাঘ থাকলেও প্রকল্পকে আরও সফল করতে স্ত্রী বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। এতে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ প্রকল্প আরও কার্যকর হবে এবং বনভিত্তিক পর্যটনের আকর্ষণও বাড়বে। বিজেপি নেতা স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে জানান, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়নের বিষয়গুলি নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। মিঠুন চক্রবর্তী মন্তব্য করেন যে, জেলার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে পর্যটন, স্বাস্থ্য, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আলিপুরদুয়ার আগামী দিনে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে।1
- কোচবিহারে সদর ট্রাফিক পুলিশ টোটোর বিরুদ্ধে কড়াকড়ি আরোপ করে একটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।1