বিজেপি ক্ষমতায় আসায় চুল দাড়ি কাটলেন মাথাভাঙ্গার এক বিজেপি নেতা মা-কে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন,পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাটবেন না চুলদাড়ি।প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় রবিবার মাথাভাঙ্গা শিব বাড়ি মন্দির চত্বর এলাকায় এসে চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলেন বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা। এ বিষয়ে বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা বলেন ২০২২ সালে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম।তৃণমূলের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা,আমার প্রতি ও আমার সংসারের প্রতি সেইসাথে আমাদের কর্মীদের প্রচুর পরিমাণে অত্যাচার করেছিল তৃণমূল। ২০২২ সালে ২৫ ঘণ্টা অত্যাচার চালিয়েছিল বাড়িতে সেই সময় আমার মা মৃত্যুশয্যায় ছিল তখন আমি মাকে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজেপি পার্টি ক্ষমতায় আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি চুল দাড়ি কাটবো না চৌঠা মে ক্ষমতায় আছে বিজেপি তাই আজ চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলাম এমনটাও বলেন তিনি।
বিজেপি ক্ষমতায় আসায় চুল দাড়ি কাটলেন মাথাভাঙ্গার এক বিজেপি নেতা মা-কে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন,পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাটবেন না চুলদাড়ি।প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় রবিবার মাথাভাঙ্গা শিব বাড়ি মন্দির চত্বর এলাকায় এসে চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলেন বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা। এ বিষয়ে বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর সাহা বলেন ২০২২ সালে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম।তৃণমূলের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা,আমার প্রতি ও আমার সংসারের প্রতি সেইসাথে আমাদের কর্মীদের প্রচুর পরিমাণে অত্যাচার করেছিল তৃণমূল। ২০২২ সালে ২৫ ঘণ্টা অত্যাচার চালিয়েছিল বাড়িতে সেই সময় আমার মা মৃত্যুশয্যায় ছিল তখন আমি মাকে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজেপি পার্টি ক্ষমতায় আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি চুল দাড়ি কাটবো না চৌঠা মে ক্ষমতায় আছে বিজেপি তাই আজ চুল দাড়ি কেটে প্রতিজ্ঞা পূরণ করলাম এমনটাও বলেন তিনি।
- কোচবিহারের স্থানীয় হারিশ ভাই তাঁর ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব আইডি শেয়ার করেছেন। তাঁর ইনস্টাগ্রাম আইডি 'Mr Harish bhai official 97' এবং ইউটিউব চ্যানেলের নাম 'Raj putro'। তিনি এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে সকলের সাথে যুক্ত থাকতে চান।1
- কোচবিহারের পাটকাপাড়া অঞ্চলের জুলুমপাড়ার বাসিন্দারা পোরো নদীর লাগাতার ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে প্রতি বর্ষায় ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং প্রশাসন বাঁধ না দিলে গ্রাম তলিয়ে যাবে। এই অবৈধ বালু মাফিয়াগিরিতে পঞ্চায়েতের একাংশের মদতেরও অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।1
- ভেটাগুড়ির 'ঘরের ছেলে' নিশীথ প্রামাণিক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। এই খবরে ভেটাগুড়িসহ রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা প্রসঙ্গে।1
- মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করা দিনহাটা মহকুমার পাঁচ জন পড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানাল মহকুমা পুলিশ। গোপালনগর ও দিনহাটা গার্লস হাই স্কুলের এই কৃতিরা রাজ্যের ষষ্ঠ, সপ্তম ও দশম স্থান অধিকার করেছে। পুলিশ আধিকারিকরা তাদের আগামী দিনের সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা জানান।1
- আলিপুরদুয়ারের এক ক্রিকেট অনুরাগী বিরাট কোহলিকে 'রাজা' আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য আবারো দেশের ক্রীড়াজগতে কোহলির তুমুল জনপ্রিয়তা তুলে ধরেছে।1
- *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে। *১০ বছরের 'ভাত-প্রতিজ্ঞা' ভাঙলেন সুভাষ বর্মন, গ্রামবাসীকে খাওয়ালেন ভাত* *শীতলখুঁচি, ১০ মে:* "বিজেপি সরকার না আসা পর্যন্ত ভাত মুখে তুলব না"— প্রায় ১০ বছর আগে নেওয়া সেই প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূর্ণ করলেন শীতলখুঁচির সুভাষ বর্মন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর রবিবার নিজে ভাত খেলেন এবং গোটা গ্রামবাসীকে ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করলেন তিনি। সুভাষ বর্মনের দাবি, প্রায় এক দশক আগে বিজেপি করার 'অপরাধে' তাঁকে রান্না করা ভাত খেতে দেওয়া হয়নি। সেই অপমানের জবাবেই তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন না পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসবে, ততদিন তিনি ভাত মুখে তুলবেন না। গত ১০ বছর তিনি রুটি, মুড়ি, চিঁড়ে খেয়েই দিন কাটিয়েছেন। রাজ্যে সরকার বদলের খবর আসতেই রবিবার নিজের বাড়িতে ভাত রান্নার আয়োজন করেন সুভাষ। পুজো-পাঠ সেরে প্রথমে নিজে ভাত মুখে তোলেন। এরপর গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষকে নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে ভাত, ডাল, তরকারি খাওয়ান। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য যোগেশ বর্মন, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মহেন্দ্র বর্মন, , বুথ সভাপতি সুভাষ বর্মন এবং প্রতিনিধিরা ও মহিলা নেত্রী শ্রাবণী রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। তাঁরা সুভাষ বর্মনকে মিষ্টিমুখ করান। ভাত মুখে দেওয়ার পর আবেগাপ্লুত সুভাষ বর্মন বলেন, "সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। মা-ঠাকুমা বলতেন, ভাতের অপমান সহ্য হয় না। তাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ ১০ বছর পর ভাত খেলাম। মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেলাম। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এলে আর কাউকে যেন এই দিন দেখতে না হয়।" ৪ নং মণ্ডল সভাপতি নবীন বর্মন বলেন, "সুভাষদার মতো কর্মীর ত্যাগেই আজ এই দিন এসেছে। ওনার এই জেদ, এই নিষ্ঠা আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, রাজনীতির জন্য কারও পেটের ভাত যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।" সুভাষের বাড়িতে এই আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের মেজাজ। গ্রামবাসীরা বলেন, "কাকার জেদ দেখে আমরা অবাক হতাম। আজ ওনার মুখে হাসি দেখে ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর শীতলখুঁচি ব্লকে একের পর এক এমন অভিনব উদযাপনের খবর আসছে।1
- কোচবিহারের বাসিন্দা হরিশ ভাই এখন TikTok প্ল্যাটফর্মে বেশ সক্রিয়। তাঁর 'mr harish vai official 97' আইডি থেকে পোস্ট করা ভিডিওগুলি দেখতে দর্শকদের সমর্থন চাওয়া হচ্ছে।1
- নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর কোচবিহারে অভিনব উপায়ে উদযাপন করা হলো। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে ঝালমুড়ি বিতরণ করেন। এই উৎসবে সকলে মেতে ওঠেন, যা রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক ভিন্নরকম চিত্র তুলে ধরল।1
- পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর, এক বছর আগে হামলার শিকার হওয়া শীতলকুচির সেই মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা কালী শঙ্কর বর্মন। গত বছর প্রসাদ নিতে গিয়ে তিনি তৃণমূল কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। এই ঘটনাকে তিনি 'গণতন্ত্রের জয়' বলে অভিহিত করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন চর্চা শুরু করেছে।1