সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমা মৎস্য সমবায়গুলির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটির উদ্যোগে একটি সাংগঠনিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সত্যবান দাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কনভেনশনে মোট ৭৭ জন প্রকৃত মৎস্যজীবী উপস্থিত ছিলেন। দেশের, রাজ্যের এবং সোনামুড়া মহকুমার সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সংগঠনকে এই মুহূর্তে সক্রিয় করে বিভিন্ন জ্বলন্ত ইস্যুভিত্তিক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে সোচ্চার হওয়ার পরামর্শ দেন সংগঠনের নেতৃত্বরা। এই কনভেনশনে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক তথা বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র দাস, রাস বিহারী দাস এবং সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক নিত্যানন্দ বর্মন। দীর্ঘ আলোচনায় শ্যামল চক্রবর্তী বর্তমান কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এই সরকারের জনপ্রতিনিধিরা মুখে যা বলেন, বাস্তবে তার উল্টোটা করেন। এর ফলে পিছিয়ে পড়া মানুষ আগামী দিনে আরও সর্বহারা হয়ে যাবে। রাজ্যে কিছু স্কুলে মাত্র একজন শিক্ষক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামীণ এলাকার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করাই এই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। উপস্থিত মৎস্যজীবী ও কর্মীদের আন্দোলনের পথ জোরালো করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, চুপ করে বসে থাকলে শোষণ ও যন্ত্রণার হাত ধরে সমাজ দুর্ভিক্ষে গ্রাস হবে। এই দীর্ঘ আলোচনার পর, ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটি আগামী দিনে নিজেদের দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমে তীব্র আন্দোলনে শামিল হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমা মৎস্য সমবায়গুলির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটির উদ্যোগে একটি সাংগঠনিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সত্যবান দাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কনভেনশনে মোট ৭৭ জন প্রকৃত মৎস্যজীবী উপস্থিত ছিলেন। দেশের, রাজ্যের এবং সোনামুড়া মহকুমার সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সংগঠনকে এই মুহূর্তে সক্রিয় করে বিভিন্ন জ্বলন্ত ইস্যুভিত্তিক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে সোচ্চার হওয়ার পরামর্শ দেন সংগঠনের নেতৃত্বরা। এই কনভেনশনে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক তথা বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র দাস, রাস বিহারী দাস এবং সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক নিত্যানন্দ বর্মন। দীর্ঘ আলোচনায় শ্যামল চক্রবর্তী বর্তমান কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এই সরকারের জনপ্রতিনিধিরা মুখে যা বলেন, বাস্তবে তার উল্টোটা করেন। এর ফলে পিছিয়ে পড়া মানুষ আগামী দিনে আরও সর্বহারা হয়ে যাবে। রাজ্যে কিছু স্কুলে মাত্র একজন শিক্ষক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামীণ এলাকার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করাই এই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। উপস্থিত মৎস্যজীবী ও কর্মীদের আন্দোলনের পথ জোরালো করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, চুপ করে বসে থাকলে শোষণ ও যন্ত্রণার হাত ধরে সমাজ দুর্ভিক্ষে গ্রাস হবে। এই দীর্ঘ আলোচনার পর, ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটি আগামী দিনে নিজেদের দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমে তীব্র আন্দোলনে শামিল হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- বর্ষা নামতেই ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া শহরের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। টানা বৃষ্টিতে সোনামুড়ার একাধিক সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং কোথাও কোথাও জমে থাকা হাঁটুসমান জলে হাঁস সাঁতার কাটছে। সরকারের উন্নয়নের দাবির সঙ্গে বাস্তবের এই বিস্তর ফারাক দেখে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা রবিবার সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েত এলাকার ঠাকুরমুড়া দোকান চৌমুহনীতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন। বেহাল রাস্তা দেখে অনেকেই ব্যঙ্গ করে একে ছোট্ট জলাশয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা ডুবে যায় এবং সেই জল ঘরে ঢুকে পড়ায় তাঁদের চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের ভাইস-চেয়ারপার্সন শাহজাহান মিয়া প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করলেও দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি বলে এলাকাবাসী ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। রাস্তা অবরোধের খবর পেয়ে প্রথমে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায় এবং পরে সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের ভাইস-চেয়ারপার্সন শাহজাহান মিয়া সেখানে যান। ভাইস-চেয়ারপার্সন অবরোধকারীদের আশ্বস্ত করে প্রতিশ্রুতি দেন যে, বর্ষা শেষ হলেই কালীবাজার থেকে সোনামুড়া পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি আপতকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে ও জলাবদ্ধতা কমাতে নগর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ড্রেন কেটে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দেন তিনি। প্রশাসনের এই আশ্বাসের পর স্থানীয়রা অবরোধ প্রত্যাহার করলেও, এই প্রতিশ্রুতি আদেও বাস্তবে রূপ নেবে নাকি কেবল আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, সেই প্রশ্নই এখন তুলছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।1
- সিপাহীজলা জেলার বিশালগড়ের কৈয়াডেপা এলাকায় সরকারি অনুদান সম্পূর্ণ ব্রাত্য রয়ে গেছে। বেহাল রাস্তা সংস্কারের জন্য কোনো সরকারি সাহায্য না মেলায় শেষ পর্যন্ত নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করেই রাস্তা মেরামতের কাজে নেমে পড়েছেন কৈয়াডেপার গ্রামবাসীরা।1
- রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী ও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে রাজধানী আগরতলায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার হাত ধরে রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে আগরতলা সিভিল হাসপাতালের পরিষেবা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটিকে নিয়ে আগামী দিনে বড় পরিকল্পনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে এই হাসপাতালকে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।1
- help manusree choudhury help help help help help help help help help help help help help help help help help help help help help1
- পশ্চিম ত্রিপুরায় সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে রক্তদান শিবির এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ত্রিপুরা প্রান্ত ও বজরং দল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। এছাড়াও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পদাধিকারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচিকে সফল করে তোলেন। এই কর্মসূচিতে বহু রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বৃক্ষরোপণও করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত সমাজসেবা, মানবকল্যাণ এবং পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যেই সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে এই ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।1
- lllllllllollllllllollllllllollllllllollllllllolllllllll1
- সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমা মৎস্য সমবায়গুলির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটির উদ্যোগে একটি সাংগঠনিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সত্যবান দাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কনভেনশনে মোট ৭৭ জন প্রকৃত মৎস্যজীবী উপস্থিত ছিলেন। দেশের, রাজ্যের এবং সোনামুড়া মহকুমার সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সংগঠনকে এই মুহূর্তে সক্রিয় করে বিভিন্ন জ্বলন্ত ইস্যুভিত্তিক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে সোচ্চার হওয়ার পরামর্শ দেন সংগঠনের নেতৃত্বরা। এই কনভেনশনে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক তথা বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র দাস, রাস বিহারী দাস এবং সোনামুড়া মহকুমা কমিটির সম্পাদক নিত্যানন্দ বর্মন। দীর্ঘ আলোচনায় শ্যামল চক্রবর্তী বর্তমান কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এই সরকারের জনপ্রতিনিধিরা মুখে যা বলেন, বাস্তবে তার উল্টোটা করেন। এর ফলে পিছিয়ে পড়া মানুষ আগামী দিনে আরও সর্বহারা হয়ে যাবে। রাজ্যে কিছু স্কুলে মাত্র একজন শিক্ষক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামীণ এলাকার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করাই এই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। উপস্থিত মৎস্যজীবী ও কর্মীদের আন্দোলনের পথ জোরালো করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, চুপ করে বসে থাকলে শোষণ ও যন্ত্রণার হাত ধরে সমাজ দুর্ভিক্ষে গ্রাস হবে। এই দীর্ঘ আলোচনার পর, ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়ন সোনামুড়া মহকুমা কমিটি আগামী দিনে নিজেদের দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমে তীব্র আন্দোলনে শামিল হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।1
- ত্রিপুরার ধলাই জেলার গঙ্গানগর থানার পুলিশ নাকা চেকিংয়ের সময় একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। নিয়মিত তল্লাশির সময় TR01 BQ 0551 নম্বরের একটি মহিন্দ্রা মারাজো গাড়িকে সন্দেহ হলে সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে গাড়িটির ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি একটি গোপন চেম্বার থেকে ১০ লক্ষ টাকার বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গাঁজা ছাড়াও গাড়িটি থেকে একাধিক নম্বর প্লেট এবং একটি প্রেসকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গাড়ির চালক অনিমেষ দেবকে আটক করেছে পুলিশ, যিনি খোয়াই জেলার লালছড়া এলাকার বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া প্রেসকার্ডটি আদেও বৈধ কি না এবং সেটি ব্যবহার করে কোনো বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রেসকার্ডের অপব্যবহারের বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।1